জেনেটিক্যালি মডিফাইড M-37-
JUUnit-DSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননউদ্ভিদের কৃত্রিম প্রজনন (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
গম
Explanation: জেনেটিক্যালি মডিফাইড M-37 হলো গম।
Another Explanation (5):
প্রশ্ন: জেনেটিক্যালি মডিফাইড M-37-
উত্তর: গম 🌾
বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা:
জেনেটিক্যালি মডিফাইড (Genetically Modified - GM) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়ে বিভিন্ন ফসলের গুণগত মান, উৎপাদন ক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়। M-37 হল একটি জেনেটিক্যালি মডিফাইড গম (Wheat) প্রজাতি। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে গমের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য উন্নত করা হয়, যেমনঃ
- বাড়তি উৎপাদন ক্ষমতা 🌱
- রোগ ও কীটপতঙ্গের প্রতিরোধ 🐞
- অতিরিক্ত শুকনো বা আর্দ্রতার সহনশীলতা ☀️💧
বিশ্লেষণ টেবিল:
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| প্রজাতি | জেনেটিক্যালি মডিফাইড গম (GM Wheat) 🌾 |
| নাম | M-37 |
| উন্নতিগুলি | উৎপাদন বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, আবহাওয়া সহনশীলতা |
এতে আরও বলা যায় যে, জেনেটিক্যালি মডিফাইড গমের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও কৃষি উৎপাদন শক্তিশালী করা সম্ভব 💪🌍। তবে এর ব্যবহারে কিছু সতর্কতা ও পরিবেশগত প্রভাবও বিবেচনায় রাখতে হয়।
Option A Explanation:
- ধান (Oryza sativa)
- এটি একটি C4 উদ্ভিদ, যার অর্থ হলো এটি একটি C4 প্রক্রিয়ায় ফটোসিনথেসিস করে।
- সাধারণত, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্যের মধ্যে একটি, যা উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে ভাল বৃদ্ধি পায়।
- এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর পাতার গড়া এবং রঙের বৈচিত্র্য, যা সূর্যরশ্মির তাপ ও আলোতে কার্যকরভাবে ফটোসিন্থেসিস করতে সক্ষম।
- প্রধানত, ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলন উচ্চ মানের খাদ্যশস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- গম হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ শস্য যা প্রধানত শুষ্ক ও ঠাণ্ডা পরিবেশে উন্নত হয়।
- এটি C4 উদ্ভিদ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি উচ্চ শোষণ ক্ষমতা ও কম পানি ব্যবহার করে Photosynthesis করে।
- Gমের Photosynthesis প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইডের শোষণ ও রঙিন জৈব যৌগের উৎপাদন বেশি হয়, যা বেশি সূর্যালোক শোষণের জন্য উপযুক্ত।
- এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং উচ্চ ফলন দেয়, বিশেষ করে উষ্ণ ও শুষ্ক অঞ্চলে।
- Gমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি C4 পদ্ধতিতে Photosynthesis করে, যা শাকসবজি ও খাদ্যশস্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ???
Option C Explanation:
- নাম: কলা
- প্রকার: পার্থেনোকার্পিক ফল
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কলার ফল সাধারণত পুরুষোত্তর বা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে এবং জিবেরেলিন নামক ফাইটোহরমোনের প্রয়োগে এটি পার্থেনোকার্পিক রূপে পরিণত হয়।
- উৎপত্তি: এই প্রক্রিয়ায় কলা ফলের গাছের নির্দিষ্ট অংশে জিবেরেলিন প্রয়োগ করে ফলের স্বাভাবিক জন্মের সময় ছাড়াই ফলের বৃদ্ধি ঘটানো হয়।
- ব্যবহার: কৃষি গবেষণা এবং ফলের উৎপাদনে এই প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় যাতে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ফলের মান নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
Option D Explanation:
- উদ্ভিদ: পাট
- নাম: লুসিফারেজ
- প্রয়োগ: দ্যুতিময় উদ্ভিদ সৃষ্টিতে
- বিশেষতা: এই এনজাইমটি পাটের মধ্যে দ্যুতিময় (জ্যোতিলতাকৃতি) বৈশিষ্ট্য উদ্ভাসিত করতে ব্যবহৃত হয়।