বাংলাদেশের বিলুপ্ত প্রায় উদ্ভিদ হলো-
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনজীববৈচিত্র্য - সংরক্ষণ, বিলুপ্তি ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
Knema bengalensis
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. Ficus benghalensis: ভুল, এটি সাধারণত বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। B. Knema bengalensis: সঠিক, এটি বাংলাদেশের একটি বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ। C. Premna bengalensis: ভুল, এটি বিলুপ্তপ্রায় নয়। D. Commelina benghalensis: ভুল, এটি সাধারণত বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। নোট: বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ সংরক্ষণে আমাদের সচেতনতা ও প্রচেষ্টা বৃদ্ধি করা উচিত, যাতে জীববৈচিত্র্য রক্ষা পায়।
Another Explanation (5):
বাংলাদেশের বিলুপ্ত প্রায় উদ্ভিদ
বাংলাদেশের বিলুপ্ত প্রায় উদ্ভিদ: Knema bengalensis 🌿
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান রক্ষার জন্য অনেক উদ্ভিদ প্রজাতি বিপন্ন বা বিলুপ্তির মুখে রয়েছে। এর মধ্যে Knema bengalensis অন্যতম।
বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা 🧬
- 🌱 Knema bengalensis হচ্ছে একটি প্রাচীন উদ্ভিদ প্রজাতি, যা মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- 🌍 এটি বাংলাদেশের বনাঞ্চল ও বনাঞ্চলের দূরবর্তী অংশে পাওয়া যেত, কিন্তু বর্তমানে এর সংখ্যা খুবই কমে গেছে বা বিলুপ্তির পথে।
- 🔍 এই উদ্ভিদটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর অরগানিক বৈশিষ্ট্য ও পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- ⚠️ অবাধ বনভূমি ধ্বংস ও অপরিকল্পিত বনউৎপাদন এর জন্য এই প্রজাতির সংরক্ষণ জরুরি।
উপসংহার 📝
Knema bengalensis বাংলাদেশের বিলুপ্ত প্রায় উদ্ভিদ হিসেবে বিবেচিত। এর সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত যাতে এর প্রাকৃতিক অবস্থা রক্ষা পাওয়া যায়। 🌳🌿
তালিকা: বাংলাদেশের অন্যান্য বিলুপ্ত বা বিপন্ন উদ্ভিদ
| প্রজাতির নাম | অবস্থা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| Knema bengalensis | বিলুপ্ত প্রায় | বাংলাদেশে প্রাকৃতিক পরিবেশে কম দেখা যায় |
| Other species | বিপন্ন/বিলুপ্ত | সংরক্ষণের প্রয়োজন |
🔖 সচেতনতা ও সংরক্ষণে অংশগ্রহণ করে আমাদের পরিবেশ রক্ষা করতে হবে! 🌱🌎
Option A Explanation:
- বৈশিষ্ট্য: Ficus benghalensis, সাধারণত বটগাছ বা অশ্বত্থ নামে পরিচিত, এটি একটি বৃহৎ বৃক্ষ যা মূলত উপমহাদেশে পাওয়া যায়।
- প্রজাতি: এটি Ficus genus এর অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত।
- অবস্থান: এটি প্রধানত বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়।
- উদ্ভিদ প্রকার: এটি একটি বৃক্ষ, যা দীর্ঘজীবী এবং বৃহৎ ছাল ও ছত্রাকযুক্ত বৃক্ষ।
- উপযোগিতা: এর শাখা-প্রশাখা ও পাতা পরিবেশের জন্য উপকারী, এছাড়াও এর গুঁড়ি ও পাতার ঔষধি ব্যবহার রয়েছে।
Option B Explanation:
- নাম: Knema bengalensis
- পারিবারিক শ্রেণীবিভাগ: জেনাস Knema এর অন্তর্গত, যা Myristicaceae পরিবারের অংশ।
- প্রকার: এটি একটি গাছের প্রজাতি।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: ছোট থেকে মাঝারি আকারের গাছ, সাধারণত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও অন্যত্র পাওয়া যায়।
- ব্যবহার: এর কাঠ ও ঔষধি গুণাগুণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্য তথ্য: এর পাতা ও ফলের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এটি চিহ্নিত করা হয়।
Option C Explanation:
- নাম: Premna bengalensis
- পরিবার: Lamiaceae (Labiatae)
- বর্ণনা: এটি একটি ঝোপঝাড় জাতীয় উদ্ভিদ, সাধারণত ভারতের পূর্বাঞ্চল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়।
- উপযোগিতা: আয়ুর্বেদিক ও লোকচিকিত্সায় এর পাতা ও শাখা ওষুধে ব্যবহৃত হয়।
- অবস্থা: এটি বর্তমানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা বা প্রায় বিলুপ্ত উদ্ভিদ বলে বিবেচিত হয়।
Option D Explanation:
- নাম: Commelina benghalensis
- সাধারণ নাম: বিহারী কমেলিনা বা টানেলি
- পরিবার: Commelinaceae (কমেলিনা পরিবারের)
- উৎপত্তিস্থল: এটি মূলত ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়, তবে কিছু এলাকায় এটি প্রকৃতিবিরুদ্ধ বা অপ্রচলিত হয়ে থাকতে পারে।
- প্রকার: এটি একটি বার্ষিক বা দ্বিবর্ষজ উদ্ভিদ, সাধারণত ঝোপঝাড় বা ঘাসের মতো উদ্ভিদ হিসেবে চিহ্নিত।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এর পাতা সাধারণত সরু এবং লম্বা, ফুল ছোট এবং নীল বা সাদা রঙের।
- ব্যবহার: ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা এবং ঔষধি গুণাবলী জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- অবস্থা: বর্তমানে এটি বিলুপ্ত বা বিপন্ন উদ্ভিদ হিসেবে বিবেচিত নয়; বরং সাধারণত পাওয়া যায়।