নবীবংশ' কার রচনা?
A. আমীর হামযা
B. সৈয়দ সুলতান
C. সুকুর মামুদ
D. ফকির গরীবুল্লাহ
সঠিক উত্তরঃ
B.
সৈয়দ সুলতান
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: নবীবংশ' কার রচনা? এখানে 'নবীবংশ' রচনার কৃতিত্ব কার তা প্রশ্ন করা হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. আমীর হামযা: ভুল, এটি সঠিক নয়। B. সৈয়দ সুলতান: সঠিক, এটি সঠিক উত্তর। C. সুকুর মামুদ: ভুল, এটি সঠিক নয়। D. ফকির গরীবুল্লাহ: ভুল, এটি সঠিক নয়। নোট: 'নবীবংশ' রচনা করেছেন সৈয়দ সুলতান।
Related Questions (Any University/Year)
- দেশে-বিদেশে' বইটিতে কোন শহরের কাহিনী প্রাধান্য পেয়েছে?
- সনেটের স্বটক এর বিভাজনকে কী বলে?
- ------- আর ঘরে ঘরে চরকা ও টেকো হইলে চাষার ------- ঘুচিবে।'- শূণ্যস্থানে যথাক্রমে কোনটি বসবে?
- কেহ মরে বিল ছেঁচে , কেহ খায় কই' উক্তিটি কোন গল্পের / কবিতার ?
- নিচের কোনটি ভিন্ন?
- সাম্যবাদী' কবিতায় উল্লিখিত 'চার্বাক' দর্শনের উৎস কোথায়?
- Fancy'র পরিভাষা কী?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।জালিয়াতির চেষ্টা' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।কবিদের বাণী কেন ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো বয়ে যায়?
- \নক্ষত্রখচিত আকাশ থেকে _____ঝরবে না\ - চরণটির শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
- চার্বাক কে ছিলেন?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকার প্রত্যাশা কি?
- কবর কবিতায় বৃদ্ধের পুত্র মারা গিয়েছল কোন মাসে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- ‘বিড়াল’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কাকে অন্ধকার হতে আলোতে এনেছেন?
- ইব্রাহীম কার্দির স্ত্রীর নাম কি?
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকা দারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ হিসেবে কোনটি নির্দেষ করেছেন?
- মুসোলিনি' নামটি কোন প্রবন্ধে ব্যবহৃত হয়েছে?
- _________ অন্ধকার হইতে আলোকে আনিয়াছি, ভাবিয়া কমলাকান্তের _____ আনন্দ হইল।' শূন্যস্থানে যথাক্রমে কোনটি বসবে?
- ‘ঐকতান’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?