কাঁকড়ার বহিঃকংকালে কোন রাসায়নিক দ্রব্যটি থাকে?
KUUnit-Aজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসপ্রাণীবৈচিত্র্য ও প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (Topic Practice)KU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
কাইটিন
Explanation:

Another Explanation (5):
কাঁকড়ার বহিঃকংকাল: কাইটিনের ভূমিকা🦀
কাঁকড়ার শরীর যে শক্ত খোলস দিয়ে ঢাকা থাকে, তাকে বহিঃকংকাল বলে। এই বহিঃকংকাল মূলত কাইটিন নামক একটি রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। কাইটিন একটি পলিস্যাকারাইড, যা গঠনগতভাবে সেলুলোজের সাথে সম্পর্কিত। এটি শুধুমাত্র কাঁকড়া নয়, অন্যান্য আর্থ্রোপোডা যেমন - পোকামাকড়, চিংড়ি, মাকড়সা এবং ছত্রাকের কোষ প্রাচীরেও পাওয়া যায়।
কাইটিন কী? 🤔
- রাসায়নিক গঠন: কাইটিন হলো N-এসিটাইলগ্লুকোসামিন নামক মনোস্যাকারাইড ইউনিটের একটি দীর্ঘ শৃঙ্খল।
- বৈশিষ্ট্য: এটি শক্ত, নমনীয় এবং হালকা ওজনের হয়ে থাকে।
- অদ্রবণীয়: কাইটিন পানিতে দ্রবণীয় নয়।
কাঁকড়ার বহিঃকংকালে কাইটিনের কাজ ⚙️
- সুরক্ষা: বহিঃকংকাল কাঁকড়ার নরম শরীরকে শিকারী প্রাণী এবং অন্যান্য আঘাত থেকে রক্ষা করে।🛡️
- আকৃতি প্রদান: এটি কাঁকড়াকে একটি নির্দিষ্ট আকৃতি দেয়। 📐
- পানিশূন্যতা রোধ: কাইটিন শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হতে বাধা দেয়।💧
- পেশী সংযোগ: পেশীগুলো বহিঃকংকালের সাথে যুক্ত থাকে, যা কাঁকড়াকে চলাচল করতে সাহায্য করে।💪
কাইটিনের ব্যবহার 🧪
| ক্ষেত্র | ব্যবহার |
|---|---|
| চিকিৎসা বিজ্ঞান 💊 | ক্ষত নিরাময়ে, ওষুধ তৈরিতে, কন্টাক্ট লেন্স উৎপাদনে |
| কৃষি 🌾 | কীটনাশক হিসেবে, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে |
| খাদ্য শিল্প 🍔 | খাদ্য সংরক্ষণে, ডায়েটারি ফাইবার হিসেবে |
| পরিবেশ 🌍 | দূষণ নিয়ন্ত্রণে, পানি পরিশোধন করতে |
কাইটিন আহরণ প্রক্রিয়া 🎣
সাধারণত সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে কাঁকড়া এবং চিংড়ির খোলস থেকে কাইটিন সংগ্রহ করা হয়।
কাইটিনের সুবিধা 👍 ও অসুবিধা 👎
- সুবিধা: বায়োডিগ্রেডেবল, প্রচুর পরিমাণে সহজলভ্য, পরিবেশ বান্ধব।
- অসুবিধা: উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে, কিছু ক্ষেত্রে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে।
পরিশেষে, কাইটিন কাঁকড়ার জীবন ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। একই সাথে এর বহুমুখী ব্যবহার মানব জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।🎉
Option A Explanation:
- গ্লুকান: গ্লুকান হলো একটি পলিস্যাকারাইড, যা মূলত শস্য, শাকসবজি এবং কিছু ফাঙ্গাসে পাওয়া যায়।
- এটি প্রধানত উদ্ভিদ ও কিছু শৈবাল দ্বারা উৎপন্ন হয়, যেখানে এটি শক্তি সংরক্ষণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- প্রাণীদের দেহে গ্লুকান সাধারণত শক্তি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়, যেমন কাঁকড়ার দেহে গ্লুকান থাকে যা শক্তি ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।
- অন্য পলিস্যাকারাইডের সাথে তুলনায়, গ্লুকান খুবই স্থিতিশীল এবং জল দ্রবণীয় নয়।
Option B Explanation:
- জাইলন (Xylan):
- একটি প্রধান হাইড্রোকার্বোনেট, যা পলিস্যাকারাইডের একটি।
- বিশেষ করে উদ্ভিদ ও কিছু শৈবালজাতীয় উদ্ভিদের কোষদ্বারে পাওয়া যায়।
- জাইলন মূলতঃ গ্লুকোজের শৃঙ্খলে গঠিত এবং এটি উদ্ভিদ কোষের মধ্যে কাঠামোগত সমর্থন প্রদান করে।
- এটি প্রোটিন ও অন্যান্য রাসায়নিকের সাথে জড়িত হয়ে রয়েছে এবং উদ্ভিদ কোষের শক্তি সংরক্ষণ ও গঠনমূলক কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
- গ্লাইকোজেন: গ্লাইকোজেন হলো একটি স্টোরেজ ফর্ম যা মূলত লিভার এবং মাসল টিস্যুতে সংরক্ষিত হয়। এটি কার্বোহাইড্রেটের একটি পলিমার, যা দ্রুত শক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে যখন শরীরের অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন হয়। গ্লাইকোজেন শরীরের শক্তির পর্যাপ্ত সংস্থান হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ বা প্রচণ্ড শারীরিক পরিশ্রমের সময়।
Option D Explanation:
- কাইটিন: কাইটিন একটি প্রাকৃতিক পলিস্যাকারাইড, যা মূলত জীবাণু, ক্রাস্টেশিয়ান, ও শেলফিশের খোসা ও কাঁটা দিয়ে গঠিত। এটি একটি শক্তিশালী ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ, যা প্রোটিন নয়।
- প্রোটিনের মৌলিক গঠন অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে গঠিত হয়, যেখানে কাইটিন হয় কার্বোহাইড্রেট ভিত্তিক, তাই এটি তাপে জমাট বাঁধে না।
- অতএব, কাইটিন তাপে জমাট বাঁধে না কারণ এটি প্রোটিন নয় এবং তার গঠন ও বৈশিষ্ট্য প্রোটিনের মতো নয়।