অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত স্যুগার হলো–
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরিপাক ও শোষণযকৃত ও পিত্তরস (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
গ্লাইকোজেন
Explanation:

Another Explanation (5):
অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার: গ্লাইকোজেন 📚
আমরা যখন অতিরিক্ত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার গ্রহণ করি, তখন আমাদের শরীর সেই অতিরিক্ত গ্লুকোজকে ভবিষ্যতের জন্য জমা করে রাখে। এই জমা হওয়া গ্লুকোজ লিভারে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চিত থাকে। নিচে গ্লাইকোজেন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
গ্লাইকোজেন কী? 🤔
- গ্লাইকোজেন হলো গ্লুকোজের পলিমার, যা প্রাণী এবং ছত্রাকের মধ্যে শক্তি সঞ্চয়ের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- এটি অনেকটা স্টার্চের মতো, যা উদ্ভিদের মধ্যে গ্লুকোজ সঞ্চয় করে রাখে।
- গ্লাইকোজেন লিভার এবং মাংসপেশিতে জমা থাকে।
গ্লাইকোজেন তৈরির প্রক্রিয়া (গ্লাইকোজেনেসিস): 🧪
- খাবার হজম হওয়ার পর গ্লুকোজ রক্তে প্রবেশ করে।
- ইনসুলিন হরমোন গ্লুকোজকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে সাহায্য করে।
- লিভার এবং মাংসপেশির কোষগুলো গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত করে।
- এই প্রক্রিয়ার নাম গ্লাইকোজেনেসিস।
গ্লাইকোজেনের কাজ: 💪
- রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
- প্রয়োজনের সময় গ্লুকোজ সরবরাহ করা।
- শারীরিক কার্যকলাপের জন্য শক্তি সরবরাহ করা। 🏃♀️
গ্লাইকোজেন ভাঙার প্রক্রিয়া (গ্লাইকোজেনোলাইসিস): 💥
- যখন শরীরে গ্লুকোজের অভাব হয়, তখন গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয়।
- এই প্রক্রিয়াটি গ্লাইকোজেনোলাইসিস নামে পরিচিত।
- গ্লুকাগন হরমোন এই প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।
গ্লাইকোজেন সঞ্চয়ের গুরুত্ব: 🌟
গ্লাইকোজেন আমাদের শরীরে শক্তি সঞ্চয় করে রাখে এবং প্রয়োজনের সময় সরবরাহ করে। এটি আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
গ্লাইকোজেন সম্পর্কিত কিছু তথ্য: 📊
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| সঞ্চয়ের স্থান | লিভার (প্রায় ১০০ গ্রাম) এবং মাংসপেশি (প্রায় ৫০০ গ্রাম) |
| রাসায়নিক গঠন | গ্লুকোজ পলিমার |
| গুরুত্ব | শক্তি সঞ্চয় এবং গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ |
উপসংহার: 🎉
গ্লাইকোজেন আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান। এটি অতিরিক্ত গ্লুকোজকে ভবিষ্যতের জন্য জমা রাখে এবং প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করতে সাহায্য করে। তাই, আমাদের শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা দরকার।
আশা করি, এই আলোচনা থেকে গ্লাইকোজেন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 👍
Option A Explanation:
- প্রবেশের প্রক্রিয়া: গ্লুকোজ সাধারণত কোষঝিল্লি দিয়ে প্রবেশ করে মূলত সক্রিয় এবং অর্ধসক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে।
- প্রধান পরিবহন পদ্ধতি: ফ্যাসিলিটেড ডিফিউজন (Facilitated Diffusion) দ্বারা গ্লুকোজ সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
- প্রয়োজনীয়তা: শরীরের শক্তির জন্য গ্লুকোজ গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তবে এটি সহজে অতিক্রম করতে পারে না কারণ এটি জলদ্রবী এবং বড় আকারের পণ্য।
- কোষঝিল্লির সীমাবদ্ধতা: কোষঝিল্লি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করে, তাই গ্লুকোজের মতো বড় বা জলদ্রবী molecules এর জন্য বিশেষ পরিবহন প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
Option B Explanation:
- প্রকার: Monosaccharide (একক শর্করা)
- সাধারণ নামে: ফ্রুকোজ বা ফ্রুক্টোজ
- গবেষণা: প্রাকৃতিক উৎসে পাওয়া যায় যেমন ফলমূল, মধু, শস্য ইত্যাদি।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: খুবই মিষ্টি স্বাদযুক্ত এবং সহজে শরীরে শোষিত হয়।
- রাসায়নিক গঠন: C₆H₁₂O₆, যা গ্লুকোজের সমান, তবে অণুর গঠন ভিন্ন।
- ব্যবহার: খাদ্য শিল্পে মিষ্টি স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, পাশাপাশি কিছু ওষুধে উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
- গ্লাইকোজেন: গ্লাইকোজেন হলো একটি স্টোরেজ ফর্ম যা মূলত লিভার এবং মাসল টিস্যুতে সংরক্ষিত হয়। এটি কার্বোহাইড্রেটের একটি পলিমার, যা দ্রুত শক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে যখন শরীরের অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়। গ্লাইকোজেন শরীরের শক্তির পর্যাপ্ত সংস্থান হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ বা প্রচণ্ড শারীরিক পরিশ্রমের সময়।
Option D Explanation:
- সুক্রোজ: এটি একটি সাধারণ শর্করা বা চিনি যা গ্লুকোজ এবং ফ্রুকটোজ থেকে গঠিত। এটি প্রাথমিকভাবে খাদ্যশস্য, ফলমূল, ও কিছু সবজিতে পাওয়া যায়।
- প্রধান কাজ: সুক্রোজ শরীরে শক্তির জন্য দ্রুত অণুবীক্ষণ বা ভাঙন ঘটায়, যা বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জন্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ডিসাক্কারাইড, অর্থাৎ দুটি সাধারণ শর্করার সংযোগ। এটি পানিতে দ্রবণীয় এবং মিষ্টি স্বাদের।
- অন্য ব্যবহার: খাদ্যশস্যের মধ্যে এটি একটি মূল শর্করা হিসেবে কাজ করে এবং খাদ্যশস্যের স্বাদ ও পুষ্টিমান বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।