মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

আয়নিক বন্ধধ গঠিত হয়ঃ ধাতু ও অধাতুর মধ্যে ইলেকট্রন আসক্তির পার্থক্য বেশী হলে ইলেকট্রন আদান প্রদানের মাধ্যমে। কোনটি সঠিক?

A. i ও ii
B. i ও iii
C. ii ও iii
D. i,ii ও iii
Poster Download
JUUnit-ASet-2রসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনরাসায়নিক বন্ধন - সমযোজী বন্ধন (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. i ও iii
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এখানে আয়নিক বন্ধন গঠনের প্রক্রিয়া এবং শর্তগুলি যাচাই করতে বলা হয়েছে। ধাতু এবং অধাতুর মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্যের কারণে ইলেকট্রন আদান-প্রদান ঘটে। অপশন বিশ্লেষণ: A. i ও ii: ভুল, এটি আংশিক সঠিক তবে iii বাদ পড়ে। B. i ও iii: সঠিক, এটি সঠিক কারণ এটি ইলেকট্রন আসক্তির পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। C. ii ও iii: ভুল, কারণ i বাদ গেলে আয়নিক বন্ধন পুরোপুরি বোঝানো যায় না। D. i, ii ও iii: ভুল, কারণ সব শর্ত প্রযোজ্য নয়। নোট: আয়নিক বন্ধন মূলত ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে ঘটে যা ধাতু ও অধাতুর বৈশিষ্ট্যের পার্থক্যের কারণে সম্ভব।
Another Explanation (5): ```html

আয়নিক বন্ধন: গঠন প্রক্রিয়া

আয়নিক বন্ধন মূলত ধাতু এবং অধাতুর মধ্যে গঠিত হয়। এই বন্ধন গঠনের মূল কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

আয়নিক বন্ধন গঠনের কারণসমূহ:

  1. তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য: ধাতু এবং অধাতুর মধ্যে তড়িৎ ঋণাত্মকতার (Electronegativity) পার্থক্য অনেক বেশি থাকে। ⚡️
  2. ইলেকট্রন আসক্তির পার্থক্য: ধাতু সাধারণত ইলেকট্রন ত্যাগ করতে চায়, অপরদিকে অধাতু ইলেকট্রন গ্রহণ করতে আগ্রহী। ⚛️
  3. আয়নিক স্থিতিশীলতা: ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে উভয় পরমাণুই স্থিতিশীল ইলেকট্রন কাঠামো (Noble gas configuration) লাভ করতে চায়। 💫

আয়নিক বন্ধন কিভাবে গঠিত হয়?

আয়নিক বন্ধন মূলত ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে গঠিত হয়। নিচে একটি উদাহরণ দেওয়া হলো:

সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) গঠন:

  • সোডিয়াম (Na): একটি ধাতু, যার সর্ববহিঃস্থ স্তরে ১টি ইলেকট্রন থাকে। ➕
  • ক্লোরিন (Cl): একটি অধাতু, যার সর্ববহিঃস্থ স্তরে ৭টি ইলেকট্রন থাকে। ➖

সোডিয়াম তার সর্ববহিঃস্থ স্তরের ১টি ইলেকট্রন ক্লোরিনকে দিয়ে দেয়। এর ফলে সোডিয়াম আয়নে (Na+) পরিণত হয় এবং ক্লোরিন ক্লোরাইড আয়নে (Cl-) পরিণত হয়। এই আয়নগুলো স্থির তড়িৎ আকর্ষণের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) গঠন করে।

আয়নিক বন্ধনের বৈশিষ্ট্য:

  • উচ্চ গলনাঙ্ক এবং স্ফুটনাঙ্ক। 🔥
  • শক্ত এবং ভঙ্গুর। 🧱
  • গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবাহী। 💡
  • পানিতে দ্রবণীয় (কিছু ব্যতিক্রম আছে)। 💧

আয়নিক যৌগসমূহের উদাহরণ:

যৌগের নাম রাসায়নিক সংকেত ব্যবহার
সোডিয়াম ক্লোরাইড NaCl খাবার লবণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 🧂
ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড MgO অ্যাসিড কমাতে ব্যবহৃত হয়। 💊
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট CaCO3 চুনাপাথর, সিমেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 🏗️

আয়নিক বন্ধন রসায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই বন্ধন বিভিন্ন যৌগের গঠন এবং ধর্ম বুঝতে সাহায্য করে। 🤔

আশা করি, এই আলোচনা থেকে আয়নিক বন্ধন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 🎉

```