খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রীর নাম কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'লালসালু' কত সালে প্রকাশিত হয়?
- “শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি"- এই উক্তিটি করা হয়েছে-
- শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই কে সতর্ক হয়ে ওঠে?
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- 'ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।'- কোন ব্যাপারটা এবং কেন?
- দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত কামাল কমলাপুর রেলস্টেশনে আশি টাকার বিনিময়ে একজন যাত্রীর মালামাল মাথায় নিতে দেখেই অন্য কুলিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে, ফেলে দেয়। জীবন ও জীবিকার তাগিদেই সে তার অবস্থান সুসংহত করার চেষ্টা করে। এক সময় সে কুলিদের নেতা হয়। শ্রমিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে সে অনেক প্রভাব বিস্তার করে। এর মাধ্যমে সে বিত্তশালী হয়ে ওঠে।'উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের মূল প্রবণতা অস্তিত্ব সংকট এবং তা থেকে উত্তরণ।'- মন্তব্যটি বিচার করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।উদ্দীপকের ধনঞ্জয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের তুলনা কর।
- 'রোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পারবে না' এখানেকোন খাবারের কথা বলা হয়েছে?
- খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রীর নাম কী?
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- তেভাগা আন্দোলনকেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
- নিম্নোক্ত কোন লেখক বাংলাদেশের বাইরে মৃত্যুবরণ করেন?
- মজিদকে প্রথম দেখে জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পে অসহায় নিঃস্ব দুই বিধবা নারীর অস্তিত্ব রক্ষার পাশাপাশি বিরূপ পরিবেশে থেকে আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য যে প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে তা গল্পটিকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। অত্যাচারী স্বামী, লালসা-উন্মত্ত জোতদার, দারোগা ও বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আহ্লাদিকে নিরাপদ। রাখার ক্ষেত্রে দুই বিধবা নারীর দায়িত্বশীল ও মানবিক জীবন-যুদ্ধ সত্যিই প্রশংসনীয়।উদ্দীপকের নারীদের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের নারী চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণে তার অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই তাকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও এ প্রস্তাব সমর্থন করেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- মজিদ কেন হাসপাতালে গিয়েছিল?
- 'লালসালু' উপন্যাসে পক্ষাঘাতে কষ্ট পাচ্ছে কে?
- মজিদকে দেখে প্রথম জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- সুমনের সাথে রোমানার বিয়ে হয়েছে দশ বছর। দুজনের সুখের সংসার। সুমনের ধান-চালের ব্যাবসা। জমিজমা অর্থবিত্তও কম নয়। কিন্তু এতদিনেও তারা একজন সন্তানের মুখও দেখল না। সুমন বিদেশে নিয়ে গিয়ে স্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসার কথা বললে রোমানা রাজি হয় না। তার ধারণা আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছাতে যেকোনো সময়ই সে মা হতে পারবে। আল্লাহর প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস।উদ্দীপকটির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের তুলনীয় দিক আলোচনা করো।