মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান হয় কোন্ সালে?

A. 1857
B. 1858
C. 1868
D. 1869
Poster Download
CUUnit-Dসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশইংরেজ শাসনইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (শাসনের অবসান) (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. 1858
Explanation:

Another Explanation (5):

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান (১৮৫৮)

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রায় দু'শ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই কোম্পানি বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ভারতীয় অর্থনীতি ও রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে। তবে, ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর কোম্পানির শাসনের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে যায়, যার ফলশ্রুতিতে ব্রিটিশ সরকার সরাসরি ভারতের শাসনভার গ্রহণ করে।

শাসনের অবসান: পটভূমি

  • সিপাহী বিদ্রোহ (১৮৫৭): এই বিদ্রোহ ছিল কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বড় ধরনেরResistance। 😠
  • প্রশাসনের দুর্বলতা: কোম্পানির প্রশাসনিক কাঠামো জনগণের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল।
  • ব্রিটিশ সরকারের হস্তক্ষেপ: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কোম্পানির কাজকর্মের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চেয়েছিল।

ফলাফল: ১৮৫৮ সালের ভারত শাসন আইন

এই আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান হয় এবং ভারতের শাসনভার সরাসরি ব্রিটিশ Crown-এর হাতে চলে যায়। 👑

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:

  1. কোম্পানির বিলুপ্তি: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
  2. ভাইসরয়ের পদ সৃষ্টি: গভর্নর জেনারেলের পদ পরিবর্তিত হয়ে ভাইসরয়ের পদ তৈরি করা হয়, যিনি ছিলেন ব্রিটিশ Crown-এর সরাসরি প্রতিনিধি।
  3. ভারত সচিবের পদ: ব্রিটিশ Cabinet-এ ভারত সচিবের পদ তৈরি করা হয়, যিনি ভারতীয় প্রশাসনের দায়িত্বে থাকতেন।

সময়রেখা

বছর ঘটনা
১৬০০ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিষ্ঠা। 🏢
১৭৫৭ পলাশীর যুদ্ধ। ⚔️
১৮৫৭ সিপাহী বিদ্রোহ। 💥
১৮৫৮ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান। ✅

ঐতিহাসিক তাৎপর্য

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ভারতীয় ইতিহাসে একটি নতুন যুগের সূচনা করে। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার সরাসরি ভারতীয় জনগণের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। 🧐

তথ্যসূত্র: বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থ ও ওয়েবসাইট।