বন্ধুত্ব কীভাবে গড়ে ওঠে?
A. মনের মিল হওয়ার কারণে
B. রক্তের মিল থাকার কারণে
C. শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে
D. জন্মগতভাবে
সঠিক উত্তরঃ
A.
মনের মিল হওয়ার কারণে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিশ্বস্ত বন্ধু দর্পণস্বরূপ। কথাটির তাৎপর্য হলো
- বন্ধুত্বের জন্য কোনটি দরকার?
- কোন পুস্তকে বিশ্বস্ত বন্ধুর গুরুত্ব দেখতে পাই?
- রোপেন কেয়ার সাথে কথা বলে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করত কেন?
- মানুষের নিঃসঙ্গতা দূর হয় কীভাবে?
- পুরাতন নিয়মের A নামক পুস্তকে আমরা বিশ্বস্ত বন্ধুর গুরুত্ব দেখতে পাই। A এর সাথে সাদৃশ্য রয়েছে কোনটি?
- বিশ্বস্ত বন্ধুর সংখ্যা কম কেন?
- বন্ধুত্বের বড় শক্তি কোনটি?
- প্রকৃত বন্ধু কীভাবে নির্বাচন করা যায়?
- বন্ধুত্বের বড় শক্তি হলো ভালোবাসা। এর যথার্থতা নিরূপণে বলা যায়-
- মানুষ ঈশ্বরকে ও মানুষকে ঈশ্বর বিশ্বাস করতে শেখে কীভাবে?
- রকি একটি প্রতিবেদনে দেখল কেবল A পারে অন্যকে স্বাধীন করে এ তুলতে। A কোনটিকে নির্দেশ করছে?
- যোনাধন দাউদকে রক্ষা করেছিলেন কেন?
- সাধু মণির ১২ জন শিষ্যের মধ্যে একজন তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। সাধু মণি চরিত্রকে নির্দেশ করছে?
- রবিন তার ভাইয়ের বিরোধিতা করেও বন্ধু স্বাধীনকে বাঁচিয়েছিল রবিনের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে-
- রাজা শৌল হিংসার বশবর্তী হয়ে কাকে হত্যা করতে চেয়েছিল?
- রনিকে তার মা বলেন, X হলো আমাদের দর্পণস্বরূপ। X এর সাথে সাদৃশ্য হলো-
- মিতা একটি ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ে জানতে পারল যে, পুরাতন নিয়মে B-কে ঈশ্বর বন্ধু বলেছেন। B কোনটিকে নির্দেশ করছে?
- বন্ধুত্বের গুণগুলো প্রকাশ পায় কেন?
- প্রকৃত বন্ধু পরস্পরকে স্বাধীন করে তোলে। কথাটির তাৎপর্য হলো।