মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

সাইব্রিড এর ক্ষেত্রে মিলন হবে–


A.

নিউক্লিয়াসের

B.

সাইটোপ্লাজমের

C.

রাইবোসোমের

D.

কোষ প্রাচীরের

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিজেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তি (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B.

সাইটোপ্লাজমের

Explanation:

Another Explanation (5):

সাইব্রিড এর ক্ষেত্রে মিলন হবে –

সাইব্রিড (Sybrid) বা সংকর জীবের ক্ষেত্রে প্রজনন বা মিলনের স্থান বা উপাদান হলো সাইটোপ্লাজম। এটি জীবের কোষের মূল তরল পদার্থ, যেখানে বিভিন্ন প্রকারের জৈবিক কার্যক্রম সংঘটিত হয়।

বিশদ ব্যাখ্যা:

  • সাইব্রিড বা সংকর জীবের মধ্যে সাধারণত দুই ধরনের প্রজনন প্রক্রিয়া হয়: অভ্যন্তরীণ (অভ্যন্তরীণ মিলন) এবং বাহ্যিক (বাহ্যিক মিলন)
  • এই প্রক্রিয়ায় মিলন বা সংযোগের স্থান হলো সাইটোপ্লাজম। এটি জীবের কোষের অভ্যন্তরীন তরল, যেখানে বিভিন্ন ধরণের জৈব যৌগ ও উপাদান থাকে।
  • সাইটোপ্লাজমের মধ্যে মিলন ঘটলে, জৈবিক উপাদানগুলো একে অপরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে নতুন সংকর জীবন বা জীবের সৃষ্টি হয়।

সংক্রান্ত তথ্যের টেবিল:

প্রজনন প্রক্রিয়া স্থান উপাদান
মিলন / সংযোগ সাইটোপ্লাজম জৈব উপাদান, নিউক্লিয়াস, প্রোটিন, শর্করা

সংক্ষিপ্তভাবে:

সাইব্রিড বা সংকর জীবের মিলন বা সংযোগের স্থান হলো সাইটোপ্লাজম। এটি জীবের কোষের অভ্যন্তরীন তরল যা বিভিন্ন জৈব উপাদানে পরিপূর্ণ। 🌱✨

Option A Explanation:
  • নিউক্লিয়াসের: কোষের কেন্দ্রীয় অংশ যা ডিএনএ ও বিভিন্ন প্রকারের RNA ধারণ করে। এটি জেনেটিক তথ্যের সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের কাজ করে।
Option B Explanation: ```html
  • সাইটোকাইনেসিস হল কোষের বিভাজনের শেষ ধাপ, যেখানে সাইটোপ্লাজম বিভক্ত হয়ে দুটি নতুন কোষে পরিণত হয়।
  • এটি সাধারণত মাইটোসিস বা মিয়োসিসের পরে ঘটে।
  • সাইটোকাইনেসিসের মাধ্যমে কোষের প্রাকৃতিক বৃদ্ধি এবং পুনঃসৃষ্টির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
  • এই ধাপে, সাইটোপ্লাজমের বিভাজন সম্পন্ন হয়, যাতে দুটি স্বতন্ত্র কোষ তৈরি হয়।
  • সাইটোপ্লাজমের বিভাজন বিভিন্ন পদ্ধতিতে হতে পারে, যেমন ফ্যাগোসিটোসিস বা অ্যামিটোসিস।
```
Option C Explanation:
  • রাইবোসোমের ভূমিকা: রাইবোসোম হলো কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রতঙ্গ যা প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক।
  • সাইব্রিডের ক্ষেত্রে: সাইব্রিডের সময়, নিউক্লিয়াসের পাশাপাশি রাইবোসোমের মধ্যে জটিল প্রক্রিয়া ঘটে, যেখানে বিভিন্ন জেনেটিক উপাদানের মিশ্রণ ঘটে।
  • প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ: রাইবোসোমের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রোটিন তৈরি হয় যা কোষের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।
  • অন্য অঙ্গপ্রতঙ্গের সাথে সম্পর্ক: রাইবোসোমের কার্যকলাপ নিউক্লিয়াস থেকে প্রাপ্ত জেনেটিক উপাদানের উপর নির্ভর করে।
Option D Explanation: ```html
  • কোষ প্রাচীরের ভূমিকা: কোষ প্রাচীর হচ্ছে একটি কঠিন স্তর যা সেলুলোজ বা অন্য উপাদান দ্বারা তৈরি। এটি কোষের আকার ও আকার বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং কোষকে আঘাত থেকে রক্ষা করে।
  • সাইব্রিডে কোষ প্রাচীরের বৈশিষ্ট্য: সাইব্রিডের ক্ষেত্রে, কোষ প্রাচীরের মধ্যে মিলন বা সংযোগ ঘটে যখন দুটি বা তার বেশি প্রাচীর একে অপরের সাথে যুক্ত হয়। এটি সাধারণত ট্রান্সফার বা যৌগিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়, যেখানে কোষের প্রাচীরের উপাদানগুলো একে অপরের সাথে মিশে যায়।
  • প্রক্রিয়া: এই মিলনের ফলে কোষ প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায় এবং কোষের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও শক্তি স্থানান্তর সম্ভব হয়। এটি বিশেষ করে উদ্ভিদ বা কিছু এককোষী জীবের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।
```