ফ্লাজেলাযুক্ত স্পোরকে বলে-
সঠিক উত্তরঃ
A.
জুওস্পোর
Explanation:

Another Explanation (5):
ফ্লাজেলাযুক্ত স্পোরকে বলা হয়ঃ
ফ্লাজেলাযুক্ত স্পোর বা জুওস্পোর হলো একধরণের স্পোর, যা ফ্লাজেলা (অর্থাৎ, চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অঙ্গ) দ্বারা সুসজ্জিত। এই ধরনের স্পোর সাধারণত জৈবিক প্রক্রিয়ায় চলাচল করতে সক্ষম হয় এবং বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে।
বিশদ ব্যাখ্যা:
- ফ্লাজেলা হলো একটি ক্ষুদ্র অঙ্গ যা স্পোকে চলাচল করার ক্ষমতা দেয়।
- জুওস্পোরের বৈশিষ্ট্য হলো এর ফ্লাজেলা দ্বারা চলাচল সক্ষমতা।
- এটি মূলত অণুজীবের জীবনচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমন প্রজনন বা পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার জন্য।
সাধারণ তথ্যের টেবিল:
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| ফ্লাজেলা | চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অঙ্গ, যা স্পোরকে চলাচল করতে সহায়তা করে। |
| স্পোরের ধরন | জুওস্পোর (Zoospore) |
| ব্যবহার | পরিবেশে ছড়িয়ে পড়া ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। |
স্মরণীয় বাক্য:
🦠 জুওস্পোর হলো এক ধরনের ফ্লাজেলাযুক্ত স্পোর, যা চলাচলক্ষম এবং পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 🚶♂️🌱
Option A Explanation:
- জুওস্পোর: এটি হলো এক ধরনের স্পোর যা ফ্লাজেলাযুক্ত, অর্থাৎ এর সঙ্গে এক বা একাধিক ফ্লাজেল থাকে।
- ফ্লাজেলাযুক্ত স্পোর সাধারণত চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে এগুলির মাধ্যমে সংক্রমণ বা বিস্তার ঘটে যা জীববৈচিত্র্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation:
- অ্যাপ্লানোস্পোর: এটি একটি বিশেষ ধরণের স্পোইরোগাইরাতিক স্পোর যা মূলত মুক্ত বা স্ফীত আকারে থাকে।
- অ্যাপ্লানোস্পোর সাধারণত ফাঙ্গাসের জীবনচক্রে দেখা যায় এবং এটি সংক্রামক বা বিস্তারকারী স্পোর্স হিসেবে কাজ করে।
- এটি মূলত ডিম্বাশয় বা ফলিকুলার স্তরে তৈরি হয় এবং স্পোইরোগাইরার মাধ্যমে নতুন জীবাণু বা সংক্রমক অংশের বিস্তার ঘটে।
Option C Explanation:
- হিপনোস্পোর:
- একটি বিশেষ ধরণের স্পোর যা ফ্লাজেলার উপস্থিতি ছাড়া উৎপন্ন হয়।
- প্রধানত কিছু প্রমাণানুগ অঙ্গবিকাশে দেখা যায়, যেখানে স্পোরের গঠন ও গুণাবলি ভিন্ন।
- এটি সাধারণত অপ্রচলিত বা কম সাধারণ স্পোরের একটি বিভাগ হিসেবে বিবেচিত হয়।
Option D Explanation:
- উওস্পোর: উওস্পোর হলো এক ধরনের স্পোর যা সাধারণত অ্যানিমালিক জীবের মধ্যে তৈরি হয়। এটি মূলত ফ্লাজেলাযুক্ত অঙ্গের মাধ্যমে পরিবহন ও বিস্তার সংক্রান্ত। এই স্পোরের বৈশিষ্ট্য হলো, এটি পরিবেশের মধ্যে দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে সক্ষম এবং নতুন জীবের প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।