মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটি মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ব্যতিক্রমের উদাহরণ?

A.

অসম্পূর্ণ প্রকটতা

B.

প্রকট এপিস্ট্যাসিস

C.

এপিস্ট্যাসিস

D.

পলিজেনিক ইনহেরিট্যান্স

Poster Download
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনমেন্ডেলের সূত্র ও ব্যতিক্রম (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A.

অসম্পূর্ণ প্রকটতা

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ব্যতিক্রম: অসম্পূর্ণ প্রকটতা 🧬

মেন্ডেলের প্রথম সূত্র, পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation) অনুযায়ী, জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো দুটি অ্যালিলের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় এবং জনন কোষ তৈরির সময় অ্যালিলগুলো পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এই সূত্রের ব্যতিক্রম দেখা যায়। অসম্পূর্ণ প্রকটতা (Incomplete Dominance) তেমনই একটি ব্যতিক্রম। 🤔

অসম্পূর্ণ প্রকটতা কী? 🤷‍♀️

অসম্পূর্ণ প্রকটতা হলো এমন একটি ঘটনা যেখানে দুটি অ্যালিলের মধ্যে কোনোটিই সম্পূর্ণরূপে প্রকট (dominant) নয়। অর্থাৎ, বিষমসংস্থ (heterozygous) অবস্থায় একটি নতুন ফিনোটাইপ (phenotype) প্রকাশ পায়, যা উভয় হোমোজাইগাস (homozygous) ফিনোটাইপের মাঝামাঝি। 🌺 + 🌼 = 🌸

উদাহরণ 🌻

এর সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হলো সন্ধ্যামালতী ফুল (Four O'Clock Flower)। এই ফুলের ক্ষেত্রে লাল (RR) এবং সাদা (rr) ফুল গাছের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম বংশধরে (F1 generation) গোলাপি (Rr) ফুল পাওয়া যায়। এখানে লাল বা সাদা কোনো বৈশিষ্ট্যই সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয় না। 🌹➡️💖⬅️🕊️

ব্যাখ্যা 👇

  • মেন্ডেলের সূত্র: মেন্ডেলের সূত্র অনুযায়ী, লাল (R) অ্যালিলটি প্রকট হওয়ার কথা এবং F1 প্রজন্মে লাল ফুল হওয়ার কথা ছিল।
  • অসম্পূর্ণ প্রকটতা: কিন্তু এখানে R অ্যালিলটি r অ্যালিলের উপর সম্পূর্ণরূপে প্রকট নয়। তাই Rr জেনোটাইপযুক্ত উদ্ভিদে লাল রঙের প্রোটিন কম তৈরি হওয়ার কারণে গোলাপি ফুল হয়।
  • ফলাফল: এক্ষেত্রে ফিনোটাইপিক অনুপাত (phenotypic ratio) এবং জিনোটাইপিক অনুপাত (genotypic ratio) উভয়ই 1:2:1 হয় (RR:Rr:rr)। 📊

অসম্পূর্ণ প্রকটতার কারণ 🧐

অসম্পূর্ণ প্রকটতার মূল কারণ হলো অ্যালিল দুটির মধ্যে কোনো একটি অ্যালিল পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন তৈরি করতে না পারা। এর ফলে মধ্যবর্তী একটি ফিনোটাইপ সৃষ্টি হয়। 🧪

অসম্পূর্ণ প্রকটতা এবং মেন্ডেলের সূত্রের ব্যতিক্রম ⚠️

অসম্পূর্ণ প্রকটতা মেন্ডেলের পৃথকীকরণ সূত্রের ব্যতিক্রম হলেও, এটি মেন্ডেলের সূত্রের মৌলিক ধারণাকে বাতিল করে না। এখানে শুধু প্রকটতার (dominance) ধরণে পরিবর্তন দেখা যায়। মেন্ডেলের সূত্র অনুযায়ী অ্যালিলগুলো পৃথক হয় এবং নতুন সমন্বয়ে ফিনোটাইপ তৈরি করে। 👍

সংক্ষেপে 📝

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
সংজ্ঞা দুটি অ্যালিলের মধ্যে কোনোটিই সম্পূর্ণরূপে প্রকট নয়।
ফলাফল বিষমসংস্থ জীবে নতুন ফিনোটাইপ প্রকাশ পায়।
উদাহরণ সন্ধ্যামালতী ফুলের রঙ।
অনুপাত ফিনোটাইপিক ও জিনোটাইপিক অনুপাত 1:2:1।

