ভিরয়েডস বলতে কি বুঝ? ব্যাকটেরিয়ার ৪টি বৈশিষ্ট্য লিখ। ২.৫
Explanation: ভিরয়েডস হলো এক সুত্রক বৃত্তাকার RNA অণু যা কয়েক শত নিউক্লিওটাইড নিয়ে গঠিত এবং ক্ষুদ্রতম ভাইরাস থেকেও বহুগুণে ক্ষুদ্র।ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য:
১। ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত ছোট আকারের জীব, সাধারণত ০.২-৫.০ μm(মাইক্রোমিটার) পর্যন্ত হয়ে থাকে, অর্থ্যাৎ এরা আণুবীক্ষণিক (microscopic)।২। এরা এককোষী জীব, তবে একসাথে অনেকগুলো কলোনি করে বা দল বেঁধে থাকতে পারে।৩। ব্যাকটেরিয়া আদিকেন্দ্রিক (প্রাককেন্দ্রিক = Prokaryotic) । কোষে 70S রাইবোসোম থাকে; কোনো ঝিল্লিবদ্ধ অঙ্গানু থাকে না।৪। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান পেপটিডোগ্লাইকান বা মিউকোপ্রোটিন, সাথে মুরামিক অ্যাসিড (Muramic acid) এবং টিকোয়িক অ্যাসিড (Teichoic acid) থাকে।৫। এদের বংশগতীয় উপাদান (genetic material) হলো একটি দ্বিসূত্রক, কার্যত বৃত্তাকার DNA অণুং, যা ব্যাকটেরিয়াল ক্রোমোসোম হিসেবে পরিচিত। এটি সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত, এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন-প্রোটিন থাকে না। ব্যাকটেরিয়া কোষে DNA অবস্থানের অঞ্চলকে নিউক্লিওয়েড অঞ্চল বলা হয়।৬। এদের বংশবৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া দ্বি-ভাজন (binary fission)। ব্যাক্টেরিয়ার দ্বিভাজন প্রক্রিয়ার সাধারণত ৩০ মিনিট সময় লাগে।৭। এদের কতক পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবী এবং কিছু স্বনির্ভর (autophytic)।৮। এরা সাধারণত বেসিক রং ধারণ করতে পারে (গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগিটিভ)।৯। ফায ভাইরাসের প্রতি এরা খুবই সংবেদনশীল।১০। এদের অধিকাংশই অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।১১। ব্যাকটেরিয়া প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য এন্ডোস্পোর বা অন্তরেণু গঠন করে। এ অবস্থায় এরা ৫০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।১২। এরা-১৭ ডিগ্রি থেকে ৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় বাঁচে।১৩। প্রকৃত ক্রোমোসোম না থাকায় মাইটোসিস ও মায়োসিস ঘটে না।১৪। এদের কতক বাধ্যতামূক অবায়বীয় (obligate anaerobes) অর্থাৎ অি·জেন থাকলে বাঁচতে পারে না। উদা: Clostridium। কতক সুবিধাবাদী অবায়বীয় (facultative anaerobes) অক্সিজেনের উপস্থিতিতেও বাঁচতে পারে। কতক বাধ্যতামূলক বায়বীয় (obligate aerobess) অর্থাৎ অি·জেন ছাড়া বাঁচতে পারে না। উদা: Azotobacter beijerinckia।নম্বর বণ্টন:ভিরয়েডস এর সংজ্ঞা লেখলে ০.৫ নম্বর।ব্যাকটেরিয়ার ৪টি বৈশিষ্ট্য লেখার জন্য (০.৫×৪) = ০২ নম্বর
১। ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত ছোট আকারের জীব, সাধারণত ০.২-৫.০ μm(মাইক্রোমিটার) পর্যন্ত হয়ে থাকে, অর্থ্যাৎ এরা আণুবীক্ষণিক (microscopic)।২। এরা এককোষী জীব, তবে একসাথে অনেকগুলো কলোনি করে বা দল বেঁধে থাকতে পারে।৩। ব্যাকটেরিয়া আদিকেন্দ্রিক (প্রাককেন্দ্রিক = Prokaryotic) । কোষে 70S রাইবোসোম থাকে; কোনো ঝিল্লিবদ্ধ অঙ্গানু থাকে না।৪। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের প্রধান উপাদান পেপটিডোগ্লাইকান বা মিউকোপ্রোটিন, সাথে মুরামিক অ্যাসিড (Muramic acid) এবং টিকোয়িক অ্যাসিড (Teichoic acid) থাকে।৫। এদের বংশগতীয় উপাদান (genetic material) হলো একটি দ্বিসূত্রক, কার্যত বৃত্তাকার DNA অণুং, যা ব্যাকটেরিয়াল ক্রোমোসোম হিসেবে পরিচিত। এটি সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত, এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন-প্রোটিন থাকে না। ব্যাকটেরিয়া কোষে DNA অবস্থানের অঞ্চলকে নিউক্লিওয়েড অঞ্চল বলা হয়।৬। এদের বংশবৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া দ্বি-ভাজন (binary fission)। ব্যাক্টেরিয়ার দ্বিভাজন প্রক্রিয়ার সাধারণত ৩০ মিনিট সময় লাগে।৭। এদের কতক পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবী এবং কিছু স্বনির্ভর (autophytic)।৮। এরা সাধারণত বেসিক রং ধারণ করতে পারে (গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগিটিভ)।৯। ফায ভাইরাসের প্রতি এরা খুবই সংবেদনশীল।১০। এদের অধিকাংশই অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।১১। ব্যাকটেরিয়া প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য এন্ডোস্পোর বা অন্তরেণু গঠন করে। এ অবস্থায় এরা ৫০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।১২। এরা-১৭ ডিগ্রি থেকে ৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় বাঁচে।১৩। প্রকৃত ক্রোমোসোম না থাকায় মাইটোসিস ও মায়োসিস ঘটে না।১৪। এদের কতক বাধ্যতামূক অবায়বীয় (obligate anaerobes) অর্থাৎ অি·জেন থাকলে বাঁচতে পারে না। উদা: Clostridium। কতক সুবিধাবাদী অবায়বীয় (facultative anaerobes) অক্সিজেনের উপস্থিতিতেও বাঁচতে পারে। কতক বাধ্যতামূলক বায়বীয় (obligate aerobess) অর্থাৎ অি·জেন ছাড়া বাঁচতে পারে না। উদা: Azotobacter beijerinckia।নম্বর বণ্টন:ভিরয়েডস এর সংজ্ঞা লেখলে ০.৫ নম্বর।ব্যাকটেরিয়ার ৪টি বৈশিষ্ট্য লেখার জন্য (০.৫×৪) = ০২ নম্বর