কুসিং সিনড্রোম কোন হরমোনের সাথে জড়িত?
NSTUUnit-Bজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানব জীবনের ধারাবাহিকতাপ্রজনতন্ত্রের সমস্যা ও যৌনবাহিত রোগ (Topic Practice)NSTU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
Corticoid
Explanation:

Another Explanation (5):
কুশিং সিনড্রোম: একটি হরমোন-সম্পর্কিত জটিলতা 🧐
কুশিং সিনড্রোম (Cushing's Syndrome) একটি হরমোনজনিত রোগ। এই রোগে শরীরে কর্টিসল (Cortisol) নামক হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে যায়। এই হরমোন আমাদের শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রম, যেমন - বিপাক, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অতিরিক্ত কর্টিসলের কারণে শরীরে নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। 😓
কর্টিসল এবং কু??িং সিনড্রোম 🧑⚕️
- কর্টিসল (Cortisol): এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি (Adrenal gland) থেকে নিঃসৃত হয়।
- কুশিং সিনড্রোম: শরীরে অতিরিক্ত কর্টিসল থাকার কারণে হয়।
- কারণ:
- দীর্ঘদিন ধরে স্টেরয়েড ওষুধ সেবন (যেমন - প্রেডনিসোলন)। 💊
- অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিতে টিউমার।
- পিটুইটারি গ্রন্থিতে টিউমার (কুশিং ডিজিজ)।🧠
কুশিং সিনড্রোমের লক্ষণসমূহ 🤒
এই রোগের কিছু সাধারণ লক্ষণ নিচে উল্লেখ করা হলো:
- মুখ গোলাকার হয়ে যাওয়া (Moon face)। 🌝
- ঘাড়ে ও পেটে মেদ জমা। 🤰
- ত্বকে লাল বা বেগুনি রঙের stretch marks (স্ট্রেচ মার্কস) দেখা দেওয়া। 💜
- উচ্চ রক্তচাপ। 📈
- ডায়াবেটিস। 🩸
- হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া (osteoporosis)।🦴
- মানসিক সমস্যা (যেমন - ডিপ্রেশন, উদ্বেগ)। 😟
- মহিলাদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত মাসিক। 🚺
রোগ নির্ণয় পদ্ধতি 👨🔬
কুশিং সিনড্রোম নির্ণয়ের জন্য কিছু পরীক্ষা করা হয়ে থাকে:
| পরীক্ষার নাম | বিবরণ |
|---|---|
| ইউরিন কর্টিসল টেস্ট | ২৪ ঘণ্টার প্রস্রাবে কর্টিসলের মাত্রা মাপা হয়। |
| সালাইভা কর্টিসল টেস্ট | রাতে মুখের লালারসে কর্টিসলের মাত্রা দেখা হয়। |
| ডেক্সামেথাসন সাপ্রেশন টেস্ট | কর্টিসলের উৎপাদন কমাতে ডেক্সামেথাসন নামক ওষুধ ব্যবহার করে পরীক্ষা করা হয়। |
| পিটুইটারি বা অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির ইমেজিং (MRI বা CT Scan) | টিউমার সনাক্ত করার জন্য করা হয়। |
চিকিৎসা 🏥
কুশিং সিনড্রোমের চিকিৎসা কারণের উপর নির্ভর করে। কয়েকটি সাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতি হলো:
- ওষুধ: কর্টিসলের উৎপাদন কমাতে পারে এমন ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
- সার্জারি: টিউমার অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচার করা হতে পারে। 🔪
- রেডিয়েশন থেরাপি: টিউমার ছোট করার জন্য ব্যবহার করা হয়। ☢️
জীবনযাত্রা পরিবর্তন এবং সতর্কতা ⚠️
- নিয়মিত ব্যায়াম: শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। 🏋️♀️
- স্বাস্থ্যকর খাবার: সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা জরুরি। 🥗
- স্ট্রেস কমানো: যোগা ও মেডিটেশন এক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।🧘♀️
যদি আপনার কুশিং সিনড্রোমের লক্ষণ থাকে, তবে দ্রুত একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 🙏
ডিসক্লেইমার: এই তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। এটি কোনোভাবেই চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়।
Option A Explanation:
- Parathormone (প্যারাথর্মোন বা প্যারাথাইরয়েড হরমোন):
- এটি প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি দ্বারা নিঃসরণ হয়।
- প্রধান কাজ হলো রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
- এর মাধ্যমে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, কারণ এটি হাড় থেকে ক্যালসিয়াম মুক্ত করে রক্তে প্রবাহিত করে।
- অতিরিক্ত প্যারাথর্মোন নিঃসরণ কুসিং সিনড্রোমের কারণে হতে পারে, যেখানে অতিরিক্ত কোর্টিকোস্টের পরিণতিতে প্যারাথর্মোনের কার্যকলাপ বাড়তে পারে।
Option B Explanation:
- ইন্সুলিন (Insulin): এটি একটি হরমোন যা মূলত অগ্ন্যাশয়ের বেটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়।
- প্রধান কাজ: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমানো এবং গ্লুকোজকে সেলুলারে প্রবেশের জন্য উৎসাহিত করা।
- অর্থ: এটি শরীরের গ্লুকোজ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- উৎপত্তি স্থান: ডেল্টা কোষ নয়, বরং অগ্ন্যাশয়ের লাংগারহান্স কোষের বেটা কোষ থেকে নিঃসৃত।
- সংক্ষেপে: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা রক্তে গ্লুকোজের স্তর নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
Option C Explanation: ```html
- Corticoid: কুশিং সিনড্রোমের প্রধান কারণ হল অতিরিক্ত Corticoid হরমোনের উৎপাদন। এটি সাধারণত অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি দ্বারা নিঃসৃত হয়।
- এই হরমোনের অতিরিক্ত মাত্রা শরীরে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে, যেমন ওজন বৃদ্ধি, চামড়ার পাতলা ভাব, দুর্বলতা, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি।
- কুশিং সিনড্রোমের চিকিৎসায় মূলত Corticoid হরমোনের স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।
Option D Explanation:
- Testosterone: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যানড্রোজেন হরমোন যা পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্য, লিঙ্গ বিকাশ, এবং লক্ষণীয় শারীরিক বৈশিষ্ট্য তৈরি করে।
- প্রধানত, এটি অণ্ডকোষ থেকে নিঃসরণ হয় এবং পুরুষের যৌনচেতনা, মাসল গঠন, হাড়ের ঘনত্ব, এবং লিঙ্গের বিকাশে ভূমিকা রাখে।
- অতিরিক্ত বা কম পরিমাণে টেস্টোস্টেরোনের ক্ষতিকর প্রভাব হতে পারে, যেমন হরমোনজনিত অস্বাভাবিকতা বা শারীরিক পরিবর্তন।