কিয়োটো প্রটোকল এর লক্ষ্য কী ছিল?
PUSTUnit-Bসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশবাংলাদেশের চুক্তিকিয়োটো প্রটোকল (Topic Practice)PUST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
CO2 নিঃসরণ কমানো
Explanation:

Another Explanation (5):
কিয়োটো প্রটোকল: একটি একাডেমিক আলোচনা
কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি 🌍, যা ১৯৯৭ সালে গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালে কার্যকর হয়। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস করা ⬇️, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের 🌡️ অন্যতম কারণ।
কিয়োটো প্রটোকলের মূল লক্ষ্যসমূহ:
- গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো: শিল্পোন্নত দেশগুলোকে তাদের ১৯৯০ সালের নিঃসরণ মাত্রা থেকে গড়ে ৫.২% গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে বাধ্য করা হয়েছিল।
- জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC) বাস্তবায়ন: UNFCCC-এর উদ্দেশ্যগুলো পূরণে সহায়তা করা, যেখানে পরিবেশের সুরক্ষার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো একসাথে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- টেকসই উন্নয়নকে উৎসাহিত করা: এমন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা, যা পরিবেশের উপর কম প্রভাব ফেলে। 🌱
কিয়োটো প্রটোকলের অন্তর্ভুক্ত গ্যাসসমূহ:
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) 💨
- মিথেন (CH4) 🐄
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)
- সালফার হেক্সাফ্লোরাইড (SF6)
- হাইдроফ্লুরোকার্বনস (HFCs)
- পারফ্লুরোকার্বনস (PFCs)
কিয়োটো প্রটোকলের মেকানিজম:
কিয়োটো প্রটোকল তিনটি প্রধান মেকানিজমের মাধ্যমে তার লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করে:
- emissions trading/ নির্গমন বাণিজ্য: দেশগুলো তাদের অতিরিক্ত নিঃসরণ ইউনিট বিক্রি করতে পারত অন্য দেশকে, যারা তাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি।
- clean development mechanism/ পরিচ্ছন্ন উন্নয়ন প্রক্রিয়া: শিল্পোন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল দেশে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর প্রকল্পে বিনিয়োগ করে ক্রেডিট অর্জন করতে পারত।
- joint implementation/ যৌথ বাস্তবায়ন: শিল্পোন্নত দেশগুলো অন্য শিল্পোন্নত দেশে নিঃসরণ কমানোর প্রকল্পে বিনিয়োগ করে ক্রেডিট অর্জন করতে পারত।
কিয়োটো প্রটোকলের প্রভাব:
| দিক | ফলাফল |
|---|---|
| গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ | কিছু দেশে নিঃসরণ কমলেও, বৈশ্বিক নিঃসরণ বৃদ্ধি পেয়েছে। 📈 |
| জলবায়ু পরিবর্তন সচেতনতা | বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে। 🧠 |
| আন্তর্জাতিক সহযোগিতা | জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি কাঠামো তৈরি করেছে। 🤝 |
কিয়োটো প্রটোকল জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। যদিও এর সীমাবদ্ধতা ছিল, তবে এটি প্যারিস চুক্তির মতো ভবিষ্যৎ চুক্তির ভিত্তি স্থাপন করেছে। 🏛️