২০১৮ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ডেনিস মুকওয়েগে ও নাদিয়া মুরাদ কোন দেশের নাগরিক?
CUUnit-BSet-2সাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকপুরষ্কার ও সম্মাননানোবেল পুরস্কার (শান্তি ২০১৮) (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
কঙ্গো ও ইরাক
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
২০১৮ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী: ডেনিস মুকওয়েগে ও নাদিয়া মুরাদ
২০১৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয় ডেনিস মুকওয়েগে ও নাদিয়া মুরাদকে। তারা দুজনেই যুদ্ধ ও সংঘর্ষে যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার পান।
বিজয়ীদের পরিচিতি
- ডেনিস মুকওয়েগে: কঙ্গোর একজন ধাত্রী এবং স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ।
- নাদিয়া মুরাদ: ইরাকের ইয়াজিদি মানবাধিকার কর্মী।
তাদের কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
- ডেনিস মুকওয়েগে: ডেনিস মুকওয়েগে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (DRC) নারীদের উপর হওয়া যৌন সহিংসতার শিকারদের জন্য বছরের পর বছর ধরে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন। তিনি Panzi Hospital প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে ধর্ষিত নারীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। 👩⚕️
- নাদিয়া মুরাদ: নাদিয়া মুরাদ একজন ইয়াজিদি নারী, যিনি ISIS কর্তৃক বন্দি ও যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ISIS-এর নৃশংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং যুদ্ধ ও সংঘর্ষে যৌন সহিংসতার শিকারদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেন। 🗣️
দেশভিত্তিক পরিচয়
| বিজয়ীর নাম | দেশ | গুরুত্বপূর্ণ তথ্য |
|---|---|---|
| ডেনিস মুকওয়েগে | কঙ্গো 🇨🇩 | যুদ্ধে যৌন সহিংসতার শিকার নারীদের চিকিৎসা সেবাদানকারী চিকিৎসক। |
| নাদিয়া মুরাদ | ইরাক 🇮🇶 | মানবাধিকার কর্মী, যিনি যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন এবং এর বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী প্রচার চালাচ্ছেন। |
পুরস্কারের তাৎপর্য
এই পুরস্কার যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষের সময়ে যৌন সহিংসতাকে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা দেয়। এটি একই সাথে এই সহিংসতার শিকার হওয়া নারীদের প্রতি সম্মান জানায় এবং তাদের অধিকারের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করে। 👍
অতিরিক্ত তথ্য
জাতিসংঘের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যৌন সহিংসতা একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন। 😥
যোগাযোগ
আরও তথ্যের জন্য নোবেল পুরস্কারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন: www.nobelprize.org
তাদের কাজ মানবতাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। 💖
```