নিচের কোনটি বাড়লে প্রস্বেদন কমে ?
সঠিক উত্তরঃ
C.
আপেক্ষিক আর্দ্রতা
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো: আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
যখন বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়ে, তখন শরীরের উপর থেকে ঘাম দ্রুত শুকাতে পারে না। এতে ঘাম থেকে তাপ অপচয় কম হয়, ফলে শরীরের প্রস্বেদন (ঘাম নিঃসরণ) কমে যায়। অর্থাৎ, আর্দ্রতা বাড়লে শরীরের ঘাম শুকানোর প্রক্রিয়া ধীর হয় এবং প্রস্বেদন কমে যায়।
Option A Explanation:
আলো এর প্রভাব:
- প্রকাশ্য আলো বা সূর্যের আলো বাড়লে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
- তাপমাত্রা বাড়লে শরীরের স্বাভাবিক প্রস্বেদন প্রক্রিয়া কমে যেতে পারে, কারণ শরীর অতিরিক্ত গরম থেকে রক্ষা পেতে কম প্রস্বেদন করে।
- এটি শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, ফলে প্রস্বেদন কমে যায়।
- সুতরাং, অতিরিক্ত আলো বা সূর্যের আলো বাড়লে প্রস্বেদন কমে যেতে পারে।
Option B Explanation: ```html
- তাপমাত্রা: উচ্চ তাপমাত্রায় শরীরের ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়, ফলে প্রস্বেদন কমে যায়।
Option C Explanation:
আপেক্ষিক আর্দ্রতা
- অর্থ: বাতাসে জলবাষ্পের পরিমাণের একটি পরিমাপ, যা মোট সম্ভব জলবাষ্পের সাথে তুলনা করে প্রকাশ করা হয়।
- প্রভাব: যখন আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়ে, তখন বাতাসে জলবাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- প্রস্বেদন কমানোর কারণ: উচ্চ আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলে, শরীরের ত্বকের উপর থেকে ঘাম দ্রুত শুকায় না, ফলে শরীরের তাপ অপসারণের প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এতে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়।
- সংক্ষেপে: আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়লে, শরীরের স্বাভাবিক প্রস্বেদন প্রক্রিয়া কমে যায়।
Option D Explanation:
- বায়ুপ্রবাহ: যখন বাতাসের গতি বৃদ্ধি পায়, তখন ত্বকে ঠান্ডা অনুভূত হয়। এটি ঘামের অণুগুলিকে দ্রুত বায়ুর সাথে দূর করে দেয়, ফলে ঘামের অভ্যন্তরীণ চাপ কমে যায়। এর ফলে, শরীরের স্বাভাবিক ঘাম উৎপাদন কমে যায়।
- প্রভাব: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের স্বাভাবিক ঘামের পরিমাণ কমে যায়, ফলে প্রস্বেদন (ঘাম নির্গমন) কমে যায়।