কোন বন্ধন গুলো আয়নিক?- H-Cl(g)
- S-Cl(g)
- Cs-F(s)
কোনটি সঠিক?
SylaUরসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনরাসায়নিক বন্ধন - সমযোজী বন্ধন (Topic Practice)SylaU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
শুধুমাত্র iii
Explanation:

Another Explanation (5):
আয়নিক বন্ধন: ব্যাখ্যা
আয়নিক বন্ধন হলো দুটি বিপরীত চার্জযুক্ত আয়ন এর মধ্যে তৈরি হওয়া এক প্রকার রাসায়নিক বন্ধন। সাধারণত, একটি ধাতু এবং একটি অধাতুর মধ্যে এই বন্ধন গঠিত হয়। এই বন্ধনে, একটি পরমাণু ইলেকট্রন ত্যাগ করে ক্যাটায়নে পরিণত হয়, এবং অন্যটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে অ্যানায়নে পরিণত হয়।
আয়নিক বন্ধন চেনার উপায়:
- তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য: দুটি পরমাণুর মধ্যে তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য ১.৭ এর বেশি হলে সাধারণত আয়নিক বন্ধন গঠিত হয়। 🤔
- ধাতু ও অধাতু: সাধারণত ধাতু (যেমন: সোডিয়াম, সিজিয়াম) এবং অধাতু (যেমন: ক্লোরিন, ফ্লোরিন) এর মধ্যে আয়নিক বন্ধন দেখা যায়। 😮
উদাহরণ বিশ্লেষণ:
- H-Cl(g): হাইড্রোজেন এবং ক্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য কম (প্রায় ০.৯৬)। এটি একটি পোলার সমযোজী বন্ধন। 😒
- S-Cl(g): সালফার এবং ক্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য সামান্য (প্রায় ০.০৪)। এটি প্রায় সমযোজী বন্ধন। 🙄
- Cs-F(s): সিজিয়াম এবং ফ্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য অনেক বেশি (প্রায় ৩.১৯)। সিজিয়াম ইলেকট্রন ত্যাগ করে ক্যাটায়নে পরিণত হয় (Cs+), এবং ফ্লোরিন ইলেকট্রন গ্রহণ করে অ্যানায়নে পরিণত হয় (F-)। সুতরাং, এটি একটি আয়নিক বন্ধন। 🥰
সারণী: তড়িৎ ঋণাত্মকতার মান
| পরমাণু | তড়িৎ ঋণাত্মকতা (পাউলিং স্কেল) |
|---|---|
| হাইড্রোজেন (H) | ২.২০ |
| ক্লোরিন (Cl) | ৩.১৬ |
| সালফার (S) | ২.৫৮ |
| সিজিয়াম (Cs) | ০.৭৯ |
| ফ্লোরিন (F) | ৩.৯৮ |
সিদ্ধান্ত:
উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, শুধুমাত্র Cs-F(s) এর মধ্যে আয়নিক বন্ধন বিদ্যমান। 🥳
আয়নিক যৌগগুলো সাধারণত কঠিন অবস্থায় থাকে এবং এদের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অনেক বেশি হয়। 😎
আশা করি, বিষয়টি বোধগম্য হয়েছে। ভালো লাগলে 👍 দিতে পারেন।