পরাগরেণু তৈরী হয় কোন কোষে?
RUUnit-FSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননপুংগ্যামিটোফাইটের বিকাশ ও গঠন (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
পুংজনন মাতৃকোষ
Explanation:

Another Explanation (5):
পরাগরেণু উৎপাদন: পুংজনন মাতৃকোষের ভূমিকা 🌼
পরাগরেণু হলো উদ্ভিদের বংশবিস্তারের জন্য অপরিহার্য। এটি মূলত পুংজনন মাতৃকোষ (Microspore Mother Cell) থেকে উৎপন্ন হয়। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
পরাগরেণু কিভাবে তৈরি হয়? 🧐
- পুংজনন মাতৃকোষ (Microspore Mother Cell): এটি পরাগধানীর মধ্যে অবস্থিত ডিপ্লয়েড (2n) কোষ।
- মিয়োসিস (Meiosis): পুংজনন মাতৃকোষ মিয়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভাজিত হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) মাইক্রোস্পোর বা পরাগরেণু উৎপন্ন করে। 🧬
- মাইক্রোস্পোর থেকে পরাগরেণু: প্রতিটি মাইক্রোস্পোর পরবর্তীতে আরো বিভাজিত ও বিকশিত হয়ে পরাগরেণুতে পরিণত হয়।
পরাগরেণু উৎপাদনে পুংজনন মাতৃকোষের গুরুত্ব 🎯
- পরাগরেণু তৈরির উৎস: পুংজনন মাতৃকোষ সরাসরি পরাগরেণু উৎপাদনে অংশ নেয়।
- হ্যাপ্লয়েড পরাগরেণু: মিয়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড পরাগরেণু তৈরি করে, যা নিষেক প্রক্রিয়ার জন্য জরুরি।
- বৈচিত্র্য সৃষ্টি: মিয়োসিসের সময় ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে জিনগত বৈচিত্র্য তৈরি হয়, যা নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত পরাগরেণু সৃষ্টি করে। 🌱
পরাগরেণু গঠন প্রক্রিয়া 📊
| কোষের নাম | ক্রোমোজোম সংখ্যা | প্রক্রিয়া | ফলাফল |
|---|---|---|---|
| পুংজনন মাতৃকোষ (Microspore Mother Cell) | ডিপ্লয়েড (2n) | মিয়োসিস | ৪টি হ্যাপ্লয়েড মাইক্রোস্পোর (n) |
| মাইক্রোস্পোর (Microspore) | হ্যাপ্লয়েড (n) | পরিপক্কতা ও বিভাজন | পরাগরেণু (Pollen Grain) |
পরাগরেণুর গঠন 🌸
- বহিস্ত্বক (Exine): এটি স্পোরোপোলেনিন নামক কঠিন পদার্থ দিয়ে গঠিত, যা পরাগরেণুকে প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করে। 💪
- অন্তস্ত্বক (Intine): এটি সেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত এবং এটি পরাগরেণুর ভেতরের স্তর।
- জনন রন্ধ্র (Germ Pore): এই রন্ধ্র দিয়ে পরাগনালিকা নির্গত হয়।
পরাগরেণুর কাজ 🌻
- নিষেক: স্ত্রী জননকোষের সাথে মিলিত হয়ে ভ্রূণ তৈরি করে।
- বংশবিস্তার: উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে।
- জিনগত বৈশিষ্ট্য বহন: এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে জিনগত বৈশিষ্ট্য বহন করে নিয়ে যায়। 🧬
সুতরাং, পুংজনন মাতৃকোষ পরাগরেণু তৈরির মূল উৎস এবং উদ্ভিদের বংশবিস্তারে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 🏵️
Option A Explanation:
- আদিকোষ: আদিকোষ হল মূল কোষ বা প্রাথমিক কোষ যা অন্যান্য কোষের বিকাশের জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এই কোষগুলো সাধারণত জীবের মূল গঠন ও বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন ধরনের কোষে রূপান্তরিত হতে পারে।
- প্রাকৃতিকভাবে, আদিকোষগুলো মূলত সূক্ষ্ম গঠনের মাধ্যমে প্রাণীর ও উদ্ভিদ জীবের মূল স্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।
Option B Explanation:
- পুংজননকোষ: এই কোষটি মূলত পুরুষের শুক্রাণু তৈরির জন্য দায়ী।
- এটি সাধারণত শুক্রাশয় (অ্যড্রোস) বা শুক্রাণু গ্রন্থিতে উৎপন্ন হয়।
- পুংজননকোষের মূল কাজ হলো শুক্রাণু বা শুক্রানু কোষ তৈরি করা, যা পরবর্তীতে স্ত্রীলিঙ্গের ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে মানব জন্??ের প্রক্রিয়াকে সম্পন্ন করে।
- এটি মাইটোসিসের মাধ্যমে বিভাজিত হয় এবং শুক্রাণু হিসেবে পরিণত হয়।
Option C Explanation:
- প্রকৃত কোষ:
- প্রকৃত কোষ হলো জীবন্ত জীবের শরীরের মূল কোষ বা সাধারণ কোষ যা বিভিন্ন ধরনের কোষের জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
- এটি জীবের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রকৃত কোষে ডিএনএ (DNA) থাকে, যা জেনেটিক ইনফরমেশন বহন করে।
- এটি জীবের বৃদ্ধি, বিকাশ, পুনরুত্পাদন এবং রক্ষণাবেক্ষণে অংশগ্রহণ করে।
- প্রকৃত কোষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কোষ থাকতে পারে, যেমন: স্নায়ুকোষ, পেশী কোষ, মাছের কোষ ইত্যাদি।
Option D Explanation:
- পুংজনন মাতৃকোষ: এটি একটি বিশেষ কোষ যা পরাগরেণু তৈরির জন্য দায়ী।
- এটি শুক্রাণু কোষের মূল উৎস, যা পরবর্তীতে শুক্রাণু হিসেবে উন্নত হয়।
- পুংজনন মাতৃকোষ সাধারণত অঙ্কুরোৎপাদন গর্ভাশয়ে অবস্থান করে এবং এটি pollen grain এর অংশ হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
- এই কোষের মাধ্যমে শুক্রাণু তৈরি হয়, যা অঙ্কুরোৎপাদন প্রক্রিয়ার অংশ।