আকাশ মেঘলা থাকলে শিশির পড়েনা, কারণ মেঘ একটি-
Dentalপদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রআদর্শ গ্যাস ও গ্যাসের গতিতত্ত্বশিশিরাঙ্ক ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
তাপরোধী পদার্থ
Explanation:
আকাশ মেঘলা থাকলে শিশির পড়েনা, কারণ মেঘ একটি তাপরোধী পদার্থ।
Another Explanation (5):
আকাশ মেঘলা থাকলে শিশির পড়ে না: একটি ব্যাখ্যা 🌧️
আকাশ মেঘলা থাকলে শিশির পড়ে না কেন, তা জানতে হলে শিশির কীভাবে তৈরি হয় এবং মেঘের ভূমিকা কী, তা বুঝতে হবে। 🤔 চলুন, বিস্তারিত আলোচনা করা যাক:
শিশির সৃষ্টির প্রক্রিয়া 💧
- তাপ বিকিরণ: রাতের বেলা ভূপৃষ্ঠ তার তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যায়।
- বায়ুর শীতলতা: ভূপৃষ্ঠ ঠান্ডা হওয়ার কারণে এর কাছাকাছি থাকা বাতাসও ঠান্ডা হয়ে যায়।
- আর্দ্রতা: বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকলে শিশির পড়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
- ঘনীভবন: ঠান্ডা বাতাস যখন তার ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি জলীয় বাষ্প ধরে রাখতে পারে না, তখন অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প ছোট ছোট ফোঁটা হিসেবে ঘাস, পাতা ইত্যাদির উপর জমা হয়। একেই আমরা শিশির বলি।
মেঘের ভূমিকা ☁️
মেঘ এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হলো:
- তাপ নিরোধক: মেঘ তাপ নিরোধক (Insulator) হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ, এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে তাপ বিকিরণে বাধা দেয়। 🛡️
- ভূ-পৃষ্ঠের উষ্ণতা রক্ষা: মেঘ ভূপৃষ্ঠের তাপকে ধরে রাখে, ফলে ভূপৃষ্ঠ খুব বেশি ঠান্ডা হতে পারে না। 🔥
- বিকিরণে বাধা: মেঘ রাতের বেলা ভূপৃষ্ঠ থেকে তাপকে মহাশূন্যে যেতে দেয় না, ফলে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার হার কম থাকে। 🌡️
মেঘলা আকাশে যা ঘটে 📝
মেঘলা আকাশে মেঘ ভূপৃষ্ঠের তাপ বিকিরণকে বাধা দেওয়ায় ভূপৃষ্ঠ যথেষ্ট ঠান্ডা হতে পারে না। তাই, বাতাসের জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে শিশির তৈরি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় না। 😥
তুলনামূলক আলোচনা 📊
| বিষয় | পরিষ্কার আকাশ | মেঘলা আকাশ |
|---|---|---|
| তাপ বিকিরণ | দ্রুত তাপ বিকিরণ হয়। ☀️ | তাপ বিকিরণে বাধা পায়। ☁️ |
| ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা | দ্রুত কমে যায়। ❄️ | ধীরে কমে। 🌥️ |
| শিশির পড়ার সম্ভাবনা | খুব বেশি। ✅ | খুব কম বা নেই। ❌ |
সারসংক্ষেপ 📚
সুতরাং, মেঘলা আকাশ তাপ নিরোধক হিসেবে কাজ করার কারণে ভূপৃষ্ঠ যথেষ্ট ঠান্ডা হতে পারে না, তাই শিশিরও পড়ে না। 🤔 আশা করি, বিষয়টি এখন পরিষ্কার! ✨
আরও জানতে চান? 🤔 নিচে কিছু লিঙ্ক দেওয়া হল:
😊 ধন্যবাদ!