৬ দফা কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
CUUnit-Bসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশপাকিস্তান আমলছয় দফা (১৯৬৬) (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
1966
Explanation:

Another Explanation (5):
ছয় দফা: একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ 🗓️
ছয় দফা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি ১৯৬৬ সালে প্রণয়ন করা হয়।
ছয় দফার পটভূমি 🌍
পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যের শিকার হতে থাকে। এই বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে ছয় দফা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
ছয় দফা কি? 🤔
ছয় দফা ছিল মূলত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের জন্য স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
ছয় দফার দফাগুলো 📜
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন (Regional Autonomy) 🏘️
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। 🛡️
- তৃতীয় দফা: পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক মুদ্রা থাকবে, যা সহজে বিনিময়যোগ্য হবে অথবা উভয় অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে কিন্তু এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে মূলধন পাচার রোধ করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। 💰
- চতুর্থ দফা: সকল প্রকার ট্যাক্স, শুল্ক ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। 🏦
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্যের ব্যাপারে প্রদেশগুলোর স্বাধীনতা থাকবে। তারা নিজ নিজ উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয়লব্ধ অর্থের হিসেব রাখতে পারবে। 🚢
- ষষ্ঠ দফা: পূর্ব পাকিস্তানে নিজস্ব মিলিশিয়া বা আধা সামরিক বাহিনী গঠন করার ক্ষমতা থাকবে। 👮
ছয় দফার গুরুত্ব ✨
ছয় দফা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ প্রশস্ত করে। এটি ছিল বাঙালির অধিকার আদায়ের একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা। 💪
সময়কাল 📅
| ঘটনা | সময় |
|---|---|
| ছয় দফা প্রস্তাব উত্থাপন | ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ |
| আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা | ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ |
ফলাফল 🎯
ছয় দফা আন্দোলনের ফলস্বরূপ পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। 🇧🇩
আশা করি এই তথ্যটি আপনার কাজে লাগবে। 😊