মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটি মিশ্র ভ্যাক্সিন নামে পরিচিত?

A. Hib ভ্যাক্সিন
B. MMR ভ্যাক্সিন
C. কলেরা ভ্যাক্সিন
D. ডিপথেরিয়া ভ্যাক্সিন
Poster Download
JUUnit-DSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় টিকার ভূমিকা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. MMR ভ্যাক্সিন
Explanation: MMR ভ্যাক্সিন (মিজলস, মামস, রুবেলা) মিশ্র ভ্যাক্সিন নামে পরিচিত। সঠিক উত্তর Option B। Option A, C, এবং D ভুল কারণ এগুলো একক রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। নোট: মিশ্র ভ্যাক্সিন একই ডোজে একাধিক রোগ প্রতিরোধ করে।
Another Explanation (5):

এমএমআর (MMR) ভ্যাকসিন: একটি মিশ্র ভ্যাকসিন 💉

এমএমআর ভ্যাকসিন একটি মিশ্র ভ্যাকসিন হিসাবে পরিচিত। কারণ এটি তিনটি ভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে। এই রোগ তিনটি হলো:

  1. হাম (Measles) 🤧
  2. মাম্পস (Mumps) 🤕
  3. রুবেলা (Rubella) 🤒

কেন এটি মিশ্র ভ্যাকসিন? 🤔

ঐতিহ্যগতভাবে, প্রতিটি রোগের জন্য আলাদা আলাদা ভ্যাকসিন তৈরি করা হতো। কিন্তু এমএমআর ভ্যাকসিনে তিনটি রোগের উপাদান একসাথে মিশ্রিত করা হয়েছে। এর ফলে:

  • শিশুকে বারবার সূঁচের যন্ত্রণা থেকে বাঁচানো যায় 😌।
  • কম সময়ে তিনটি রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় 💪।
  • স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য এটি প্রয়োগ করা সহজ 😊।

এমএমআর ভ্যাকসিনের উপাদান 🧪

এমএমআর ভ্যাকসিনে মূলত দুর্বল বা মৃত ভাইরাস ব্যবহার করা হয়। এই দুর্বল ভাইরাসগুলো শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সক্রিয় করে তোলে, কিন্তু রোগ সৃষ্টি করতে পারে না।

ভ্যাকসিন গ্রহণের সময়সূচী 📅

ডোজ সময় গুরুত্ব
প্রথম ডোজ ১২-১৫ মাস বয়সে হাম, মাম্পস ও রুবেলার প্রাথমিক প্রতিরোধ 🛡️
দ্বিতীয় ডোজ ৪-৬ বছর বয়সে (স্কুলে যাওয়ার আগে) দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করা 💯

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 🤕

এমএমআর ভ্যাকসিন সাধারণত নিরাপদ। কিছু সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো:

  • সামান্য জ্বর 🔥
  • ইনজেকশন দেওয়ার স্থানে লালচে ভাব বা ব্যথা 🩹
  • ত্বকে ফুসকুড়ি rash 🔴

তবে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুবই বিরল ⚠️।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

  • এমএমআর ভ্যাকসিন অটিজম (Autism) সৃষ্টি করে না ❌। এটি একটি ভুল ধারণা।
  • গর্ভবতী মহিলাদের রুবেলা সংক্রমণ মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, তাই গর্ভাবস্থার আগে রুবেলা টিকা নেওয়া উচিত 🤰।
  • যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের ক্ষেত্রে এমএমআর ভ্যাকসিন গ্রহণের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত 👨‍⚕️।
Option A Explanation:
  • Hib ভ্যাক্সিন: Hib ভ্যাক্সিন হলো হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি (Haemophilus influenzae type b) সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত একটি টিকা।
  • এটি মূলত শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া, ব্রংকিটিস, এবং মেনিনজাইটিসের মতো সংক্রামণ থেকে রক্ষা করে।
  • Hib ভ্যাক্সিন সাধারণত অন্য টিকাগুলির সাথে কম্বিনেশন হিসেবে দেওয়া হয়, যেমন DTaP-Hib-IPV।
  • প্রয়োগের মাধ্যমে হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি সংক্রমণের হার কমানো সম্ভব হয়।
Option B Explanation:
  • MMR ভ্যাক্সিন: এটি একটি মিশ্র টিকা যা তিনটি রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।
  • সংকলন:
    • মার্চের (Measles) জন্য
    • মুরগির পক্সের (Mumps) জন্য
    • রুবেলার (Rubella) জন্য
  • প্রকার: জীবন্ত, দুর্বল করে দেওয়া সংক্রমণজনিত ভ্যাক্সিন
  • ব্যবহার: শিশুদের মধ্যে এই টিকা সাধারণত ১২-১৫ মাস বয়সে দেওয়া হয় এবং দ্বিতীয় ডোজ ৪-৬ বছর বয়সে প্রদান করা হয়।
  • উপকারিতা: এই টিকা রোগের ঝুঁকি কমায় এবং প্রবণতা কমায়।
Option C Explanation:
  • কলেরা ভ্যাক্সিন: এটি একটি টিকা যা কলেরা রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রকার: জীবন্ত অপ্রতীক্ষিত ভ্যাক্সিন বা অর্ধজীবিত ভ্যাক্সিন হিসেবে ব্যবহার হয়।
  • প্রয়োগ: সাধারণত কলেরার প্রাদুর্ভাবের সময় বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দেওয়া হয়।
  • উপকারিতা: রোগের সংক্রমণ কমাতে এবং আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
  • সতর্কতা: কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের বা স্বাস্থ্যের কিছু পরিস্থিতিতে, ব্যবহার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Option D Explanation:
  • ডিপথেরিয়া ভ্যাক্সিন হল একটি টিকা যা ডিপথেরিয়া রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরক্ষা গঠনে সহায়ক।
  • এটি সাধারণত কম্বিনেটেড ভ্যাক্সিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে টিকা ও অন্তর্ভুক্ত থাকে।
  • ডিপথেরিয়া ভ্যাক্সিনের মাধ্যমে রোগের সংক্রমণ ও গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধ করা যায়।
  • প্রায়শই এই ভ্যাক্সিনটি শিশুর জন্মের কিছু সময়ের মধ্যে দেওয়া হয় এবং সময়ে সময়ে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়।
  • এটি ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।