তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিল। আর তপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপরে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছাতেই অকস্মাৎ কিছু বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার। (একুশের গল্প- জহির রায়হান)
"উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রাম চেতনার এক. অসাধারণ এক শিল্পভাষ্য।"- মন্তব্যটি তুমি স্বীকার কর কি? তোমার মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- শহিদের পুণ্য রক্তে সাত কোটিবাঙালির প্রাণের আবেগ আজপুষ্পিত সৌরভ। বাংলার নগর, বন্দরগঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রামধ্বংসস্তূপ থেকে সাত কোটি ফুলহয়ে ফোটে। প্রাণময় মহৎ কবিতাআর কোথাও দেখি না এর চেয়ে।উদ্দীপকটির সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন চেতনার মিল রয়েছে- ব্যাখ্যা করো।
- 'কমলবন' শব্দটিকে কবি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কী হিসেবে ব্যবহার করেছেন?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় একুশের কৃষ্ণচূড়াকেআমাদের কীসের রং বলা হয়েছে?
- উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' 'কবিতার মূলভাব প্রকাশিত হয়েছে-
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।বায়ান্নর শহিদরাই উনসত্তরের অভ্যুত্থানের চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছিল' উদ্দীপকের 'খ' অংশ ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আবার সালাম নামেরাজপথে’- কেন?
- সিলেটের একটি চা-বাগানের শ্রমিকরা নানাভাবে বঞ্চিতহলেও প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। একদিন ঘূর্ণিঝড়ওঠার আশঙ্কা জেনেও মালিক তাদের কাজ করতে বাধ্যকরে। ঝড়ের সাথে সংগ্রাম করে শ্রমিকরা প্রাণে বেঁচেযায়। এরপর তারা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। ঝড়ের কাছথেকে তারা প্রতিবাদের ভাষা শেখে।উদ্দীপকের ‘ঝড়’ 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যেঘটনার ইঙ্গিত করে, নিচের কোনটি সেই ঘটনারসাথে সম্পর্কিত?
- 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণমালাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
- "ওরা কারা বুনোদল ঢোকেঅস্ত্র হাতে নামে সান্ত্রী কাপুরুষকোটি মানুষের সমবায়ী সভ্যতার ভাষা এরা রদ করবেভাবে?”উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে ভাবেরপ্রতিফলন ঘটেছে—পাকিস্তানিদের অপশাসনহানাদারদের বর্বরতাভাষার কণ্ঠরোধে বাঙালিদমননিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ‘ফেব্রুয়ার?? ১৯৬৯' কবিতায় কৃষ্ণচূড়ার রংকে কবিকীসের রং হিসেবে উল্লেখ করেছেন?
- সৈয়দ শামসুল হকের রচনা কোনটি?
- ‘প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা–
- একুশের কৃষ্ণচূড়া মূলত-
- আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে- চরণটি আমাদের জাতীয় জীবনের কোন দিকটি তুলে ধরে
- ক-অংশযুবকের বুকে নিয়ে বুলেটের অংশপড়িল মাটির 'পরেফোঁটায় ফোঁটায় লহুধারারাজপথে বিছাইল রক্ত জবা ফুল।শেষ নিশ্বাসের আগে তারাগেয়ে গেল রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই।খ-অংশতোমাদের রক্তঝণ, অম্লান আহুতিবেঁকে যাওয়া আমাদের মেরুদণ্ড টান টান সোজা করে উদ্যত দাঁড়াতে।দরকারি ক্রোধ, প্রেম প্রকাশ, শক্তি দেয়।উদ্দীপকের ক-অংশ দ্বারা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদেরচেতনারই রং।' পক্তিতে উল্লিখিত চেনতার প্রকৃতি—
- আঠারো বছর বয়সের তরুণের প্রাণ কেমন?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আমাদের চেতনার রং—
- ‘ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে' কোন কবিতার অংশ?