দ্বিনিষেক কোন উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য?
CVASUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রনগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদনগ্নবীজী উদ্ভিদ বা জিমনোস্পার্ম (Topic Practice)CVASU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
অ্যানজিওস্পার্ম
Explanation:

Another Explanation (5):
দ্বিনিষেক: অ্যানজিওস্পার্মের বৈশিষ্ট্য 🌺🌱
দ্বিনিষেক (Double fertilization) হলো একটি জটিল নিষেক প্রক্রিয়া, যা শুধুমাত্র অ্যানজিওস্পার্ম বা আবৃতবীজী উদ্ভিদের মধ্যে দেখা যায়। এটি এই উদ্ভিদের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
দ্বিনিষেক কী? 🤔
দ্বিনিষেক প্রক্রিয়ায়, একটি পরাগনালীর মাধ্যমে দুটি পুংগ্যামেট (পুরুষ জননকোষ) ডিম্বাণুর কাছে আসে। এর মধ্যে:
- একটি পুংগ্যামেট ডিম্বাণুর (Egg cell) সাথে মিলিত হয়ে ভ্রূণ (Embryo) তৈরি করে। 👶
- অপর পুংগ্যামেটটি গৌণ নিউক্লিয়াস (Secondary nucleus) এর সাথে মিলিত হয়ে শস্য (Endosperm) তৈরি করে, যা ভ্রূণের খাদ্য সরবরাহ করে। 🌾
অ্যানজিওস্পার্মের বৈশিষ্ট্য 🌷
- এরা ফুল উৎপন্ন করে। 🌸
- এদের বীজ ফলের মধ্যে আবৃত থাকে। 🍎
- দ্বিনিষেক এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ✅
- এদের পরিবহন তন্ত্র উন্নত। 🚚
- পরিবেশের সাথে দ্রুত অভিযোজন করতে পারে। 🌍
দ্বিনিষেকের গুরুত্ব 🌟
দ্বিনিষেক অ্যানজিওস্পার্ম উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর কিছু উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব নিচে উল্লেখ করা হলো:
- ভ্রূণের সুষম বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। 📈
- শস্য তৈরি হওয়ায় ভ্রূণ পর্যাপ্ত খাদ্য পায়। 🍉
- বীজের অঙ্কুরোদগমের হার বৃদ্ধি করে। 🌱
- নতুন বৈশিষ্ট্য সমন্বিত উদ্ভিদ তৈরি হতে পারে। 🧬
দ্বিনিষেক প্রক্রিয়া 🔬
| পর্যায় | বর্ণনা |
|---|---|
| পরাগরেণু অঙ্কুরণ | পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পতিত হওয়ার পর অঙ্কুরিত হয় এবং পরাগনালী তৈরি করে। 🌬️ |
| পরাগনালীর বৃদ্ধি | পরাগনালী ডিম্বাশয়ের দিকে অগ্রসর হয়। 🚶♀️ |
| ডিম্বাণুতে প্রবেশ | পরাগনালী ডিম্বাণুর মধ্যে প্রবেশ করে এবং দুটি পুংগ্যামেট অবমুক্ত করে। 🔑 |
| নিষেক | একটি পুংগ্যামেট ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে এবং অন্যটি গৌণ নিউক্লিয়াসকে নিষিক্ত করে। 🎯 |
| ভ্রূণ ও শস্য গঠন | নিষিক্ত ডিম্বাণু থেকে ভ্রূণ এবং গৌণ নিউক্লিয়াস থেকে শস্য গঠিত হয়। 📦 |
উদাহরণ 🌻
অ্যানজিওস্পার্মের উদাহরণ:
- ধান 🍚
- গম 🌾
- আম 🥭
- কাঁঠাল 🍍
- জবা 🌺
আশা করি, দ্বিনিষেক সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে।Happy learning! 📚😊