নোবেল বিজয়ী শিরীন এবাদী কোন দেশের নাগরিক?
CUUnit-Bসাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকবিখ্যাত ব্যক্তিত্ব ও গল্পশিরীন এবাদী (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
ইরান
Explanation:

Another Explanation (5):
শিরীন এবাদী: সংক্ষিপ্ত পরিচিতি 🇮🇷
শিরীন এবাদী একজন ইরানি আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী এবং গণতন্ত্রপন্থী। তিনি ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনিই প্রথম ইরানি এবং প্রথম মুসলিম নারী যিনি এই পুরস্কারে ভূষিত হন।
জীবন বৃত্তান্ত:
- জন্ম: ২১ জুন, ১৯৪৭ (হামেদান, ইরান) 🎂
- পেশা: আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী ⚖️
- নাগরিকত্ব: ইরান 🇮🇷
- ধর্ম: ইসলাম ☪️
- শিক্ষা: তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় (আইন) 🎓
নোবেল পুরস্কার:
২০০৩ সালে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অধিকারের প্রতি তার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 👧👦
গুরুত্বপূর্ণ অবদানসমূহ:
- নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষা 👩⚖️
- রাজনৈতিক বন্দীদের আইনি সহায়তা 🧑💼
- গণতন্ত্রের প্রচার 🗳️
- ইরানে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি সাধনে প্রচেষ্টা 💪
পুরস্কার ও সম্মাননা:
| পুরস্কার | বছর | মন্তব্য |
|---|---|---|
| নোবেল শান্তি পুরস্কার | ২০০৩ | গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য অবদান 🕊️ |
| আরো অনেক আন্তর্জাতিক সম্মাননা | - | মানবাধিকার ক্ষেত্রে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ 🏅 |
গ্রন্থসমূহ:
- Iran Awakening: A Memoir of Revolution and Hope 📚
- The Golden Cage: Three brothers, Three choices, One destiny 📖
আরও কিছু তথ্য:
শিরীন এবাদী বর্তমানে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন। তিনি ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার এবং আন্তর্জাতিকভাবে এ বিষয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। 📢
বিঃদ্রঃ এই তথ্যগুলো বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সংগৃহীত। ✅