Bengal Sati Regulation 1829 is associated with-
JUUnit-FSet-1সাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশবাংলার সংস্কার আন্দোলনবাংলার সংস্কার আন্দোলন (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
Lord Bentinck
Explanation:

Another Explanation (5):
বেঙ্গল সতী রেগুলেশন ১৮২৯: লর্ড বেন্টিঙ্ক 📜
বেঙ্গল সতী রেগুলেশন ১৮২৯, ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই আইনটি তৎকালীন গভর্নর-জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক কর্তৃক প্রণীত হয়েছিল।
আইনের প্রেক্ষাপট 🌍
- উনিশ শতকের গোড়ার দিকে, সতীদাহ প্রথা ভারতীয় সমাজে একটি গুরুতর সমস্যা ছিল।
- বিধবা নারীদের স্বামীর চিতায় জীবন্ত দগ্ধ করা হতো। 🔥
- রামমোহন রায় এবং অন্যান্য সমাজ সংস্কারকরা এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। 🗣️
- লর্ড বেন্টিঙ্ক সতীদাহ প্রথা বন্ধ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন। 💪
লর্ড বেন্টিঙ্কের ভূমিকা 👤
লর্ড বেন্টিঙ্ক শুধুমাত্র একজন প্রশাসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক। 🤔 সতীদাহ প্রথা নির্মূল করার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য।
- তিনি ভারতীয় সমাজের কুসংস্কার দূর করতে চেয়েছিলেন।
- রামমোহন রায়ের মতো সমাজ সংস্কারকদের সমর্থন তাকে উৎসাহিত করে।
- বেন্টঙ্ক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে সতীদাহ একটি অমানবিক প্রথা। 💔
আইনের মূল বিষয় ⚖️
বেঙ্গল সতী রেগুলেশন ১৮২৯-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- সতীদাহ প্রথাকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 🚫
- এই আইন অনুযায়ী, সতীদাহে সাহায্য করাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। 👮
- প্রথমে শুধুমাত্র বাংলা প্রেসিডেন্সিতে এই আইন চালু করা হয়, পরে এটি অন্যান্য অঞ্চলে প্রসারিত করা হয়। 🌍
আইনের প্রভাব 💥
এই আইনের ফলে ভারতীয় সমাজে এক বড় পরিবর্তন আসে। সতীদাহ প্রথা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়। 👇
- বিধবা নারীদের জীবন বাঁচে। 💖
- নারীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। ⬆️
- তবে, গোঁড়া সমাজ এই আইনের বিরোধিতা করে। 😠
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ 🗓️
| ঘটনা | তারিখ |
|---|---|
| বেঙ্গল সতী রেগুলেশন জারি | ৪ ডিসেম্বর, ১৮২৯ |
উপসংহার ✅
বেঙ্গল সতী রেগুলেশন ১৮২৯ ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। লর্ড বেন্টিঙ্কের এই সাহসী পদক্ষেপ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। 👍