দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর তাজু গ্রামে ফিরে বড় রাস্তার
তেঁতুল গাছটির নিচে আস্তানা গড়ে তোলে। তার মাথায় জট
লাল লাল চোখ। সে নিজেকে অলৌ???িক পুরুষ বলে পরিচয়
দেয়। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মূর্খ লোকেরা তার কাছে চিকিৎসা নেয়।
অল্পদিনের মধ্যে সম্পদে আর প্রভাবে তাজু ফুলে-ফেঁপে
ওঠে। তার কাজে সহায়ক হয় প্রভাবশালী গ্রাম্য তরুণ জুলফিকার।
তার ভয়ে তাজুর ভণ্ডামির প্রতিবাদ কেউ করে না।
'লালসালু'র মজিদ চরিত্রের যে দিকটি তাজু চরিত্রে
স্পষ্ট নয়, তাহলো-
A.
অস্তিত্বকামী
B.
লিবিডো
C.
দারিদ্র্য
D.
ধর্ততা
সঠিক উত্তরঃ
B.
লিবিডো
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- করিম মুন্সীর স্ত্রী মোমেনা বেশ সহজ-সরল। স্বামীর প্রতিতার বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা প্রবল। সাধারণ মানুষেরসারল্য ও খোদাভীতিকে পুঁজি করে তার স্বাম?? তাবিজ বিক্রিকরে এবং পানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।উদ্দীপকের করিম মুন্সী ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েরই ব্যাবসার উৎস হলো— প্রতারণা মানুষের সরলতাধর্মভীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা' কথাটি কখন ও কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে।
- 'লালসালু' উপন্যাসের লেখক কি উন্মোচন করেছেন?
- গ্রামের মানুষের চিকিৎসাহীনতার কথা বিবেচনা করে প্রবাসীবিত্তবান তরুণ স্বপন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য সকলেরসাথে যোগাযোগ শুরু করলে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার আরকবিরাজ কটকৌশলে স্বপনকে নানাভাবে হেনস্থা করে।উদ্দীপকের স্বপন 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রকেস্মরণ করায়?
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের রমজান ও 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর মধ্যে বিদ্যমান সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- বাংলা ভাষায় উপন্যাস লেখায় সূচনা ঘটে কোন শতকে?
- দরিদ্র বালক সবুজের তিন কুলে কেউ নেই। পেটের দায়ে লঞ্চঘাটে গিয়ে পাঁচ টাকার বিনিময়ে একজনের ব্যাগ মাথায় নিতেই পুরোনো কুলিরা তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। সবুজ দমে না গিয়ে সেখানে শেকড় গাড়ার চেষ্টা করে। একসময় সে কুলিদের সর্দার হয়। তাতেও সে নিশ্চিন্ত হতে পারে না। বিশাল এ দুনিয়ায় সে অর্থবিত্ত অর্জনের পাশাপাশি প্রভাব, প্রতিপত্তি ও আধিপত্যের নেশায় মেতে ওঠে। পরবর্তীতে তার সব হয়। এখন আর কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের মানুষের অস্তিত্ব সংকট এবং তা হতে উত্তরণের প্রয়াস পরিলক্ষিত হয়।"- বিচার কর।
- বটতলী গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুংসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে মুনির কলেজে লেখাপড়া করে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করতে সে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় করতে চায়। এ বিষয়ে গ্রামে সভা বসলে, গ্রামের মাতব্বর এ প্রস্তাবে খুশি হয়ে মুনিরকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।উদ্দীপকের মুনির চরিত্র 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার ওপর তোয়াক্কল রাখো।' ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের সংলাপে কোন অঞ্চলের ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে?
- আমেনা বিবি কোন দিন রোজা রাখে?
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।উদ্দীপকের টুনির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রটির সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের 'মাছের পিঠের মতো মাজার'বলতে রূপক অর্থে বোঝানো হয়েছে—
- “শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি"- এই উক্তিটি করা হয়েছে-
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে'- ব্যাখ্যা কর।
- চোখে তার তেমনি শিকারির সূচাগ্র একাগ্রতা'- বুঝিয়ে লেখো।
- ‘অন্তরের শক্তিতে মজিদ ব্যাপারটি জানতে পেরেছেসে কথা সে বিশ্বাস করে না।'— 'লালসালু' উপন্যাসে,সে কথা বিশ্বাস করে না কে?
- মজিদ কিভাবে মহব্বতনগর গ্রামে শিকড় গেড়েছিল?
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।"উদ্দীপকের টুনি' চরিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সামগ্রিক দিক উন্মোচিত হয়নি।"- মূল্যায়ন, করো।