একটি মৌলিক পদার্থ বেশি স্থায়ী হয় যদি উহার পরমাণুর-
RUUnit-FSet-3রসায়ন প্রথম পত্রগুণগত রসায়নপরমাণুর মূল কণিকাসমূহ ও পারমাণবিক ভর (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
ইলেক্ট্রন ও প্রোটিনের সংখ্যা সমান
Explanation:

Another Explanation (5):
মৌলিক পদার্থের স্থিতিশীলতা: ইলেকট্রন ও প্রোটনের ভূমিকা ⚛️
একটি মৌলিক পদার্থ তখনই বেশি স্থিতিশীল হয় যখন তার পরমাণুতে ইলেকট্রন 🧪 এবং প্রোটনের ➕ সংখ্যা সমান থাকে। এর কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
স্থিতিশীলতার কারণসমূহ 🧐
- চার্জের ভারসাম্য ⚖️:
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটনগুলো ধনাত্মক (+) চার্জযুক্ত এবং কক্ষপথে থাকা ইলেকট্রনগুলো ঋণাত্মক (-) চার্জযুক্ত।
- যখন ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে, তখন পরমাণু সামগ্রিকভাবে চার্জ নিরপেক্ষ 😐 থাকে। এই চার্জ নিরপেক্ষতা পরমাণুকে স্থিতিশীল করে।
- চার্জের ভারসাম্যহীনতা পরমাণুকে অস্থির করে তোলে, যা আয়ন (ion) তৈরিতে উৎসাহিত করে।
- ইলেকট্রন বিন্যাস ইলেকট্রন শেল পূরন 🈵:
- ইলেকট্রনগুলো পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চারপাশে নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে (shell) ঘোরে।
- পরমাণুর স্থিতিশীলতার জন্য এই শক্তিস্তরগুলো সম্পূর্ণরূপে পূরণ হওয়া প্রয়োজন।
- যেমন: নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর (Noble gases) সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে, তাই তারা অত্যন্ত স্থিতিশীল। 🎈
- নিউক্লিয়াসের স্থিতিশীলতা 💪:
- নিউক্লিয়াসে প্রোটন এবং নিউট্রন থাকে। প্রোটনগুলোর মধ্যে বিকর্ষণ বল কাজ করা সত্ত্বেও নিউক্লিয়াস স্থিতিশীল থাকে নিউক্লিয়ার ফোর্সের কারনে ।
- ইলেকট্রন ও প্রোটনের সঠিক সংখ্যা নিউক্লিয়াসের সামগ্রিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখে।
ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যার প্রভাব 📊
| বৈশিষ্ট্য | ইলেকট্রন = প্রোটন | ইলেকট্রন ≠ প্রোটন |
|---|---|---|
| চার্জ | নিরপেক্ষ 😐 | আয়ন (+/-) ➕/➖ |
| স্থিতিশীলতা | স্থিতিশীল ✅ | অস্থির ❌ |
| প্রতিক্রিয়াশীলতা | কম 🔽 | বেশি 🔼 |
উদাহরণ 💡
- সোডিয়াম (Na): স্বাভাবিক অবস্থায় ১১টি ইলেকট্রন ও ১??টি প্রোটন থাকে এবং এটি স্থিতিশীল।
- সোডিয়াম আয়ন (Na+): যদি একটি ইলেকট্রন কমে যায়, তাহলে এটি Na+ आयনে পরিণত হয় যা ধনাত্মক চার্জযুক্ত এবং কম স্থিতিশীল।
পরিশেষে, পরমাণুর স্থিতিশীলতার জন্য ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান হওয়া অত্যাবশ্যক। এটি চার্জের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং পরমাণুকে স্থিতিশীল হতে সাহায্য করে। 🥳