মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

সমুদ্রকে বর্ণিল রূপদানে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে কোন পর্বের প্রাণিরা?

A. Cnidaria
B. Porifera
C. Echinodermata
D. Mollusa
Poster Download
JUUnit-DSet-5জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. Cnidaria
Explanation: সমুদ্রকে বর্ণিল রূপদানকারী প্রাণীরা Cnidaria (Option A) শ্রেণির অন্তর্গত, যেমন করাল। এই প্রাণীদের রঙিন চামড়ায় বিভিন্ন শেড এবং লাইট রিফ্লেকশন থাকে। অন্যান্য অপশনগুলো যেমন Porifera (Option B) বা Mollusca (Option D) এর কোনো ভূমিকা এখানে নেই।\nনোট: Cnidaria শ্রেণির প্রাণীরা যেমন ঝিনুক ও কোরাল সমুদ্রের বর্ণিলতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Another Explanation (5):

সমুদ্রের বর্ণিল রূপদানে Cnidaria পর্বের প্রাণীদের অবদান

সমুদ্রের সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান উৎস হলো বিভিন্ন প্রকার প্রবাল এবং জেলিফিশ। এই উভয় প্রকার প্রাণীরাই Cnidaria পর্বের অন্তর্ভুক্ত। Cnidaria পর্বের প্রাণীরা তাদের গঠন, জীবনযাত্রা এবং বাস্তুতান্ত্রিক ভূমিকার মাধ্যমে সমুদ্রকে বর্ণিল করে তোলে। নিচে এর কয়েকটি দিক আলোচনা করা হলো:

Cnidaria পর্বের পরিচিতি 🌊

  • নামকরণ: "Cnidaria" নামটি গ্রিক শব্দ "knide" থেকে এসেছে, যার অর্থ "কাঁটা" বা "নিডোসিস্ট"। এই পর্বের প্রাণীদের শরীরে নিডোসাইট নামক বিশেষ কোষ থাকে যা শিকার ধরা এবং আত্মরক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।
  • শারীরিক গঠন: এদের দেহ মূলত দুটি স্তরে গঠিত - বাইরের দিকে একটোডার্ম এবং ভেতরের দিকে এন্ডোডার্ম। এই দুটি স্তরের মাঝে মেসোগ্লিয়া নামক জেলির মত পদার্থ থাকে।
  • আবাসস্থল: Cnidaria পর্বের প্রাণীরা মূলত সামুদ্রিক। তবে কিছু প্রজাতি স্বাদুপানিতেও বাস করে।

সমুদ্রকে বর্ণিল রূপদানে এদের অবদান 🌈🐠

  1. প্রবাল প্রাচীর গঠন 🧱: প্রবাল (Coral) হলো Cnidaria পর্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এরা পাথরের মতো কঠিন কাঠামো তৈরি করে যা প্রবাল প্রাচীর নামে পরিচিত। এই প্রাচীরগুলো বিভিন্ন প্রকার মাছ, শামুক, কাঁকড়া এবং অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর আশ্রয়স্থল।
  2. বর্ণিল প্রবাল 🎨: প্রবাল বিভিন্ন রঙয়ের হয়ে থাকে। যেমন - লাল, নীল, হলুদ, সবুজ ইত্যাদি। এই রঙিন প্রবালগুলো সমুদ্রের তলদেশে এক নয়নাভিরাম দৃশ্যের সৃষ্টি করে।
  3. জেলিফিশের সৌন্দর্য 🎐: জেলিফিশ তাদের স্বচ্ছ শরীর এবং ছন্দময় movement এর মাধ্যমে সমুদ্রের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এদের কিছু প্রজাতি রাতে আলো ছড়ায়, যা সমুদ্রের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
  4. পরিপূরক সম্পর্ক 🤝: কিছু Cnidaria প্রজাতি, যেমন সি-অ্যানেমোনি (Sea anemone), ক্লাউনফিশের (Clownfish) সাথে মিথোজীবী সম্পর্ক তৈরি করে। ক্লাউনফিশ সি-অ্যানেমোনির মধ্যে আশ্রয় নেয় এবং বিনিময়ে সি-অ্যানেমোনিকে শিকারী প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা করে। এই সম্পর্ক সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।

