ভ্রূণীয় অবস্থায় লোহিত রক্ত কণিকা কোথায় তৈরী হয়?
সঠিক উত্তরঃ
B.
যকৃতে
Explanation:
ভ্রূণীয় অবস্থায় যকৃৎ লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টি করে। লৌহ সঞ্চয় করে হিমোগ্লোবিন গঠন করে। [Ref: মাজেদা]
Option A Explanation:
- অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরির প্রক্রিয়া: অস্থিমজ্জা হলো হাড়ের অভ্যন্তরে থাকা স্পঞ্জি ধরনের টিস্যু যেখানে রক্তের বিভিন্ন উপাদান, বিশেষ করে লোহিত রক্ত কণিকা (Red Blood Cells বা RBC), উৎপন্ন হয়।
- প্রক্রিয়ার বিবরণ: - হেমাটোপোয়েটিক স্টেম সেল (Hematopoietic stem cells) থেকে লোহিত রক্ত কণিকা উৎপন্ন হয়। - এই স্টেম সেলগুলো অস্থিমজ্জায় সক্রিয়ভাবে বিভাজিত হয়ে লোহিত রক্ত কণিকা গঠন করে। - লোহিত রক্ত কণিকা গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে আয়রন, ভিটামিন বি12, ফোলেট ইত্যাদি।
- অস্থিমজ্জার ভূমিকা: অস্থিমজ্জা রক্তের উপাদানগুলোর জন্য একটি প্রধান সংস্থান। এটি নিয়মিতভাবে নতুন লোহিত রক্ত কণিকা, শ্বেত রক্ত কণিকা এবং প্লাটেলেটের উৎপাদন নিশ্চিত করে।
- উপসংহার: অতএব, ভ্রূণীয় অবস্থায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরির জন্য মূল স্থান হলো অস্থিমজ্জা।
Option B Explanation:
- যকৃতে: ইউরিয়া উৎপন্ন হয় যকৃতে।
- যকৃৎ হলো শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা বিভিন্ন ধরণের বর্জ্য ও টক্সিনের প্রক্রিয়াকরণ করে।
- এটি প্রসেস করে অ্যামোনিয়া, যা শরীরের মধ্যে বিপুল পরিমাণে তৈরি হয়, বিশেষ করে প্রোটিন বিপাকের সময়।
- অ্যামোনিয়া খুবই বিষাক্ত, তাই এটি দ্রুত ইউরিয়া তে রূপান্তরিত হয়, যা পানির সাথে দ্রবণীয়।
- ইউরিয়া রক্তের মাধ্যমে কিডনিতে পৌঁছে, যেখানে এটি ফিল্টার হয়ে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
Option C Explanation:
- কিডনি অস্থায়ীভাবে লোহিত রক্ত কণিকা তৈরিতে অংশগ্রহণ করে, বিশেষ করে উন্নয়নের শুরুতে।
- প্রাথমিক অবস্থায়, কিডনি থেকে নিঃসৃত সম্ভাব্য হরমোনের মাধ্যমে লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনের প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়।
- এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত প্রেগনেন্সির প্রথম দিকে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে শরীরের রক্তের চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
Option D Explanation:
- কশেরুকা: কশেরুকা বা স্পাইনাল কলাম প্রধানতঃ কশেরুকা বা সার্ভিকাল, থোরাসিক, লাম্বার, সাক্রাল এবং কুবিডিয়াল অংশে বিভক্ত।
- মূল কাজ: কশেরুকা শরীরের মূল স্নায়ুতন্ত্রের অংশ, যা মস্তিষ্ক থেকে সংকেত প্রেরণ করে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে সংকেত গ্রহণ করে।
- গঠনতন্ত্রে অবদান: এটি শরীরের কাঠামো ও সুরক্ষা দেয় এবং বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে সংযোগস্থাপন করে।
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিকাশে ভূমিকা: কশেরুকা শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিকাশে সহায়ক এবং এর মধ্যে রক্তকণিকা তৈরির জন্য সরাসরি ভূমিকা থাকে না।