
'A' চিহ্নিত অংশ থেকে ভ্রুণ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে বলে -
সঠিক উত্তরঃ
B.
অ্যাপোগ্যামি
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো: **অ্যাপোগ্যামি**।
### ব্যাখ্যা:
**অ্যাপোগ্যামি (Apogamy)** হলো ভ্রুণ সৃষ্টির একটি প্রক্রিয়া যেখানে গর্ভধারার ছাড়াই ভ্রুণ বা নতুন উদ্ভিদ বা অঙ্গ সৃষ্টি হয়। এটি বিশেষ করে উদ্ভিদ, ছত্রাক, এবং কিছু অণুজীবের মধ্যে দেখা যায়।
### বিস্তারিত:
- অ্যাপোগ্যামি প্রক্রিয়ায় ভ্রুণ বা নতুন উদ্ভিদ গঠিত হয় সরাসরি গুণগত বা আণবিক পরিবর্তন ছাড়াই।
- এটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে হতে পারে, এবং এটি মূলত গুণগত পরিবর্তন বা যৌগিক বিভাজনের মাধ্যমে ঘটে না।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু উদ্ভিদ শাখা বা মূলের মাধ্যমে সরাসরি নতুন গাছের জন্ম হয়, যা অ্যাপোগ্যামির উদাহরণ।
Option A Explanation:
অ্যাপোস্পোরি (Apospory) এর ব্যাখ্যা:
- অ্যাপোস্পোরি হলো এক ধরনের পুনরাবৃত্তির প্রক্রিয়া যেখানে গাছপালা বা কিছু অঙ্গপ্রতিওষ্ঠের মধ্যে স্বাভাবিক নিষেকের ছাড়াই ভ্রূণ গঠন হয়।
- এটি মূলত একটি অপ্রচলিত বা বিকল্প প্রজনন পদ্ধতি, যেখানে যৌন প্রজনন ছাড়াই নতুন প্রজন্ম সৃষ্টি হয়।
- অ্যাপোস্পোরি সাধারণত অজৈব বা অসম্পূর্ণ পরিবেশে ঘটে এবং এর মাধ্যমে উদ্ভিদ বা জীবের প্রজনন কার্য সম্পন্ন হয়।
- এটি বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে দেখা যায় এবং উদ্ভিদের জেনেটিক বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
- অ্যাপোস্পোরি প্রক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন ভ্রূণ সাধারণত মূল উদ্ভিদের জেনেটিক উপাদান সমান বা খুব কাছাকাছি হয়।
Option B Explanation:
- অ্যাপোগ্যামি: এটি একটি প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে দুটি ভিন্ন প্রজাতির বা প্রকারের উদ্ভিদ বা প্রাণীর মধ্যে যৌনসংযোগের মাধ্যমে গর্ভধারার জন্য প্রস্তুত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু প্রজাতির মাছ বা পতঙ্গের মধ্যে এ প্রক্রিয়া দেখা যায়।
- এই পদ্ধতিতে, যৌনসংযোগের মাধ্যমে একটি নতুন জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়, যা প্রজনন প্রক্রিয়াকে অধিক কার্যকর করে তোলে।
Option C Explanation:
- অ্যান্ড্রোজেনেসিস: এটি হলো পুরুষের যৌন হার্মোন অ্যান্ড্রোজেনের মাধ্যমে পুরুষের লিঙ্গের বিকাশ ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া।
- এটি মূলত পুরুষের প্রজনন ব্যবস্থা এবং লিঙ্গ নির্ধারণের সাথে সম্পর্কিত।
- অ্যান্ড্রোজেনেসিসের ফলে শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের বৈশিষ্ট্য বিকাশ ঘটে।
Option D Explanation:
পার্থেনোজেনেসিস হল একটি প্রক্রিয়া যেখানে জীবের ডিম্বাণু থেকে নিষেকের প্রয়োজন ছাড়াই নতুন জীবের সৃষ্টি হয়। এটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে ঘটে থাকতে পারে এবং বেশ কিছু প্রজাতির মধ্যে দেখা যায়।
- প্রাকৃতিক ক্ষেত্রে: কিছু জলজ প্রাণী, যেমন কচ্ছপ বা কিছু সরীসৃপ, পার্থেনোজেনেসিসের মাধ্যমে প্রজনন করে থাকেন।
- কৃত্রিম ক্ষেত্রে: জীববিজ্ঞানে এই প্রক্রিয়াটি ব্যবহৃত হয় বায়োটেকনোলজি বা গবেষণায়, যেখানে ডিম্বাণু নিষেক ছাড়াই জীবন্ত হতে পারে।
- বৈশিষ্ট্য: এই প্রক্রিয়ায় যুবক জীবের বিকাশ ডিম্বাণুর বিভাজন বা অন্য কোন আকারে ঘটে, যেখানে সাধারণত পুরুষের অংশগ্রহণের প্রয়োজন হয় না।