A ও B এর তড়িৎ ঋণাত্মকতার মান যথাক্রমে 2.1 ও 2.5 হল A ও B দ্বারা গঠিত যৌগ-
- পোলার
- অপোলার
- সমযোজী
কোনটি সঠিক?
রসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনগলনাঙ্ক-স্ফুটনাঙ্ক ও পরমানুর আকার (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
C.
ii, iii
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
A ও B দ্বারা গঠিত যৌগের প্রকৃতি বিশ্লেষণ 🧪
A ও B নামক দুটি মৌলের তড়িৎ ঋণাত্মকতার মান যথাক্রমে 2.1 এবং 2.5। এই তথ্যের ভিত্তিতে যৌগটি পোলার, অপোলার নাকি সমযোজী হবে, তা নির্ণয় করা যাক। 🤔
তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য 🧮
দুটি মৌলের মধ্যে তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য যৌগটির প্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য = |2.5 - 2.1| = 0.4
বিভিন্ন প্রকার যৌগের বৈশিষ্ট্য 📝
- পোলার যৌগ (Polar Compound): তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য 0.4-এর বেশি হলে সাধারণত পোলার যৌগ গঠিত হয়। এক্ষেত্রে, বন্ধনে ইলেকট্রন যুগল কোনো একটি পরমাণুর দিকে বেশি আকৃষ্ট থাকে। ➕/➖
- অপোলার যৌগ (Nonpolar Compound): তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য 0 হলে অথবা খুবই কম হলে অপোলার যৌগ গঠিত হয়। এক্ষেত্রে, বন্ধনে ইলেকট্রন যুগল সমানভাবে বণ্টিত থাকে। ↔️
- সমযোজী যৌগ (Covalent Compound): অধাতু পরমাণুগুলোর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে যে যৌগ গঠিত হয়, তাকে সমযোজী যৌগ বলে।
সিদ্ধান্ত 💡
যেহেতু A ও B এর তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য 0.4, যা খুব বেশি নয়, তাই যৌগটি:
- পোলার হওয়ার সম্ভাবনা কম (কারণ পার্থক্য সামান্য)। 👎
- সমযোজী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি (অধাতুগুলোর মধ্যে গঠিত)।🤝
- তবে একেবারে অপোলার বলা যায় না।
সুতরাং, উত্তরটি হল: ii ও iii। ✅
ফলাফল টেবিল আকারে 📊
| বৈশিষ্ট্য | মান | যৌগের প্রকৃতি |
|---|---|---|
| A এর তড়িৎ ঋণাত্মকতা | 2.1 | |
| B এর তড়িৎ ঋণাত্মকতা | 2.5 | |
| পার্থক্য | 0.4 | সমযোজী (সম্ভাব্য) |
আশা করি, ব্যাখ্যাটি বোধগম্য হয়েছে। 😊
আরও জানতে চান? 🤔📚
```