মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

বংশগতিবিদ্যার জনক কে?

A.

চার্লস রবার্ট ডারউইন

B.

জ্যাঁ ব্যাপটিস্ট দ্যা ল্যামার্ক

C.

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল

D.

জে. গ্রেগর মেন্ডেল

Poster Download
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনবংশগতিবিদ্যা বা জিনতত্ত্ব বা জেনেটিক্স (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C.

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

বংশগতিবিদ্যার জনক: গ্রেগর জোহান মেন্ডেল 👨‍🏫

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল হলেন বংশগতিবিদ্যার জনক। তিনি অস্ট্রিয়ান সাম্রাজ্যের (বর্তমান চেক প্রজাতন্ত্র) একটি অগাস্টিনিয়ান মঠের ধর্মযাজক ছিলেন। মেন্ডেল ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহন করেন এবং ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

মেন্ডেলের অবদানসমূহ 🧬:

  • মটরশুঁটি গাছের উপর তার বিখ্যাত পরীক্ষা-নিরীক্ষা। 🪴
  • বংশগতির মৌলিক সূত্র আবিষ্কার।
  • জিন (gene) নামক ধারণার প্রবর্তন (যদিও তিনি নিজে এই শব্দটি ব্যবহার করেননি)।
  • বংশগতির এককগুলো জোড়ায় বিদ্যমান - এই ধারণা দেন।
  • প্রকট (dominant) ও প্রচ্ছন্ন (recessive) বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা দেন।

মেন্ডেলের সূত্রাবলী:

  1. পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation)
  2. স্বাধীনভাবে বিন্যাস সূত্র (Law of Independent Assortment)

মেন্ডেলের পরীক্ষা পদ্ধতি 🧪:

মেন্ডেল মটরশুঁটি গাছ ব্যবহার করার কারণ:

  • সহজে চাষ করা যায়।
  • বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান (যেমন - ফুলের রঙ, বীজের আকার ইত্যাদি)। 🌸
  • স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়ন ঘটানো যায়।

ফলাফল 📊:

বৈশিষ্ট্য ফলাফল
ফুলের রঙ লাল অথবা সাদা
বীজের আকার গোল অথবা কুঁচকানো
বীজের রঙ হলুদ অথবা সবুজ

মেন্ডেলের কাজ প্রথমে স্বীকৃতি পায়নি, কিন্তু পরবর্তীতে ২০ শতকের শুরুতে বিজ্ঞানীরা তার সূত্রগুলো পুনরায় আবিষ্কার করেন এবং বংশগতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন। 👍

আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 😊

ধন্যবাদ! 🙏

```
Option A Explanation:
  • নাম: চার্লস রবার্ট ডারউইন
  • জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩
  • মৃত্যু: ১৯৪২
  • পেশা: প্রাকৃতিক বিজ্ঞানী ও জীববিজ্ঞানী
  • প্রসিদ্ধ অবদান: বিবর্তনবাদের তত্ত্ব প্রবর্তন, যা জীবের উন্নয়ন ও প্রজননের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে
  • প্রধান বই: "অ্যানিম্যাল কনসার্ভেশন" ও "দ্য অরিজিন অব স্পিসিস"
  • প্রভাব: জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটানো এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন
Option B Explanation:
  • জ্যাঁ ব্যাপটিস্ট দ্যা ল্যামার্ক (Jean-Baptiste Lamarck)
  • একজন ফরাসি জীববিজ্ঞ??নী, যিনি ১৮২০-এর দশকে জীববিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
  • তাঁর মূল তত্ত্ব হলো উদ্ভিদের ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও পরিবর্তনের ধারণা, যা তিনি "ল্যামার্কিয়ান ভাবধারা" নামে পরিচিত।
  • অনার্যবাদের পরিবর্তে, তিনি বিশ্বাস করতেন যে জীবের বৈশিষ্ট্যসমূহ প্রাকৃতিকভাবে পরিবর্তিত হয় এবং এই পরিবর্তনগুলি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়।
  • তাঁর এই তত্ত্বটি জীববিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল, তবে পরে উন্নত বিজ্ঞানের আলোকে এটি প্রত্যাখ্যাত হয়।
Option C Explanation:
  • নাম: গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
  • জন্ম: 1822 সালে অস্ট্রিয়া শহরে
  • প্রধান কাজ: জেনেটিক্স ও জেনেটিক বৈচিত্র্য সংক্রান্ত গবেষণা
  • অভিযান: পুঁচকে অনুবংশ ও জেনারেল বৈচিত্র্য সম্পর্কিত নিয়ম আবিষ্কার করেন, যা আজ "মেন্ডেলিয়ান নিয়ম" নামে পরিচিত
  • অর্থপূর্ণ অবদান: জেনেটিক ট্র্যান্সমিশন ও অপ্রকাশ্য ট্রেসের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন, যা জেনেটিক কোডের ভিত্তি স্থাপন করে
  • প্রভাব: জীববিজ্ঞানে একটি মৌলিক পরিবর্তন আনে এবং আধুনিক জেনেটিক্সের ভিত্তি স্থাপন করেন
Option D Explanation:
  • জে. গ্রেগর মেন্ডেল ছিলেন একজন অস্ট্রিয়ান-অহিংস বিজ্ঞানী এবং বংশগতিবিদ্যার পিতৃকূল।
  • তিনি মূলত গার্ডেনের মাধ্যমে পেঁপে এবং অন্যান্য উদ্ভিদে ক্রস-প্রজননের ওপর গবেষণা চালিয়ে বংশগতির মৌলিক নিয়ম আবিষ্কার করেন।
  • তার গবেষণাগুলো প্রজননের বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী এবং জেনেটিক ট্রেসিংয়ের ভিত্তি স্থাপন করে, যা পরবর্তীতে জেনেটিক্সের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • মেন্ডেলের গবেষণার ফলাফলগুলো ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং তিনি ধীরে ধীরে বংশগতিবিদ্যার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন।
  • তাঁর কাজের জন্য তিনি আজও "বংশগতির জনক" হিসেবে পরিচিত।