বিভিন্ন প্রকার Cnidaria এবং তাদের বৈশিষ্ট্য 📊

শ্রেণী উদাহরণ বৈশিষ্ট্য সমুদ্রে অবদান
অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa) প্রবাল, সি-অ্যানেমোনি এরা পলিপ (Polyp) দশায় থাকে এবং এদের কোনো মেডুসা (Medusa) দশা নেই। প্রবাল প্রাচীর তৈরি করে এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণীর আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। 🏡
হাইড্রোজোয়া (Hydrozoa) হাইড্রা, পর্তুগিজ ম্যান ও’ ওয়ার এদের পলিপ এবং মেডুসা উভয় দশাই দেখা যায়। কিছু প্রজাতি শিকার ধরে খাদ্যশৃঙ্খলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🐡
সায়ফোজোয়া (Scyphozoa) জেলিফিশ এদের মেডুসা দশা প্রধান এবং পলিপ দশা ছোট অথবা অনুপস্থিত। সমুদ্রের খাদ্যশৃঙ্খলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং কিছু প্রজাতি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। 🏖️
কিউবোজোয়া (Cubozoa) বক্স জেলিফিশ এদের কিউবের মতো আকৃতির মেডুসা থাকে এবং এরা খুব বিষাক্ত হতে পারে। এরা শিকারী প্রাণী হিসেবে খাদ্যশৃঙ্খলে ভূমিকা রাখে। ☠️

সংরক্ষণ এবং সতর্কতা ⚠️

জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ এবং অতিরিক্ত আহরণের কারণে প্রবাল প্রাচীর আজ হুমকির মুখে। এই মূল্যবান বাস্তুতন্ত্রকে রক্ষা করতে আমাদের সচেতন হতে হবে এবং পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায়, সমুদ্রের বর্ণিল রূপ ধীরে ধীরে মলিন হয়ে যেতে পারে। 😥

আসুন, আমরা সবাই মিলে সমুদ্রের সৌন্দর্য রক্ষায় এগিয়ে আসি। 💙

Option A Explanation:
  • Cnidaria: Cnidaria পর্বের প্রাণীদের মধ্যে সাধারণত Amphiblastula লার্ভা পাওয়া যায় না।
  • এরা মূলত জলজ প্রাণী, যেমন অমেরুদণ্ডী, যা সাধারণত জেলি মাছ বা অ্যাম্বুলারিয়া প্রজাতির মতো স্রোতপ্রবাহে জীবিত থাকে।
  • Cnidaria এর লার্ভা সাধারণত প্লানুলা বা ট্র্যাফোজোইয়া ধরণের হয়, যা সাধারণত Amphiblastula নয়।
Option B Explanation:
  • Porifera (নমুনা: স্পঞ্জ প্রজাতি):
    • প্রাণীর শ্রেণি: সরল ও অঙ্গবিহীন প্রাণী
    • সংখ্যা: প্রায় ৫,০০০ প্রজাতি
    • বৈশিষ্ট্য:
      • সাধারণত জলাশয়ে বাস করে
      • শরীরের গঠন: স্পঞ্জের মতো খোলে ভর্তি কাঠামো
      • অঙ্গপ্রতিমা বা জৈবিক উন্নয়নপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় না
    • লাইফ সাইকেল: সাধারণত স্পঞ্জের জীবনচক্রে লার্ভা ধাপ হয়, তবে Amphiblastula নামে বিশেষ লার্ভা পাওয়া যায় না
Option C Explanation:
  • Echinodermata: এই পর্বের প্রাণীদের শরীরের অভ্যন্তরে পেরিহিমালতন্ত্র (Perihymenium) থাকে।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এদের শরীরের বাহ্যিক স্তরটি ধাতবীয় বা ক্যালসিয়াম কাঠামো দ্বারা গঠিত হয়ে থাকে, যা তাদের স্বাভাবিক গঠনকে দৃঢ় করে তোলে।
  • উদাহরণ: তারা, এস্তেরিয়া, কসমোডোরা, হ্যাপিডারমা ইত্যাদি।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন: এদের শরীরে বিভিন্ন পেরিহিমালতন্ত্র বা কাঠামো বিদ্যমান যা তাদের চলাচল, শ্বাসপ্রশ্বাস ও স্বনির্ভরতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
  • Mollusca: মাছি, অক্টোপাস, চিংড়ি, স্কুইড ইত্যাদি এই শ্রেণীর প্রাণিরা সমুদ্রের রঙিন রূপদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • এরা বিভিন্ন ধরনের শ???ল্পিক ও রঙিন দেহ কাঠামো তৈরি করে, যা সমুদ্রের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
  • অন্য প্রাণির তুলনায়, mollusca শ্রেণীর প্রাণিরা তাদের দেহে বিভিন্ন রঙিন এবং ঝিলিকময় বৈশিষ্ট্য নিয়ে সমুদ্রের দৃশ্যকে আরও মনোমুগ্ধকর করে তোলে।
  • উদাহরণস্বরূপ, কিছু স্কুইড ও অক্টোপাসের দেহে থাকা রঙিন রূপালী বা ঝিলিকময় রঙ সমুদ্রের পরিবেশে ভিন্নতা সৃষ্টি করে।