মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

গিনিপিগের খাদ্য পরিপাকে কোন উক্তিটি সঠিক?

A. গিনিপিগ তৃণভোজী প্রাণী বিধায় উহার খাদ্য প্রধান অংশ সেলুলোজ জাতীয় খাদ্য উপাদান
B. সেলুলোজ জাতীয় খাদ্য পরিপাকের জন্য সেলুলোজ জাতীয় এনজাইমের দরকার
C. সিকামের অভ্যন্তরে মিথোজীবী ব্যাকটেরিয়া সেলুলোজ জাতীয় এনজাইম নিঃসৃত করে
D. উপরের সবকটি
Poster Download
Dentalজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. উপরের সবকটি
Explanation:
Another Explanation (5): ```html

গিনিপিগের খাদ্য পরিপাক: সঠিক উক্তিগুলোর ব্যাখ্যা 📝

গিনিপিগের খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়া বেশ জটিল এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভরশীল। যেহেতু প্রশ্ন অনুযায়ী উত্তর "উপরের সবকটি", তাই ধরে নেয়া যায় যে, নিচে খাদ্য পরিপাক সংক্রান্ত কয়েকটি উক্তি দেওয়া ছিল এবং সেগুলো সবই সঠিক। সেই বিষয়গুলোর একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা এখানে দেওয়া হলো:

গিনিপিগের খাদ্য পরিপাকতন্ত্রের বিশেষত্ব 🌟

  • সিকাম (Caecum): গিনিপিগের পরিপাকতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সিকাম। এটি বৃহদান্ত্রের একটি অংশ, যেখানে খাদ্য পরিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক উপকারী ব্যাকটেরিয়া 🦠 বসবাস করে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো সেলুলোজ (উদ্ভিদ কোষের প্রাচীরের প্রধান উপাদান) জাতীয় খাদ্য উপাদান গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভেঙে গিনিপিগের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান তৈরি করে।
  • সেলুলোজ পরিপাক: গিনিপিগ তৃণভোজী প্রাণী। ঘাস, খড়, লতাপাতা এদের প্রধান খাদ্য। এসব খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে সেলুলোজ থাকে। গিনিপিগ নিজে সেলুলোজ পরিপাক করতে পারে না। তাই সিকামে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো সেলুলোজ ভেঙে ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে, যা গিনিপিগ শোষণ করে নেয় এবং শক্তি পায়। 💪
  • কোপ্রোফ্যাগি (Coprophagy): গিনিপিগের একটি বিশেষ অভ্যাস হলো নিজেদের মল খাওয়া (বিশেষ করে রাতের বেলা)। এটাকে কোপ্রোফ্যাগি বলে। প্রথমবার যখন খাদ্য পরিপাক হয়, তখন কিছু ভিটামিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান সম্পূর্ণরূপে শোষিত হতে পারে না। তাই গিনিপিগ মল খাওয়ার মাধ্যমে সেই ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদানগুলো পুনরায় গ্রহণ করে। ♻️
  • ভিটামিন সি এর প্রয়োজনীয়তা: গিনিপিগ ভিটামিন সি তৈরি করতে পারে না। তাই খাবারের মাধ্যমে তাদের ভিটামিন সি গ্রহণ করতে হয়। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি (Scurvy) রোগ হতে পারে। 🍋

খাদ্য পরিপাকের ধাপসমূহ 🪜

  1. খাদ্য গ্রহণ: গিনিপিগ সাধারণত ছোট ছোট কামড়ে খাবার খায়। দাঁত দিয়ে কেটে এবং জিভের সাহায্যে খাবার মুখে নেয়। 🥕
  2. চিবানো ও লালা মিশ্রণ: মুখ গহ্বরে খাবার ভালোভাবে চিবানো হয় এবং লালার সাথে মেশানো হয়। লালা digestions enzyme নিঃসরণ করে।
  3. পাকস্থলীতে প্রবেশ: খাদ্যনালীর মাধ্যমে খাবার পাকস্থলীতে প্রবেশ করে। পাকস্থলীতে অ্যাসিড এবং অন্যান্য হজমকারী এনজাইম খাবারের সাথে মেশে।
  4. ক্ষুদ্রান্ত্রে পরিপাক: পাকস্থলী থেকে খাবার ক্ষুদ্রান্ত্রে যায়, যেখানে হজম প্রক্রিয়া আরও ভালোভাবে সম্পন্ন হয় এবং পুষ্টি উপাদান শোষিত হয়।
  5. সিকামে গাঁজন: ক্ষুদ্রান্ত্রের পর খাদ্য সিকামে প্রবেশ করে, যেখানে ব্যাকটেরিয়া সেলুলোজ গাঁজন করে।
  6. বৃহদন্ত্রে শোষণ: বৃহদন্ত্রে পানি এবং অন্যান্য উপাদান শোষিত হয়।
  7. মলত্যাগ: পরিপাক না হওয়া অংশ মলের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 💩

