কোনটি স্তন্যপায়ী প্রাণী?
NursingBSCজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসপ্রাণীবৈচিত্র্য ও প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
তিমি
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
তিমি কেন স্তন্যপায়ী প্রাণী? 🐳
তিমি একটি জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী। মাছের মতো জলজ পরিবেশে বাস করলেও, তিমির মধ্যে স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। নিচে কয়েকটি বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:
স্তন্যপায়ী প্রাণীর বৈশিষ্ট্য এবং তিমি
- শ্বাস-প্রশ্বাস: স্তন্যপায়ী প্রাণীরা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়। তিমিরও ফুসফুস আছে এবং এটি শ্বাস নেওয়ার জন্য জলের উপরে ভেসে ওঠে। 🌬️
- বাচ্চা প্রসব: স্তন্যপায়ী প্রাণীরা সাধারণত বাচ্চা প্রসব করে। তিমি ডিম পাড়ে না, সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়। 🤰
- দুধ পান করানো: স্তন্যপায়ী প্রাণীরা তাদের বাচ্চাদের দুধ পান করায়। স্ত্রী তিমি তার বাচ্চাকে দুধ পান করিয়ে বড় করে তোলে। 🤱🍼
- ত্বকে লোম: স্তন্যপায়ী প্রাণীদ???র শরীরে লোম থাকে। যদিও তিমির শরীরে জন্মের সময় কিছু লোম থাকে, যা পরে ঝরে যায়, কিন্তু এটি স্তন্যপায়ী হওয়ার একটি বৈশিষ্ট্য। 🦭
- হৃৎপিণ্ড: স্তন্যপায়ী প্রাণীদের হৃদপিণ্ডে চারটি প্রকোষ্ঠ থাকে। তিমিরও চারটি প্রকোষ্ঠযুক্ত হৃদপিণ্ড বিদ্যমান। ❤️
- উষ্ণ রক্ত: স্তন্যপায়ী প্রাণীরা উষ্ণ রক্তের অধিকারী। তিমি একটি উষ্ণ রক্তের প্রাণী, যা পরিবেশের তাপমাত্রার সাথে নিজের শরীরের তাপমাত্রা পরিবর্তন করতে পারে। 🔥
বৈশিষ্ট্যসমূহের তুলনামূলক তালিকা
| বৈশিষ্ট্য | স্তন্যপায়ী প্রাণী | তিমি |
|---|---|---|
| শ্বাস-প্রশ্বাস | ফুসফুস | ফুসফুস |
| প্রজনন | বাচ্চা প্রসব | বাচ্চা প্রসব |
| দুধ পান করানো | হ্যাঁ | হ্যাঁ |
| লোম | সাধারণত থাকে | জন্মের সময় থাকে |
| হৃৎপিণ্ড | চারটি প্রকোষ্ঠ | চারটি প্রকোষ্ঠ |
| রক্ত | উষ্ণ | উষ্ণ |
উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, তিমি মাছের মতো জলজ প্রাণী হলেও, এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। 🐬🌊
আরও জানতে:
তিমি - উইকিপিডিয়া 📚 ```Option A Explanation:
- প্রাণীর শ্রেণীবিভাগ: তিমি হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী, অর্থাৎ এটি স্তন্যপান করে ও উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট।
- অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: তিমির শরীরের অভ্যন্তরে গাত্রস্থ স্তনগ্রন্থি (মাস্ট), যা সন্তানকে দুধ খাওয়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- জীবনযাত্রা: পানিতে বাস করে এবং জলজ পরিবেশে জীবনযাপন করে।
- প্রজাতি: বিভিন্ন প্রজাতির তিমি পাওয়া যায়, যেমন ব্লু তিমি, হাম্পব্যাক তিমি ইত্যাদি।
- আকার: সাধারণত তিমির আকার অনেক বড় হয়, যা বিশ্বের বৃহত্তম প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
Option B Explanation:
হাঙ্গর
- প্রাণীর ধরন: মাছ
- শারীরিক বৈশিষ্ট্য: স্কেলেট কংক্রিট, দেহের গঠন শক্ত ও ধারালো দাঁতযুক্ত
- জীবনযাত্রা: জলজ প্রাণী, সমুদ্র ও মহাশূন্যে বাস করে
- উৎপত্তি: প্রাচীনকালীন মাছ, প্রায় ৪৫৫ মিলিয়ন বছর পুরানো
- প্রজনন: বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে প্রজনন হয়, যেমন ডিম পাড়া বা জীবন্ত জন্ম
Option C Explanation:
কচ্ছপের হৃৎপিণ্ডের বৈশিষ্ট্য
- সম্পূর্ণ চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড: কচ্ছপের হৃৎপিণ্ড পুরোপুরি চার প্রকোষ্ঠে বিভক্ত, যা রক্তের সঠিক বিভাজন ও অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনবিহীন রক্তের বিভাজন নিশ্চিত করে।
- বৈশিষ্ট্য: এই বৈশিষ্ট্যটি কচ্ছপকে অন্যান্য কিছু রিপটাইলের থেকে আলাদা করে, কারণ বেশিরভাগ রিপটাইলের হৃৎপিণ্ডের বিভাজন সম্পূর্ণ নয় বা আংশিক।
- উপকারিতা: এই সম্পূর্ণ বিভাজন রক্তের প্রবাহে উন্নততা আনে, যার ফলে তাদের শারীরিক কার্যকলাপ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- উপস্থাপন: কচ্ছপের এই হৃৎপিণ্ডের বৈশিষ্ট্য তাদের জন্য বিশেষ উপকারী, কারণ এটি তাদের জীবনযাত্রার বিভিন্ন পরিবেশে অভিযোজন সহজ করে।
Option D Explanation:
- প্রাণী: কুমির
- শ্রেণী: উভচর
- কর্ডেট: হ্যাঁ, কুমিরের কর্ডেট (প্রান্তিক অস্থি) থাকে।
- মেরুদণ্ডী: হ্যাঁ, কুমিরের মেরুদণ্ড আছে, যা তার শরীরের মূল স্পাইনাল কলাম।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কুমিরের দেহে শক্তিশালী দন্ত, লম্বা লেজ ও শক্তিশালী দেহ গঠন রয়েছে। এটি জল ও স্থল উভয়ে চলাফেরা করতে সক্ষম।