আমার পথ নিবন্ধে নজরুল ইসলাম বলেছেন -"সত্যকে পাওয়ার যায় _____ " শূন্য স্থানে কি হবে ?
A. "সুন্দরের মধ্য দিয়ে "
B. "ভুলের মধ্য দিয়ে "
C. "মিথ্যার মধ্য দিয়ে "
D. "আনন্দের মধ্য দিয়ে "
সঠিক উত্তরঃ
B.
"ভুলের মধ্য দিয়ে "
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে লেটোর দলে যোগ দেন ?
- 'ভায়া লাফ দেয় তিন হাত, হেসে গান গায় দিনরাত' ছড়াটি কার সম্পর্কে লেখা?
- মিথ্যার ভয়কে জয় করার জন্য কোনটি প্রয়োজন?
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ-রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- তরুণদের প্রাণের ধর্মকে নজরুল কী নাম দিয়েছেন ?
- ইশতিয়াক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজ সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজের বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে, যারা ছাত্র অবস্থায় তার সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এরপরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা তাঁর কটূক্তি ও সমালোচনা করে। এসব শুনে ইশতিয়াক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'উদ্দীপকের ইশতিয়াক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে ভন্ডামি নয়-আত্মাকে চেনাপরাবলাম্বননিজের সত্যকে বড়ো মনে করার দম্ভনিচের কোনটি সঠিক?
- 'আগুনের সম্মার্জনা' বলতে 'আমার পথ' প্রবন্ধে কী বোঝানো হয়েছে?
- "আমার পথ" প্রবন্ধে 'অভিশাপ-রথের সারথি' বলতে কী বুঝায়?
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।'-ব্যাখ্যা করো।
- আলম একজন সংগঠক। এলাকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি 'কবি সুকান্ত পাঠাগার ও সংগীত বিদ্যালয়' নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি মিথ্যাকে উড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সংগঠনের 'রজত জয়ন্তী'র আয়োজন করেছেন। তিনি দমে যাওয়ার মানুষ নন। তার সংগঠনের ছেলেমেয়েরা আজ গুণী শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসাবিদ আরও কত সফল মানুষ। তিনি আলোকিত মানুষ হিসেবে সকলের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন।'মনুষ্যত্ব মানুষকে আলোর পথ দেখাতে পারে' উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তির যথার্থতা বিচার করো।
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম'- বুঝিয়ে লেখো।
- কত বছর বয়সে কাজী নজরুল ইসলাম বাক্ শক্তি হারিয়ে ফেলেন?
- নিচের কোন লেখক মহাকাব্য রচনা করেননি?
- পরের মুখে শেখা বুলি পাখির মতো কেন বলিস?পরের ভঙ্গি নকল করে নটের মতো কেন চলিস?তোর নিজস্ব সর্বাঙ্গে তোরে দিলেন বিধাতা আপন হাতে,মুছে সেটুকু বাজে হলি, গৌরব কি বাড়ল তাতে?আপনারে যে ভেঙ্গে চুরে গড়তে চায় পরের ছাঁচেঅলীক, ফাঁকি মেকি সে জন নামটা তার কদিন বাঁচে?"উদ্দীপকের মূলভাব ব্যক্তিতে চর্চিত হলে 'আমার পথ' প্রবন্ধের উদ্দেশ্য বিশ্বের আদর্শ হতো।"- মন্তব্যটি বিশেষণ কর।
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম' ব্যাখ্যা করো।
- শ্রমিক নেতা রহমান সাহেব একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি। শ্রমিকদের স্বার্থ আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সত্য কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হন না। তার এই স্পষ্টবাদিতার কারণে মালিকপক্ষের কাছে তিনি চক্ষুশূল। জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। তাই শ্রমিক সমাজের মাঝে তিনি বেশ আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে পরিচিত।
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে নিষ্ক্রিয়তার ফলহলো-