সনেট কবিতার প্রবর্তক কে?
A. দ্বিজেন্দ্র লাল রায়
B. রজনীকান্ত সেন
C. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
D. অতুলপ্রসাদ সেন
সঠিক উত্তরঃ
C.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation: বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক কবি ও নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনিই বাংলায় প্রথম সনেট রচনা করেন এবং তার নাম দেন ‘চতুর্দশপদী’। বাংলা সনেটের আদি গ্রন্থ ‘চতুর্দশপদী কবিতা’ (১৮৬৬)।
Related Questions (Any University/Year)
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটিতে মূলত কী ভাবে প্রকাশ পেয়েছে?
- চতুর্দশপদী কবিতার অর্থ হলো-
- "লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে"- দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত হিন্দু কলেজের কোন শ্রেণিতে ভর্তি হন?
- 'নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ' 'স্বজন' বলতে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতায় বোঝানো হয়েছে-
- “স্বদেশের উপকারে নাই যার মনকে বলে মানুষ তারে, পশু সেই জন ।"উদ্ধৃত কবিতাংশটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতারকোন চরিত্রকে ইঙ্??িত করে?
- ‘পরদোষে কে চাহে মজিতে? উক্তিটি কার?
- কোনটি সনেট ?
- 'রামানুজ' বলতে কাকে বোঝায়?
- নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়যখন আমাদের দেশ ছেয়ে যায় দালালেরই আলখাল্লায়;নূরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়।উদ্দীপকের চতুর্থ পঙক্তির সাথে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার সম্পর্ক নির্ণয় কর।
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কাব্যাংশে 'লক্ষি' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে-
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের উৎস কী?
- সাদ্দাম হোসেন ইরাকের লৌহমানব ছিলেন। ইরাককে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। তিনি ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে দ্বিধা করেননি। যদিও যুদ্ধে হেরেছেন। তারপরও সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। তাঁর যুদ্ধ নিয়ে মতভেদ থাকলেও তিনি পৃথিবীর মানুষকে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন মাতৃভূমি রক্ষার জন্য শত্রুর সঙ্গে কোনো আপোস নয়।উদ্দীপকের 'সাদ্দাম' হোসেনের সাথে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় মেঘনাদের চরিত্রটি প্রতিফলিত হয়েছে- স্বীকার কর কী? আলোচনা কর।
- মধুসূদন দত্ত কোন ছন্দ-প্রথা ভেঙে নতুন ভাবে ছন্দ পড়লেন?
- বাসবত্রাস কে?
- 'নিকুম্ভিলা' যজ্ঞাগারে মেঘনাদ যে দেবতার পূজারতঅবস্থায় ছিল—
- কোন শব্দটি দ্বারা মেঘনাদকে বোঝানো হয়েছে?
- 'চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে'- পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- একসময় ঈশা খাঁর ??ঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।উদ্দীপকের ঈশা খাঁ ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার লক্ষ্মণের আদর্শগত বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।