নিচের কোনটি বহিঃক্ষরা (Exocrine) গ্রন্থি নয়?
Dentalজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণহরমোন (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
থাইরয়েড গ্রন্থি
Explanation:


Another Explanation (5):
বহিঃক্ষরা গ্রন্থি (Exocrine Gland) নয় কোনটি? থাইরয়েড গ্রন্থি কেন নয়? 🧐
দেহের বিভিন্ন কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য হরমোন নিঃসরণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই হরমোন নিঃসরণের সাথে জড়িত গ্রন্থিগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: বহিঃক্ষরা গ্রন্থি ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি। প্রশ্নটি যেহেতু বহিঃক্ষরা গ্রন্থি নিয়ে, তাই প্রথমে জেনে নেই বহিঃক্ষরা গ্রন্থি কী:
বহিঃক্ষরা গ্রন্থি (Exocrine Gland):
যেসব গ্রন্থি নালীর মাধ্যমে তাদের উৎপাদিত পদার্থ (যেমন: এনজাইম, ঘাম, লালা) নির্দিষ্ট স্থানে নিঃসরণ করে, তাদের বহিঃক্ষরা গ্রন্থি বলে। 🤔 এদের নিঃসরণের জন্য রক্তপ্রবাহের প্রয়োজন হয় না।
বহিঃক্ষরা গ্রন্থির উদাহরণ:
- লালা গ্রন্থি 🤤 (Salivary Gland)
- ঘর্ম গ্রন্থি 😥 (Sweat Gland)
- অশ্রু গ্রন্থি 😭 (Lacrimal Gland)
- পাকগ্রন্থি 😋 (Gastric Gland)
- যকৃত 😮 (Liver)
থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid Gland) কেন বহিঃক্ষরা নয়?
থাইরয়েড গ্রন্থি একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি। কারণ:
- নালীবিহীন: থাইরয়েড গ্রন্থির কোনো নালী নেই। 🙅♀️
- সরাসরি রক্তে হরমোন নিঃসরণ: এটি থেকে নিঃসৃত হরমোন (যেমন: থাইরক্সিন) সরাসরি রক্তে মিশে যায়। 🩸
- লক্ষ্য অঙ্গ: রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে হরমোনগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অঙ্গে পৌঁছায় এবং কাজ করে।🎯
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি (Endocrine Gland) সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য:
যেসব গ্রন্থি নালীবিহীন এবং তাদের উৎপাদিত হরমোন সরাসরি রক্তে নিঃসরণ করে, তাদের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে। 🤩
অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির উদাহরণ:
- পিটুইটারি গ্রন্থি 🧠 (Pituitary Gland)
- অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি 💪 (Adrenal Gland)
- প্যানক্রিয়াস (এর কিছু অংশ) 胰 (Pancreas - some parts)
- শুক্রাশয়/ ডিম্বাশয় 🩲/🥚 (Testes/Ovaries)
সংক্ষেপে:
| বৈশিষ্ট্য | বহিঃক্ষরা গ্রন্থি | অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি |
|---|---|---|
| নালী | উপস্??িত 👍 | অনুপস্থিত 👎 |
| নিঃসরণ | নালীর মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে 📍 | সরাসরি রক্তে 🩸 |
| উদাহরণ | লালা গ্রন্থি, ঘর্ম গ্রন্থি 💦 | থাইরয়েড গ্রন্থি, পিটুইটারি গ্রন্থি ✨ |
আশা করি, থাইরয়েড গ্রন্থি কেন বহিঃক্ষরা গ্রন্থি নয়, তা এখন পরিষ্কার। 😊
Option A Explanation:
- অশ্রু গ্রন্থি হলো একটি বহিঃক্ষরা (Exocrine) গ্রন্থি যা চোখের উপর অশ্রু তৈরি করে।
- এটি চোখের ওপরের অংশে অবস্থিত, বিশ???ষ করে চোখের কোণে, যেখানে অশ্রু নিঃসরণ হয়।
- অশ্রু গ্রন্থি মূলত অশ্রু উৎপাদন করে, যা চোখকে জলদোষ থেকে রক্ষা করে এবং চোখের পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
- এটি বহিঃক্ষরাগ্রন্থি বলে পরিচিত, কারণ এর নিঃসরণ বাহ্যিক (external) পৃষ্ঠের মাধ্যমে হয়।
Option B Explanation:
- ঘাম গ্রন্থি (Sweat Gland): এটি একটি বহিঃক্ষরা (Exocrine) গ্রন্থি যা শরীরের ত্বকের নিচে অবস্থিত।
- প্রধান কাজ: ঘাম উৎপাদন করে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও বিষাক্ত পদার্থের নির্গমন।
- প্রকার: দু’প্রকার ঘাম গ্রন্থি রয়েছে—একটি একসারি (Eccrine) এবং অন্যটি মুল্লি (Apocrine)।
- অবস্থান: শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে হাত, পা, এবং কপালে বেশি দেখা যায়।
- অন্য গ্রন্থি থেকে পৃথকতা: এটি একটি বহিঃক্ষরা গ্রন্থি, কারণ এটি শরীরের বাহ্যিক পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
Option C Explanation:
- থাইরয়েড গ্রন্থি: এটি একটি অভ্যন্তরীণ (এন্ডোক্রাইন) গ্রন্থি, যা শরীরের রক্তে হরমোন নিঃসরণ করে।
- এটি শরীরের বিপাকপ্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- থাইরয়েড গ্রন্থি সাধারণত গলার সামনের অংশে অবস্থিত এবং তার আকার ছোট হলেও এর কার্যপ্রণালী গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বাহিরের শরীরের বাহ্যিক নিঃসরণ বা বহিঃক্ষরা গ্রন্থি নয়।
Option D Explanation:
প্যারোটিড গ্রন্থি:
- অবস্থান: এটি মুখের পাশে অবস্থিত, বিশেষ করে ঠোঁটের পাশে।
- প্রকার: এটি একটি বাহ্যিক (বহিঃক্ষরা) স্যালিভারি গ্রন্থি।
- কাজ: মুখের ভিতরে স্যালিভা বা লালা নিঃসরণ করে, যা খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
- আকার: এটি বৃহৎ স্যালিভারি গ্রন্থির মধ্যে অন্যতম বৃহৎ।
- অন্য নাম: সাধারণত "সাউন্ড গ্রন্থি" বা "অস্ট্রিয়াল গ্রন্থি" হিসেবে পরিচিত।