ভারী চেইনের পার্থক্যের ভিত্তিতে অ্যান্টিবডি কত প্রকার?
সঠিক উত্তরঃ
C.
৫
Explanation:

Another Explanation (5):
অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ: ভারী চেইনের পার্থক্য 🧬
অ্যান্টিবডি, যা ইমিউনোগ্লোবুলিন (Ig) নামেও পরিচিত, আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এরা মূলত ৫ (পাঁচ) প্রকারের হয়ে থাকে এবং এদের মধ্যে পার্থক্য এদের ভারী চেইনের গঠনের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। নিচে এই প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করা হলো:অ্যান্টিবডি প্রকারভেদ এবং তাদের কাজ 📊
| প্রকার | ভারী চেইন | বৈশিষ্ট্য ও কাজ 📝 |
|---|---|---|
| IgG 🛡️ | γ (গামা) | সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে রক্তে ও অন্যান্য শারীরিক তরলে। এটি প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে এবং ভ্রূণকে সুরক্ষা দেয়। ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে। |
| IgM 💉 | μ (মিউ) | এটি প্রথম অ্যান্টিবডি যা সংক্রমণের শুরুতে তৈরি হয়। এটি খুব দ্রুত কাজ করে এবং রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে ধ্বংস করে। |
| IgA 🥛 | α (আলফা) | এটি শ্লেষ্মা ঝিল্লি (যেমন: নাক, মুখ, অন্ত্র) এবং শরীরের নিঃসরণে (যেমন: লালা, দুধ) পাওয়া যায়। এটি শরীরের প্রবেশপথে রোগজীবাণুকে আক্রমণ করে। |
| IgE 🤧 | ε (এপসিলন) | এটি অ্যালার্জি এবং পরজীবী সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। মাস্ট কোষ এবং বেসোফিলের সাথে যুক্ত হয়ে হিস্টামিন নিঃসরণে সাহায্য করে, যা অ্যালার্জির লক্ষণ সৃষ্টি করে। |
| IgD 🤷 | δ (ডেল্টা) | এটি বি কোষের পৃষ্ঠে পাওয়া যায় এবং বি কোষের সক্রিয়করণে ভূমিকা রাখে। এর সঠিক কাজ এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। |
বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবডির কাজ আরও বিস্তারিত 🔬
- IgG: এটি অপসোনাইজেশন (Opsonization) প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ফ্যাগোসাইটোসিস-এর জন্য চিহ্নিত করে।
- IgM: এটি কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে জীবাণু ধ্বংস করে।
- IgA: এটি নিউট্রালাইজেশন প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা নষ্ট করে।
- IgE: এটি অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- IgD: এটি বি কোষের পরিপক্কতা এবং কার্যকারিতার জন্য জরুরি।