জিন প্রকৌশলে কোনটি উত্তম বাহক?
JnUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিরিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজির প্রয়োগ (Topic Practice)JnU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
Escherichia coli
Explanation:

Another Explanation (5):
জিন প্রকৌশলে "Escherichia coli" কেন উত্তম বাহক? 🧬
জিন প্রকৌশলের ক্ষেত্রে "Escherichia coli" (E. coli) একটি বহুল ব্যবহৃত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাহক (vector)। এর কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:E. coli ব্যবহারের সুবিধা: ✅
- সহজলভ্যতা ও দ্রুত বংশবৃদ্ধি: E. coli খুব সহজেই পাওয়া যায় এবং পরীক্ষাগারে খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে। ⏱️ মাত্র ২০ মিনিটে এটি তার সংখ্যা দ্বিগুণ করতে সক্ষম।
- জেনেটিক গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান: E. coli-র জিনোম সম্পূর্ণভাবে জানা থাকার কারণে এর জিনগত পরিবর্তন করা সহজ।
- প্লাজমিড ব্যবহারের সুবিধা: E. coli তে সহজেই প্লাজমিড (plasmid) প্রবেশ করানো যায়। এই প্লাজমিডগুলো ভেক্টর হিসেবে কাজ করে এবং কাঙ্ক্ষিত জিন বহন করতে পারে।
- রূপান্তর (Transformation) এর সহজ উপায়: E. coli কোষকে বিভিন্ন উপায়ে (যেমন: হিট শক, ইলেক্ট্রোPoration) রূপান্তর করা যায়, যার মাধ্যমে DNA প্রবেশ করানো যায়।
- কম খরচে উৎপাদন: E. coli কে অল্প খরচে এবং সাধারণ পুষ্টি মাধ্যমে সহজেই কালচার করা যায়। 💰
- বহুমুখী ব্যবহার: E. coli কে প্রোটিন উৎপাদন, জিনোম সম্পাদনা এবং অন্যান্য বায়োটেকনোলজিক্যাল কাজে ব্যবহার করা যায়।
E. coli ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ: 🔬
| ক্ষেত্র | E. coli-র ব্যবহার |
|---|---|
| ইনসুলিন উৎপাদন | E. coli ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন উৎপাদন করা হয়। 💉 |
| ভ্যাকসিন উৎপাদন | কিছু ভ্যাকসিনের অ্যান্টিজেন (antigen) উৎপাদনের জন্য E. coli ব্যবহার করা হয়। |
| ফার্মাসিউটিক্যাল প্রোটিন উৎপাদন | বিভিন্ন থেরাপিউটিক প্রোটিন (therapeutic protein) যেমন ইন্টারফেরন (interferon) উৎপাদনে E. coli ব্যবহৃত হয়। |
| জীনোম সম্পাদনা | CRISPR-Cas9 সিস্টেম ব্যবহার করে E. coli-র জিনোম সম্পাদনা করা যায়। 🧬✂️ |
কিছু অসুবিধা: ⚠️
* E. coli সবসময় কাঙ্ক্ষিত প্রোটিন সঠিকভাবে ভাঁজ (folding) করতে পারে না। * কিছু ক্ষেত্রে E. coli মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।উপসংহার: E. coli জিন প্রকৌশলের একটি শক্তিশালী এবং বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম। এর সহজলভ্যতা, দ্রুত বংশবৃদ্ধি এবং জিনগত পরিবর্তনের সহজ উপায়গুলো এটিকে অন্যান্য বাহকের তুলনায় অনেক বেশি উপযোগী করে তুলেছে। 👍
Option A Explanation:
- নাম: Agrobacterium tumefaciens
- প্রকার: গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া
- উৎপত্তি: সাধারণত গাছপালার মধ্যে থাকে এবং টিউমার বা গুটি সৃষ্টি করে
- ব্যবহার: জিন ট্রান্সফার প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ট্রান্সজেনিক উদ্ভিদ তৈরিতে
- বিশেষত্ব: এটি ডিএনএ ট্রান্সফার দ্বারা উদ্ভিদ কোষের জিনোমে জিন সংযোজন করতে সক্ষম
- প্রয়োগ: বিটি-কটন উৎপাদনে জীন যোগান দিতে ব্যবহৃত হয়, যা ক্ষতিকর পোকামাকড়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
Option B Explanation:
- Escherichia coli (E. coli) হলো একটি সাধারণ ব্যাকটেরিয়া যা জীববিজ্ঞান গবেষণায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
- এটি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিতে জিন স্থানান্তরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এ. coli এর বিভিন্ন স্ট্রেইন, যেমন E. coli DH5α, যুক্ত করে ডিএনএ ক্লোনিং, পিএসএফ তৈরির জন্য সহজে ব্যবহার করা যায়।
- এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সহজে পরিচালিত হয়, যা জিন সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণে সুবিধাজনক।
- এছাড়াও, এর জিনোমে সহজে পরিমার্জন ও ট্রান্সফার সম্ভব, যা জিন প্রযুক্তির জন্য অত্যন্ত উপযোগী করে তোলে।
Option C Explanation:
- প্রজাতি: Vibrio cholerae
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া, যা সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়।
- উপযোগিতা: এটি রোগের জন্য দায়ী, বিশেষ করে কলেরা সংক্রমণে। তবে, জিন প্রকৌশলে এর ব্যবহারে কিছু সুবিধা রয়েছে।
- উপকারিতা: জিন ট্রান্সফার এবং জেনেটিক স্ট্রাকচার নিয়ে গবেষণায় ব্যবহার হতে পারে।
- ফায়দা: এর জেনেটিক মেকআপ এবং লেকসের জন্য গবেষকরা এর উপর নির্ভর করতে পারেন।
Option D Explanation:
- Bacillus subtilis একটি গ্রাম-পজিটিভ, অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া যা প্রকৃতিতে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।
- এটি মূলত ভূমি ও উদ্ভিদের উপর পাওয়া যায় এবং অনেক ধরনের ফসলের জন্য একটি প্রাকৃতিক উপকারী ব্যাকটেরিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়।
- বাকটেরিয়ার এই প্রজাতিটি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে।
- বাংলাদেশে বেগুনের মতো জিএম ফসলের জন্য ব্যবহৃত হয় যাতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
- এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের বৃদ্ধি রোধ করতে সক্ষম, ফলে উদ্ভিদের স্বাস্থ্য উন্নত হয়।