'ঐকতান' কবিতার প্রথম চরণ কোনটি?
A.
গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী
B.
কাছে থেকে দূরের যারা তাহাদের বাণী যেন শুনি
C.
সে কবির বাণী-লাগি কান পেতে আছি
D.
বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি
সঠিক উত্তরঃ
D.
বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ’শোন একটি মুজিবরের থেকে’ গানটির গীতিকার কে?
- 'ঐকতান' কবিতাটি প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- পাঞ্জেরী' কোন ধরনের কবিতা?
- সাহিত্যে মানবাত্মা খেলা করে এবং সেই খেলায় আনন্দ উপভোগ করে।' এ উক্তি কোন লেখকের ?
- বাল্মীকির পরিচয় কী?
- ‘বিশাল বিশ্বের আয়োজন; মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।’ চরণটি কোন কবিতার?
- "তিনটি বছর মাত্র তিনটি বছর কত উর্ণাজাল বুনে কেটেছে , ........ কোন কবির রচনা?
- নিচের কোন জন সনেট রচনা করেন নি?
- ধনী পরিবারের সন্তান মোহসীন চৌধুরী। রাজনীতিতেএসেছেন অনেক দিন। জনকল্যাণমূলক কাজও করেছেন।কিন্তু প্রান্তিকজনের সাথে তেমনভাবে তিনি মিশতে পারেননি।গণমানুষের নেতা হতে না পেরে তার আক্ষেপের শেষ নেই। উদ্দীপকে 'ঐকতান' কবিতায় যে বিষয় প্রকাশিততা হলো-জনবিচ্ছিন্নতাশ্রমজীবীদের প্রতি দায়বদ্ধতাজ্ঞানের দীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতায় কয়টি নদীর কথা বলা হয়েছে?
- হিন্দি ‘পদুমাবৎ’-এর অবলম্বনে ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা-
- সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে?লালন কয়, জাতের কী রূপ, দেখলাম না এ নজরে।কেউ মালা কেউ তসবি গলায়, তাইতো কী জাত ভিন্ন বলায়,যাওয়ার কিংবা আসার বেলায়, জাতের চিহ্ন রয় কার রে।উদ্দীপকে বর্ণিত 'মালা' ও 'তসবি' 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন বিষয়গুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? আলোচনা করো।
- ‘হাজার বছর ধরে’ রচনাটি কার?
- ‘কেহ মরে বিল ছেঁচে ,কেহ খায় কই’ - কোন রচনার অংশ?
- জগৎ জুড়িয়া আছে এক জাতিসে জাতির নাম মানুষ জাতি।উদ্দীপকের সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবটি নিচের কোন চরণেরসঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?
- রবীন্দ্রনাথ 'ঐকতান' কবিতায় কার 'বাণী-লাগি' কানপেতে আছেন?
- আমার বুকের ভিতরটা হু হু করিয়া উঠিল।'- এই অনুভূতি কার?
- 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে 'তপোবন প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ'বলতে যা বোঝানো হয়েছে—
- ‘সমাজের ধনবৃদ্ধির অর্থ ধনীর ধনবৃদ্ধি’ উক্তিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের মূলবক্তব্য 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।