আশা করি, অসম্পূর্ণ প্রকটতা সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊

```
Option A Explanation:
  1. অসম্পূর্ণ প্রকটতা: এটি একটি জেনেটিক অবস্থা যেখানে দ্বৈত অণুগুলির মধ্যে একটির প্রভাব অন্যটির উপর সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় না। ফলে, হাইব্রিড প্রজন্মে সাধারণত দুইটি পেরেন্টের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণভাবে দেখা যায় না, বরং একটি মধ্যবর্তী বা মিশ্র বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
  2. এই ধরনের প্রকটতার কারণে, জিনোটাইপের অনুপাত সাধারণত ১:2:1 হয়, যেখানে:
    • প্রথম সংখ্যা: হোমোজিগাস (প্রথম ধরনের জিনের দুটি অভিন্ন কপি)
    • দ্বিতীয় সংখ্যা: হেটেরোজিগাস (দুটি ভিন্ন জিনের কপি)
    • তৃতীয় সংখ্যা: আবার হোমোজিগাস (অন্য ধরনের জিনের দুটি অভিন্ন কপি)
  3. অর্থাৎ, অসম্পূর্ণ প্রকটতার কারণে, হেটেরোজিগাস জেনোটাইপের উপস্থাপনা মধ্যবর্তী প্রকটতার কারণে ১:2:1 অনুপাত সৃষ্টি করে।
Option B Explanation:

প্রকট এপিস্ট্যাসিস (Recessive Epistasis) বোঝানো হয়:

  • অর্থ: এটি একটি জেনেটিক পরিস্থিতি যেখানে একটি জিনের প্রভাব অন্য একটি জিনের উপর সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ঢাকা দেয় বা অপ্রকাশ্য করে দেয়।
  • প্রভাব: দুইটি বা তার বেশি জিনের মধ্যে এ ধরনের সম্পর্ক থাকলে, কিছু জিনের বৈশিষ্ট্য শুধুমাত্র তখনই প্রকাশ পায় যখন নির্দিষ্ট জিনের দুটো অ্যালেল (উদাহরণস্বরূপ, দুটো recessive অ্যালেল) উপস্থিত থাকে।
  • উদাহরণ: কেসের ক্ষেত্রে, যদি কোনো জিনের recessive অ্যালেল (উদাহরণস্বরূপ, বর্ণের পরিবর্তন) সক্রিয় হয়, তবে অন্য জিনের প্রভাব সম্পূর্ণভাবে ঢেকে যায় বা অপ্রকাশ্য হয়।
  • প্রভাবের ফলাফল: এই প্রকারের এপিস্ট্যাসিসে, নির্দিষ্ট গুণের জন্য নির্দিষ্ট জিনের ডিপ্লয়মেন্ট বা প্রকাশ ঘটে না যতক্ষণ না recessive অ্যালেল দুটোই উপস্থিত হয়।
Option C Explanation:

এপিস্ট্যাসিস (Epistasis)

  • এপিস্ট্যাসিস হলো জেনেটিক ইন্টারঅ্যাকশনের এক প্রকার যেখানে এক জিনের প্রভাব অন্য জিনের প্রকাশের উপর প্রভাব ফেলে।
  • এতে একটি জিনের অস্থিরতা বা অভাব অন্য জিনের ফলাফল বা প্রকাশের উপর প্রভাব ফেলে, ফলে সাধারণ জিনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তিত হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি জিন অন্য একট??? জিনের কার্যকলাপের উপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করে, তবে ফলস্বরূপ জিনের নির্দিষ্ট প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট জিনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপরিহার্য হয়ে ওঠে।
  • এপিস্ট্যাসিসের কারণে সাধারণ 9:3:3:1 বা 1:2:1 ইত্যাদি জিনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তিত হয়ে অন্য রকম হতে পারে।
Option D Explanation: ```html
  • পলিজেনিক ইনহেরিট্যান্স (Polygenic Inheritance): এটি এমন একটি জেনেটিক ধারা যেখানে একাধিক জীন একত্রে একত্রে একটি বৈশিষ্ট্যের উপর প্রভাব ফেলে।
  • প্রতিটি জীন সাধারণত স্বতন্ত্রভাবে বৈশিষ্ট্যের উপর প্রভাব ফেলে, তবে একসাথে কাজ করে একটি জটিল বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, উচ্চতা, ত্বকের রঙ, এবং চেহারার বৈচিত্র্য এই ধরণের ইনহেরিট্যান্সের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে।
  • এটি মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ব্যতিক্রম কারণ মেন্ডেলের সূত্র সাধারণত এক জীন এক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রযোজ্য, যেখানে জীনসমূহ স্বাধীনভাবে প্রভাব ফেলে।
  • পলিজেনিক ইনহেরিট্যান্সে একাধিক জীন একসাথে কাজ করে, যা মেন্ডেলের একজোড়া জীন নিয়মের ব্যতিক্রম।
```