কোন শ্রেণিভুক্ত প্রাণিদের এপিডার্মাল আঁইশ থাকে?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
রেপটাইলিয়া
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এপিডার্মাল আঁইশ শরীরের রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো। অপশন বিশ্লেষণ: A. ভুল, কন্ড্রিকথিস শ্রেণির প্রাণিরা প্লাকয়েড আঁইশযুক্ত। B. ভুল, অস্টিকথিস শ্রেণির মাছ সাধারণত সাইক্লয়েড ও টেনয়েড আঁইশযুক্ত। C. সঠিক, রেপটাইলিয়া শ্রেণির প্রাণিরা এপিডার্মাল আঁইশযুক্ত। D. ভুল, মিক্সিনি শ্রেণির প্রাণিরা আঁইশবিহীন। নোট: এপিডার্মাল আঁইশ সাধারণত সরীসৃপ প্রাণিদের মধ্যে দেখা যায় যা তাদের শরীরকে সংরক্ষণে সাহায্য করে।
Another Explanation (5):
রেপটাইলিয়া শ্রেণীবিন্যাস এবং এপিডার্মাল আঁইশ
রেপটাইলিয়া (Reptilia) একটি বহুকোশী, মেরুদণ্ডী প্রাণীগোষ্ঠী। এই শ্রেণির প্রাণীদের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এদের এপিডার্মাল আঁইশ (Epidermal scales) থাকা। নিচে রেপটাইলিয়া শ্রেণি এবং এদের আঁইশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
রেপটাইলিয়া: একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি 🦎🐢🐍
- রেপটাইলিয়া শব্দটি ল্যাটিন 'repere' থেকে এসেছে, যার অর্থ হামাগুড়ি দেওয়া।
- এরা সাধারণত শীতল রক্তবিশিষ্ট (ectothermic) অর্থাৎ পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে এদের দেহের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয়।
- এরা ডিম পাড়ে (oviparous) তবে কিছু প্রজাতিতে ডিম শরীরের ভেতরেও ফোটে (ovoviviparous)।
- এদের ত্বক শুষ্ক এবং আঁইশ দ্বারা আবৃত থাকে।
এপিডার্মাল আঁইশ (Epidermal Scales) 🛡️
এপিডার্মাল আঁইশ হলো কেরাটিন (keratin) নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত শক্ত আবরণ, যা রেপটাইলের ত্বককে সুরক্ষা দেয়। এটি এপিডার্মিসের কোষ থেকে তৈরি হয়।
এপিডার্মাল আঁইশের বৈশিষ্ট্য:
- গঠন: কেরাটিন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
- কাজ: ত্বককে আঘাত, শুষ্কতা এবং অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে।☀️
- প্রকারভেদ: বিভিন্ন ধরণের রেপটাইলে আঁইশের আকার, আকৃতি এবং বিন্যাস ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
- উদাহরণ: সাপের আঁইশ, কুমিরের আঁইশ, টিকটিকির আঁইশ ইত্যাদি।🐍🐊🦎
বিভিন্ন রেপটাইলে আঁইশের ভিন্নতা:
| প্রাণীর নাম | আঁইশের ধরণ | বিশেষত্ব |
|---|---|---|
| সাপ (Snake)🐍 | ছোট, মসৃণ এবংoverlapped | সাপের চলনে সাহায্য করে এবং ত্বককে সুরক্ষা দেয়। |
| কুমির (Crocodile)🐊 | শক্ত, পুরু এবং প্লেটের মতো | শক্তিশালী প্রতিরক্ষা প্রদান করে। |
| কচ্ছপ (Turtle)🐢 | ক্যারাপেস (Carapace) এবং প্লাস্ট্রন (Plastron) নামক বড় আকারের প্লেট | শরীরকে ঢেকে রাখে এবং সুরক্ষা দেয়। |
| গিরগিটি (Lizard)🦎 | ছোট, দানাদার বা কাঁটার মতো | পরিবেশের সাথে মিশে যেতে এবং আত্মরক্ষা করতে সাহায্য করে। |
এপিডার্মাল আঁইশের গুরুত্ব 🤔
- দেহের পানিশূন্যতা রোধ করে।💧
- শারীরিক আঘাত থেকে রক্ষা করে।🤕
- পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। 🌍
- কিছু ক্ষেত্রে শিকার ধরা এবং আত্মরক্ষায় সাহায্য করে। 🏹
পরিশেষে বলা যায়, এপিডার্মাল আঁইশ রেপটিলিয়া শ্রেণির প্রাণীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, যা তাদের জীবনধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। ✅
Option A Explanation:
কন্ড্রিকথিস
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: এন্ডোথার্মিক (উষ্ণরক্তবিশিষ্ট)
- অর্থ: এই প্রাণীগুলি তাদের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম, অর্থাৎ তারা নিজেদের শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারে।
- উদাহরণ: কয়েকটি সামুদ্রিক প্রাণী, যেমন কুইনফিশ।
- গুরুত্ব: এই বৈশিষ্ট্য তাদের বিভিন্ন পরিবেশে টিকে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation: ```html
- অস্টিকথিস: অস্টিকথিস হলো একটি শ্রেণীপ্রাণি যা সাধারণত জলজ পরিবেশে বাস করে।
- এদের এপিডার্মাল আঁইশ থাকে, যা তাদের শারীরিক আঘাত থেকে রক্ষা করে এবং পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- এরা সাধারনত শুষ্ক বা আর্দ্র পরিবেশে বাস করে এবং এদের শরীরের গঠন জলজ বা আর্দ্র পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে উন্নত।
- অস্টিকথিসের মধ্যে প্রাচীন ও প্রাকৃতিকভাবে বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত।
Option C Explanation: ```html
- রেপটাইলিয়া: রেপটাইলিয়া শ্রেণির প্রাণিদের এপিডার্মাল আঁইশ থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ: সাপ, কুমড়ো, ডেকে, গিরগিটি।
- এপিডার্মাল আঁইশ তাদের শরীরের সুরক্ষা দেয় এবং অবিচ্ছেদ্যভাবে তাদের স্তরযুক্ত ত্বকের অংশ।
Option D Explanation:
মিক্সিনি (Myxini)
- মিক্সিনি হলো একটি প্রাগৈতিহাসিক প্রজাতির মাছ, যা সাধারণত অন্ধকার পানিতে পাওয়া যায়।
- এদের দেহের আবরণে এপিডার্মাল আঁইশ বা চামড়ার স্তর থাকে, যা তাদের শারীরিক রক্ষা এবং সংবেদনশীলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- এরা সাধারণত কাঁটা বা হাড় বা কংক্রিটের মতো কাঠামো নেই, তবে তাদের চামড়া বেশ শক্ত ও টেকসই।
- মিক্সিনির শরীরে রক্তের প্রবাহের জন্য বিশেষ ধরনের আঁইশ বা কুণ্ডলী থাকে, যা তাদের জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এরা সাধারণত মৃতদেহ বা পচা জৈব পদার্থ খেয়ে জীবনধারণ করে, এবং তাদের শরীরে বিশেষ ধরনের আঁইশ বা চামড়ার আবরণ থাকে।