বিভিন্ন খাদ্য উপাদানের ভূমিকা 📊

খাদ্য উপাদান ভূমিকা গুরুত্ব
সেলুলোজ সিকামের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা গাঁজন হয়ে শক্তি উৎপাদন করে। গিনিপিগের শক্তির প্রধান উৎস।
ভিটামিন সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অত্যন্ত জরুরি, কারণ গিনিপিগ এটি তৈরি করতে পারে না।
ফাইবার পরিপাকতন্ত্রকে সচল রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। পরিপাকতন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে।
প্রোটিন শারীরিক গঠন এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। শরীরের বৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয়।

উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে গিনিপিগের খাদ্য পরিপাক একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং এর প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। "উপরের সবকটি" উত্তরটি সঠিক হওয়ার কারণ হলো, খাদ্য পরিপাক সংক্রান্ত যে উক্তিগুলো প্রশ্নপত্রে ছিল, সেগুলো সবই গিনিপিগের পরিপাকতন্ত্রের বিশেষত্ব এবং খাদ্য পরিপাকের ধাপগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ✅

বিঃদ্রঃ এটি একটি উদাহরণস্বরূপ ব্যাখ্যা। প্রশ্নের সঠিক উক্তিগুলো উল্লেখ থাকলে আরও যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব হতো।

```
Option A Explanation:
  • তৃণভোজী প্রাণী: এই প্রাণীরা মূলত গাছপালা, ঘাস, এবং অন্যান্য উদ্ভিদজাত খাদ্য খায়।
  • খাদ্য প্রধান অংশ: তাদের খাদ্যের মূল উপাদান হলো সেলুলোজ জাতীয় উপাদান, যা উদ্ভিদকোষের মূল কাঠামোগত উপাদান।
  • সেলুলোজ: এটি একটি জটিল কার্বোহাইড্রেট, যা সহজে পরিপাক হয় না এবং বিশেষ এনজাইমের প্রয়োজন হয়।
Option B Explanation:
  • সেলুলোজ জাতীয় এনজাইমের ভূমিকা: এই এনজাইমগুলি সেলুলোজকে ভেঙে সহজে শোষণযোগ্য উপাদানে রূপান্তর করে।
  • অন্য প্রানীর পক্ষে সেলুলোজের পরিপাক্য কঠিন, কারণ অনেক প্রাণীর দেহে এই এনজাইমের অভাব থাকে।
  • বিশেষ করে তৃণভোজী প্রাণীর যেহেতু প্রধান খাদ্য অংশ সেলুলোজ, তাই তাদের দেহে এই এনজাইমের উপস্থিতি বা পরিপাকের জন্য সহায়ক ব্যাকটেরিয়া গুরুত্বপূর্ণ।
  • সেলুলোজ জাতীয় এনজাইমের অভাবে সেলুলোজের পরিপাক সম্ভব নয়, যার ফলে খাদ্যপাচ্য কমে যায় বা ব্যাহত হয়।
Option C Explanation:
  • সিকাম: এটি একটি ফল বা ঔষধি উদ্ভিদ, যা সাধারণত খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • অভ্যন্তরীণ অংশ: সিকামের ভিতরে থাকে বিভিন্ন ধরণের ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে মিথোজীবী ব্যাকটেরিয়া।
  • মিথোজীবী ব্যাকটেরিয়া: এই ব্যাকটেরিয়াগুলি অন্য জীবের সাথে সহাবস্থান করে, যেমন সেলুলোজ ভাঙতে সাহায্য করে।
  • সেলুলোজ ভাঙন: সেলুলোজ জাতীয় উপাদান পুষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যা সাধারণভাবে মানুষের জন্য সহজে হজম হয় না।
  • এনজাইম নিঃসরণ: এই ব্যাকটেরিয়াগুলি সেলুলোজ জাতীয় এনজাইম (যেমন সেলুলেজ) নিঃসরণ করে, যা সেলুলোজকে ভেঙে ফেলে।
  • ফলাফল: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, ব্যাকটেরিয়াগুলি সেলুলোজকে সহজে হজমযোগ্য উপাদানে রূপান্তর করে, যা পোষক প্রাণীর জন্য উপকারী।
Option D Explanation:
  • অ্যামিবোসাইট জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে বিপদমুক্ত করে: অ্যামিবোসাইটগুলি শরীরের বিভিন্ন অংশে উপস্থিত হয়ে জীবাণু বা ক্ষতিকর উপাদানকে ধ্বংস করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • মিউকোসাইট ব্যাক্টেরিয়াকে ধ্বংস করে: মিউকোসাইটগুলি শ্বাসনালী, পাচনতন্ত্র ইত্যাদির অভ্যন্তরীণ অংশে উপস্থিত কোষসমূহ, যা ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • ক্লোরোগোজেন কোষ সিলোমীয় তরল হতে রেচন দ্রব্য নিষ্কাশন করে: ক্লোরোগোজেন কোষগুলো সিলোমিয় তরলের মাধ্যমে রেচন দ্রব্য বা অপদ্রব্য নির্গত করে শরীরের অভ্যন্তরে রক্ত বা অন্য তরলের মাধ্যমে পরিবহন করে থাকে।