তথ্য অধিকার আইন কোন সালে প্রণীত হয়?
JUUnit-CSet-2সাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশবাংলাদেশের সংবিধানতথ্য অধিকার আইন (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
২০০৯ সালে
Explanation:

Another Explanation (5):
তথ্য অধিকার আইন: একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ 📜
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। এটি জনগণের তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করে এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করে।
আইনের মূল উদ্দেশ্যসমূহ 🤔
- নাগরিকের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা ✅
- সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ⬆️
- জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা 🤝
- দুর্নীতি হ্রাস 📉
- সুশাসন প্রতিষ্ঠা 🏛️
আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিকসমূহ 🔑
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| তথ্য প্রাপ্তির প্রক্রিয়া | নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা থাকেন। |
| সময়সীমা | সাধারণত ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করতে হয়। |
| ব্যতিক্রম | কিছু ক্ষেত্রে তথ্য প্রকাশে বাধ্যবাধকতা নেই, যেমন: দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়। |
| আপিল | তথ্য প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। |
আইনটি কীভাবে কাজ করে? ⚙️
- নাগরিক তথ্য চেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেন 📧
- প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদনটি গ্রহণ করেন ✍️
- যথাসময়ে তথ্য সরবরাহ করা হয় 📤
- প্রয়োজনে আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করা যায় ⚖️
তথ্য অধিকার আইনের গুরুত্ব 🌟
- গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করে ✊
- সরকারি কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে 🗣️
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক 👍
- দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর হাতিয়ার 🛡️
তথ্য অধিকার আইন জনকল্যাণে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক সমাজ গঠন করা সম্ভব। 🌍
উৎস: তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (বাংলাদেশ গেজেট)
ডিসক্লেইমার: এই তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। কোনো আইনি পরামর্শের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন। 🙏