মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

লিথাল জিন কিভাবে কাজ করে?

A. নিষ্ক্রিয় এনজাইম তৈরির মাধ্যমে
B. মিউটেশনের মাধ্যমে
C. নিষ্ক্রিয় প্রোটিন তৈরির মাধ্যমে
D. উপরের সবগুলো
Poster Download
JUUnit-DSet-4জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনমেন্ডেলের সূত্র ও ব্যতিক্রম (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. উপরের সবগুলো
Explanation: লিথাল জিন কিভাবে কাজ করে? সঠিক উত্তর Option D: উপরোক্ত সবগুলো। ব্যাখ্যা: লিথাল জিন নিষ্ক্রিয় এনজাইম, মিউটেশন এবং নিষ্ক্রিয় প্রোটিন তৈরির মাধ্যমে কাজ করে, যা জীবের জন্য মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
Another Explanation (5):

লিথাল জিন: একটি একাডেমিক আলোচনা 💀

লিথাল জিন হলো সেই জিন 🧬 যা জীবের জীবনধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় কোনো প্রোটিন তৈরি করতে বাধা দেয় অথবা এমন ক্ষতিকর প্রোটিন তৈরি করে যা কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে। এর ফলে জীবের মৃত্যু ☠️ পর্যন্ত হতে পারে। লিথাল জিন কিভাবে কাজ করে তার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিচে ???লোচনা করা হলো:

লিথাল জিন কর্মপদ্ধতি ⚙️

  1. প্রোটিন উৎপাদনে বাধা: লিথাল জিন mRNA 🧬 তৈরি বা প্রোটিন 🧪 তৈরির প্রক্রিয়াকে বন্ধ করে দিতে পারে। ফলে, প্রয়োজনীয় প্রোটিনের অভাবে কোষ মারা যায়।
  2. ক্ষতিকর প্রোটিন তৈরি: কিছু লিথাল জিন ত্রুটিপূর্ণ প্রোটিন তৈরি করে, যা কোষের স্বাভাবিক কাজ করতে দেয় না। উদাহরণস্বরূপ, Huntington's disease এ ত্রুটিপূর্ণ প্রোটিন তৈরি হয় যা স্নায়ু কোষের ক্ষতি করে। 🧠
  3. কোষীয় অঙ্গাণুর ক্ষতি: লিথাল জিন কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া ⚡, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণুর কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। এর ফলে কোষের শক্তি উৎপাদন এবং অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
  4. programmed cell death (apoptosis) : লিথাল জিন Apoptosis প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে পারে, যার মাধ্যমে কোষ নিজেই নিজেকে ধ্বংস করে দেয়।
  5. developmental process এ সমস্যা : ভ্রূণীয় বিকাশের সময় 👶 কিছু জিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। লিথাল জিন এই বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে জন্মগত ত্রুটি তৈরি করতে পারে এবং ভ্রূণের মৃত্যু ঘটাতে পারে।

লিথাল জিনের প্রকারভেদ 📊

প্রকার বৈশিষ্ট্য উদাহরণ
ডমিন্যান্ট লিথাল জিন একটি মাত্র অ্যালিল উপস্থিত থাকলেই জীবের মৃত্যু ঘটে। 💀 Huntington's disease (কিছু ক্ষেত্রে)।
রিসেসিভ লিথাল জিন হোমোজাইগাস অবস্থায় (দুটি অ্যালিল একই রকম হলে) জীবের মৃত্যু ঘটায়। ☠️ Tay-Sachs disease।
কন্ডিশনাল লিথাল জিন নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে (যেমন: উচ্চ তাপমাত্রা 🌡️) জীবের মৃত্যু ঘটায়। কিছু ভাইরাল স্ট্রেইন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 📢

  • লিথাল জিন বংশগতিতে 🧬🧬 প্রভাব ফেলে এবং পপুলেশনে জিনের ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন করতে পারে।
  • চিকিৎসা বিজ্ঞান 🏥 এবং জেনেটিক কাউন্সিলিং-এ 🧑‍⚕️ লিথাল জিন সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরি।
  • লিথাল জিন ক্যান্সার 🦠 চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে, যেখানে ক্যান্সার কোষকে বেছে বেছে ধ্বংস করা যায়।

সুতরাং, লিথাল জিন বিভিন্ন উপায়ে কাজ করতে পারে। প্রোটিন উৎপাদনে বাধা দেওয়া, ক্ষতিকর প্রোটিন তৈরি করা, কোষীয় অঙ্গাণুর ক্ষতি করা অথবা programmed cell death এর মাধ্যমে এরা জীবের জীবননাশের কারণ হতে পারে। 😥

আশা করি, এই আলোচনা লিথাল জিন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 🙏

Option A Explanation:
  • লিথাল জিনের মাধ্যমে কোষে কিছু নির্দিষ্ট এনজাইমের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
  • এই এনজাইমগুলো সাধারণত কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে।
  • অর্থাৎ, নিষ্ক্রিয় এনজাইমের সৃষ্টি বা বৃদ্ধি লিথাল জিনের একপ্রকার কার্যকলাপ।
  • এটি কোষের স্বাভাবিক বিকাশ বা জীবনীশক্তি নষ্ট করে দেয়, ফলে কোষের মৃত্যু ঘটে।
Option B Explanation:
  1. লিথাল জিনের মিউটেশন ঘটে যখন এর ডিএনএ সিকোয়েন্সে পরিবর্তন আসে।
  2. এই পরিবর্তন সাধারণত জিনের স্বাভাবিক কার্যকলাপে বিঘ্ন সৃষ্টি করে।
  3. ফলস্বরূপ, জিনের প্রোটিন বা এটির কার্যপ্রণালী পরিবর্তিত হয়।
  4. এটি ক্ষতিকর অথবা মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত।
  5. অতএব, মিউটেশন লিথাল জিনের কার্যকারিতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং এর ফলে জীবের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বা উন্নয়ন ব্যাহত হয়।
Option C Explanation:
  • লিথাল জিন সাধারণত এমন জিন, যা ক্ষতিকর প্রোটিন বা ক্ষতিকর উপাদান তৈরি করে।
  • যখন এই জিন সক্রিয় হয়, তখন এটি ক্ষতিকর প্রোটিন বা উপাদান উৎপন্ন করে, যা কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করে।
  • তবে, যখন এই জিন নিষ্ক্রিয় করা হয় বা তার কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন এটি ক্ষতিকর প্রোটিন বা উপাদান তৈরি করে না।
  • এমনকি, এই প্রক্রিয়া সাধারণত রোগের বিকাশ বা ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।