খুলনা, পটুয়াখালী ও সাতক্ষীরার কিছু এলাকা নিয়ে প্রায় ০.৬১ হেক্টর বনভূমি গঠিত । এ অঞ্চলের উদ্ভিদ প্রজাতিগুলো জোয়ার ???াটায় অভিযোজিত হয়েছে । এরা অন্য এলাকায় জীবনধারণ করতে পারে না ।
লবণাক্ত মাটির উদ্ভিদের ক্ষেত্রে -
- নিউমেটাফোরের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়
- বীজে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম ঘটায়
- অঙ্কুরিত বীজ ভ্রুণ মূলের ভারে মাটিতে এসে পড়ে
নিচের কোনটি সঠিক?
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনবাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় জীব - পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
D.
i, ii ও iii
Another Explanation (5): নিচের বিবরণ অনুযায়ী, লবণাক্ত মাটির উদ্ভিদগুলো জোয়ার ভাটার পরিবর্তনের সাথে অভিযোজিত হয়েছে এবং অন্য এলাকায় জীবনধারণ করতে পারে না। প্রশ্নে উল্লেখিত তিনটি বৈশিষ্ট্যই এই ধরনের উদ্ভিদদের বিশেষ অভিযোজন নির্দেশ করে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো:
**"i, ii ও iii"**।
এখন উপযুক্ত ব্যাখ্যা সহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- নিউমেটাফোরের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়:
লবণাক্ত পরিবেশের উদ্ভিদগুলো সাধারণত বাতাস বা নিউমেটাফোর নামে বিশেষ স্ট্রাকচার ব্যবহার করে শ্বাস-প্রশ্বাস কার্য সম্পাদন করে। এই পদ্ধতিতে, তারা বাতাসের আর্দ্রতা দিয়ে শ্বাস নেয়, যা তাদের লবণাক্ত পরিবেশে জীবিত থাকতে সাহায্য করে। - বীজে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম ঘটায়:
এই ধরনের উদ্ভিদগুলো সাধারণত জরাযুক্ত অঙ্কুরোদগমের মাধ্যমে বীজ থেকে গড়ে ওঠে। অর্থাৎ, বীজের ভিতরে থাকা জরায়ু বা ঝিল্লি অঙ্কুরের জন্য উপযুক্ত অবস্থানে থাকে, যা তাদের লবণাক্ত পরিবেশে দ্রুত অঙ্কুরিত হতে সাহায্য করে। - অঙ্কুরিত বীজ ভ্রুণ মূলের ভারে মাটিতে এসে পড়ে:
এই বৈশিষ্ট্যটি দেখায় যে, অঙ্কুরিত বীজগুলি স্বাভাবিকভাবে গাছের মূলের ভারে বা ঝোড়ো হাওয়ার কারণে মাটিতে এসে পড়ে, যেন তারা নতুন জীবন শুরু করতে পারে। এটি মূলত তাদের প্রজননের একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি।