দুটি কালো গিনিপিগের মধ্যে ক্রস ঘটনো হলো F1 জনুতে কালো ও সাদা উভয় রঙের অপত্যের জন্ম হলো।
F1 জনুর অপত্যের সাথে বিশুদ্ধ কালো গিনিপিগের ক্রস ঘটালে সাদা অপত্য সৃষ্টির সম্ভাবনা শতকরা কত ভাগ?
০%

গিনিপিগের বংশগতি🧬
দুটি কালো গিনিপিগের মধ্যে ক্রস ঘটানো হলে F1 জনুতে কালো ও সাদা উভয় রঙের অপত্যের জন্ম হয়। এর থেকে বোঝা যায়, কালো রং প্রকট (Dominant) হলেও সাদা রং প্রচ্ছন্ন (Recessive) জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। 🤔
F1 জনুর সাথে বিশুদ্ধ কালোর ক্রস
F1 জনুর অপত্যের সাথে বিশুদ্ধ কালো গিনিপিগের ক্রস ঘটালে সাদা অপত্য সৃষ্টির সম্ভাবনা জানতে, আমাদের বংশগতির নিয়মগুলো একটু ভালোভাবে বুঝতে হবে।🤓
সম্ভাব্য জিনোটাইপ
- ধরি, কালো রঙের জন্য দায়ী জিন 'B' এবং সাদা রঙের জন্য দায়ী জিন 'b'।
- যেহেতু F1 জনুতে সাদা অপত্য পাওয়া গেছে, তাই F1 জনুর গিনিপিগের জিনোটাইপ হবে 'Bb' ( Heterozygous)।
- বিশুদ্ধ কালো গিনিপিগের জিনোটাইপ হবে 'BB' (Homozygous Dominant)।
ক্রস বিশ্লেষণ
এখন, 'Bb' এবং 'BB'-এর মধ্যে ক্রস ঘটালে আমরা নিম্নলিখিত জিনোটাইপগুলো পেতে পারি:
| B | B | |
|---|---|---|
| B | BB | BB |
| b | Bb | Bb |
উপরের টেবিল থেকে দেখা যাচ্ছে, উৎপন্ন অপত্যগুলোর জিনোটাইপ 'BB' অথবা 'Bb' হবে। কোনো অপত্যের জিনোটাইপ 'bb' (সাদা) হওয়ার সম্ভাবনা নেই। 🥳
ফলাফল
সুতরাং, F1 জনুর অপত্যের সাথে বিশুদ্ধ কালো গিনিপিগের ক্রস ঘটালে সাদা অপত্য সৃষ্টির সম্ভাবনা 0%। 🎉
অতিরিক্ত তথ্য
আরও কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
- ফিনোটাইপ (Phenotype): জীবের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য।
- জিনোটাইপ (Genotype): জীবের জিনগত গঠন।
- প্রকট জিন (Dominant Gene): যে জিন জীবের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
- প্রচ্ছন্ন জিন (Recessive Gene): যে জিন জীবের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয়।
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি তোমাদের বুঝতে সাহায্য করবে। 👍
শুভকামনা! 💖
```