তিনটি পদার্থের মাঝে প্রথম পদার্থে যোজন ব্যান্ড পরিবহন ব্যান্ডের ভেতর ঢুকে গেছে। দ্বিতীয় পদার্থের শক্তির পার্থক্য 1eV। তৃতীয়টিতে শক্তির পার্থক্য 15eV। পদার্থ তিনটি হচ্ছে-
SUSTUnit-BSet-1পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসেমিকন্ডাক্টর ও ইলেক্ট্রনিক্সপরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী (Topic Practice)SUST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
পরিবাহক, অর্ধপরিবাহক, অন্তরক
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এখানে তিনটি পদার্থের মাঝে শক্তির পার্থক্য দেওয়া হয়েছে। প্রশ্নে বলা হয়েছে, প্রথম পদার্থের যোজন ব্যান্ড পরিবহন ব্যান্ডের ভেতর ঢুকে গেছে। এই প্রশ্নে পদার্থ তিনটি সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. পরিবাহক, অর্ধপরিবাহক, অন্তরক: সঠিক, এটি শক্তির পার্থক্য এবং বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে সঠিক উত্তর। B. অন্তরক, পরিবাহক, অর্ধপরিবাহক: ভুল, এই রকম সঠিক নয়। C. পরিবাহক, অন্তরক, অর্ধপরিবাহক: ভুল, সঠিক নয়। D. অন্তরক, অর্ধপরিবাহক, পরিবাহক: ভুল, সঠিক নয়। নোট: শক্তির পার্থক্যের উপর ভিত্তি করে পদার্থগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে।
Another Explanation (5):
তিনটি পদার্থের শ্রেণীবিন্যাস 🧪
আমরা তিনটি পদার্থ নিয়ে আলোচনা করছি, তাদের মধ্যেকার যোজন ব্যান্ড (Valence band) এবং পরিবহন ব্যান্ডের (Conduction band) বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে। 👇পদার্থগুলোর বৈশিষ্ট্য:
- প্রথম পদার্থ: যোজন ব্যান্ড পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে ঢুকে গেছে।
- দ্বিতীয় পদার্থ: শক্তির পার্থক্য (Energy gap) 1eV (ইলেকট্রন ভোল্ট)।
- তৃতীয় পদার্থ: শক্তির পার্থক্য 15eV।
শ্রেণীবিন্যাস:
এই বৈশিষ্ট্যগুলোর উপর ভিত্তি করে, পদার্থগুলোকে নিম্নলিখিতভাবে শ্রেণীবিন্যাস করা যায়:| পদার্থ | বৈশিষ্ট্য | শ্রেণী |
|---|---|---|
| প্রথম পদার্থ | যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড ওভারল্যাপড 🤝 | পরিবাহক (Conductor) ⚡ |
| দ্বিতীয় পদার্থ | শক্তির পার্থক্য 1eV 💡 | অর্ধপরিবাহক (Semiconductor) 💻 |
| তৃতীয় পদার্থ | শক্তির পার্থক্য 15eV 🧱 | অন্তরক (Insulator) 🛡️ |
ব্যাখ্যা:
- পরিবাহক (Conductor): পরিবাহকের ক্ষেত্রে, যোজন ব্যান্ড এবং পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে কোনো শক্তির পার্থক্য থাকে না। বরং তারা একে অপরের সাথে মিশে যায়। এর ফলে, ইলেকট্রন সহজেই পরিবহন ব্যান্ডে যেতে পারে এবং বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। যেমন: তামা, লোহা।
- অর্ধপরিবাহক (Semiconductor): অর্ধপরিবাহকের ক্ষেত্রে, যোজন ব্যান্ড এবং পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে একটি ছোট শক্তির পার্থক্য থাকে (যেমন: 1eV)। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কিছু ইলেকট্রন এই শক্তি অতিক্রম করে পরিবহন ব্যান্ডে যেতে পারে, ফলে এটি সামান্য বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবাহিতা বাড়ে। যেমন: সিলিকন, জার্মেনিয়াম।
- অন্তরক (Insulator): অন্তরকের ক্ষেত্রে, যোজন ব্যান্ড এবং পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে অনেক বড় একটি শক্তির পার্থক্য থাকে (যেমন: 15eV)। এই কারণে, ইলেকট্রন যোজন ব্যান্ড থেকে পরিবহন ব্যান্ডে যেতে পারে না এবং বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে না। যেমন: কাচ, রাবার।