অসম মানের এবং বিপরীতমুখী সমজাতীয় দুটি ভেক্টরকে বলে-
সঠিক উত্তরঃ
C.
বিসদৃশ ভেক্টর
Explanation:

Another Explanation (5):
বিসদৃশ ভেক্টর 😒
অসম মানের এবং বিপরীতমুখী সমজাতীয় দুটি ভেক্টরকে বিসদৃশ ভেক্টর বলে। চলো, বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা যাক:
বিসদৃশ ভেক্টরের বৈশিষ্ট্যসমূহ 🧐
- মান (Magnitude): এদের মান ভিন্ন ভিন্ন হয়। অর্থাৎ, একটি ভেক্টর বড় এবং অন্যটি ছোট হতে পারে। 📏
- দিক (Direction): এদের দিক বিপরীতমুখী হয়। একটি যদি উত্তর দিকে যায়, অন্যটি দক্ষিণ দিকে যাবে। ⬆️⬇️
- প্রকৃতি (Nature): এরা একই জাতীয় রাশি নির্দেশ করে। যেমন, দুটিই বেগ অথবা দুটিই বল হতে পারে। ⚽
উদাহরণ 🤩
ধরা যাক, একটি বস্তু পূর্ব দিকে 5 নিউটন বল দ্বারা টানা হচ্ছে এবং অন্য একটি বস্তু পশ্চিম দিকে 3 নিউটন বল দ্বারা টানা হচ্ছে। এখানে, বল দুটি বিসদৃশ ভেক্টর।
বিসদৃশ ভেক্টরের গাণিতিক প্রকাশ 🧮
যদি দুটি ভেক্টর A এবং B হয়, তবে:
- |A| ≠ |B| (মান সমান নয়)
- A = -kB (k একটি ধনাত্মক সংখ্যা যা 1 এর সমান নয়)
বিসদৃশ ভেক্টরের ব্যবহারিক প্রয়োগক্ষেত্র 🤔
বিসদৃশ ভেক্টরের ধারণা পদার্থবিজ্ঞান এবং প্রকৌশল বিদ্যায় বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। এর কয়েকটি উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:
- বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল বল: কোনো বস্তুর উপর একাধিক বল ক্রিয়া করলে তাদের লব্ধি নির্ণয় করতে এটি কাজে লাগে। 💪
- বেগের বিশ্লেষণ: বাতাসের বিপরীতে নৌকার বেগ অথবা স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটার বেগ হিসাব করতে এটি দরকারি। 🏊♀️
- বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র: দুটি বিপরীত চার্জের মধ্যে ক্রিয়াশীল বল বিসদৃশ ভেক্টর দিয়ে প্রকাশ করা যায়। ⚡
সংক্ষেপে বিসদৃশ ভেক্টর 🤓
| বৈশিষ্ট্য | বিসদৃশ ভেক্টর |
|---|---|
| মান | অসমান 👎 |
| দিক | বিপরীতমুখী ↩️ |
| প্রকৃতি | একই 👍 |
আশা করি, বিসদৃশ ভেক্টর সম্পর্কে তোমার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 🥳