মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর 'পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরোহণের পরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সাথে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তাঁর অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত, হাতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।
'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়'- বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থানিক পট কোথায়?
- কোনটা ঠিক?
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- মোহাম্মদি বেগ কত টাকার বিনিময়ে নবাব সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?
- ধনকুবের উত্তম দেবনাথ তার চাচাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। সরল মনের মানুষ উত্তম দেবনাথ তাঁর ভাইকে বিশ্বাস করে ঠকেছেন। তিনি পুলিশের ভয়ে চোরের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর স্ত্রী মাধবী ছোটো সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘোরেন। তার স্বামীর যখন এ দুরবস্থা, তখন তার কীসের অহংকার, কীসের কষ্ট।উদ্দীপকের মাধবী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লুৎফা কোন দিক দিয়ে অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।বিশ্লেষণ করো।
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্রের করুণ পরিণতি আলোচনা করো।
- অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে দেশের জনমানুষ সুসংহত হতে থাকে। সকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শপথ নেয়। এ সময় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ প্রতিপক্ষের সাথে শলাপরামর্শ করে স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অথচ দেশবিরোধীরা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করে যে তারা দেশের স্বার্থে ও নেতার পক্ষে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আবার কেউ বলে, বাইবেলের কসম আমার জীবন দেশের কল্যাণে উৎসর্গকৃত।'দেশের স্বার্থ তারা জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চায়'- মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ’কেউ এক চুল নড়লে প্রাণ যাবে।’ সংলাপটি কার?
- 'শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।'- সপ্রসঙ্গ উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।উদ্দীপকের আজমত আলী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? -আলোচনা করো।
- ইংরেজরা পরাজিত হয়ে কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- বীথি ও সাথী দুই বোন। দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে বীথি যখন দেশে ফিরল তখন তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে বাবা তার সম্পত্তির কিছু অংশ সাথীকে দান করে যান। এই নিয়ে বীথি ভীষণ গোলযোগ সৃষ্টি করে। সে মনে করে বৃদ্ধ পিতাকে ভুলিয়ে সাথী সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে। সম্পত্তির জন্য সে ভয়ংকর হয়ে ওঠে এবং সাথীর কলেজপড়ুয়া ছেলের পেছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়।'বীথি ও সাথীর দ্বন্দ্ব নিতান্তই পারিবারিক। পক্ষান্তরে ঘসেটি বেগম ও সিরাজের দ্বন্দ্ব অনেকটা রাজনৈতিক ।'- উক্তিটি যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- পলাশির যুদ্ধে সিরাজের পতনের জন্য তার নিজেরযে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনেকখানি দায়ী, তা হলো-
- কাদায় আটকে পড়ে আর্তনাদরত এক ২ সিংহের প্রতি সদয় হয়ে তাকে উদ্ধার করে একজন পথচারী। কিন্তু পরক্ষণে সে পথচারীকে সিংহটি খেতে চায়।উদ্দীপকের সিংহ এবং 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মোহাম্মদি বেগ কোন অর্থে অভিন্ন?
- ঘসেটি বেগম কোন প্রাসাদে থাকতেন?
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- 'আমার অদৃষ্ট আর কল্যাণের মাঝখানে শুধু দেয়াল।'- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে উক্তিটি কার?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে শেষ সংলাপ কার?
- 'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' — সিরাজেরএই উক্তির কারণ, তিনি-