মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটিতে নেফ্রিডিয়া নেই?

A. কেঁচো
B. জোঁক
C. নেরিস
D. আরশোলা
Poster Download
SAUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)SAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. আরশোলা
Explanation:

Another Explanation (5):

নেফ্রিডিয়া: অনুপস্থিতি এবং আরশোলা 🪳

নেফ্রিডিয়া হলো অনেক অমেরুদণ্ডী প্রাণীর রেচন অঙ্গ। এটি অনেকটা মানুষের কিডনির মতো কাজ করে, যা শরীরের বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে সাহায্য করে। তবে, কিছু প্রাণীতে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি অনুপস্থিত। নিচে নেফ্রিডিয়া এবং আরশোলা সম্পর্কিত কিছু তথ্য দেওয়া হলো:

নেফ্রিডিয়া কী? 🤔

  • নেফ্রিডিয়া হলো টিউব আকৃতির রেচন অঙ্গ।
  • এগুলো প্রধানত অ্যানেলিডা (Annelida), মলাস্কা (Mollusca) এবং কিছু আর্থ্রোপোডা (Arthropoda) পর্বের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়।
  • এদের কাজ হলো শরীর থেকে নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পদার্থ, অতিরিক্ত জল এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ অপসারণ করা।

নেফ্রিডিয়াযুক্ত প্রাণীর উদাহরণ 🐠🐌🐛

  1. কেঁচো (Earthworm) 🪱
  2. জোঁক (Leech)
  3. শামুক (Snail) 🐌

আরশোলা এবং নেফ্রিডিয়া 🪳

আরশোলা আর্থ্রোপোডা পর্বের অন্তর্ভুক্ত হলেও, এদের রেচন অঙ্গ নেফ্রিডিয়া নয়। 🤔 বরং, আরশোলার রেচন অঙ্গ হলো ম্যালপিজিয়ান টিউব (Malpighian tubules)।

ম্যালপিজিয়ান টিউব (Malpighian tubules) কী? 💡

  • এটি আর্থ্রোপোডা (Arthropoda) পর্বের প্রাণীদের রেচন অঙ্গ।
  • এগুলো হেমোলিম্ফ (Haemolymph) থেকে বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করে এবং তা পরিপাকতন্ত্রে নিঃসরণ করে।
  • আরশোলার ম্যালপিজিয়ান টিউবগুলো খাদ্যনালীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

নেফ্রিডিয়া এবং ম্যালপিজিয়ান টিউবের মধ্যে পার্থক্য 📊

বৈশিষ্ট্য নেফ্রিডিয়া ম্যালপিজিয়ান টিউব
প্রধান পর্ব অ্যানেলিডা, মলাস্কা আর্থ্রোপোডা
কাজ দেহের তরল থেকে বর্জ্য অপসারণ হেমোলিম্ফ থেকে বর্জ্য অপসারণ
গঠন নলাকার বদ্ধ প্রান্তযুক্ত টিউব

কেন আরশোলার নেফ্রিডিয়া নেই? 🤷‍♀️

বিভিন্ন প্রাণীর অভিযোজন এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য তাদের শারীরবৃত্তীয় গঠন ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। আরশোলার ক্ষেত্রে, ম্যালপিজিয়ান টিউব তাদের শুষ্ক পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য বেশি উপযোগী। 🌵

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: আরশোলা। ✅

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছে। 😊

Option A Explanation:
  • আবাস: সাধারণত মাটির মধ্যে বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহের মধ্যে বসবাস করে।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: দেহে বিভিন্ন ধরণের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকে, যেমন মাথা, দেহ, বিচ্ছিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
  • উৎপত্তি: এটি একটি পরজীবী বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশিষ্টাংশে পরিণত হয়।
  • প্রজনন: সাধারণত বিচ্ছিন্নভাবে বা অঙ্কুরের মাধ্যমে প্রজনন করে।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এদের দেহের গঠন সাধারণত সরু এবং দীর্ঘ, এবং এরা বিভিন্ন পরিবেশে সহজে বেঁচে থাকতে সক্ষম।
Option B Explanation:
  • জোঁক: জোঁক হলো একটি সরীসৃপপ্রধান জীব, যা সাধারণত রক্ত শোষণ করে থাকে।
  • প্রকারভেদ: এটি মূলত অস্থিশীল বা বিনা হাড়ের প্রাণী, যা জল বা স্থলে বাস করে।
  • শারীরিক গঠন: জোঁকের দেহ দীর্ঘ ও সরু, এবং এর মধ্যে বিশেষ ধরনের দাঁত বা ঠোঁট থাকে রক্ত শোষণের জন্য।
  • প্রজাতি: বিভিন্ন প্রজাতির জোঁক দেখা যায়, যা বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে।
Option C Explanation:
  1. নেরিস (Nerisse) হলো একটি জলজ উদ্ভিদ বা উদ্ভিদজাত জৈব পদার্থ।
  2. এটি সাধারণত পানির মধ্যে জন্মায় এবং জলজ পরিবেশে বাস করে।
  3. নেরিসের গুণাগুণ ও ব্যবহারে বিভিন্ন ধরনের পার্থক্য রয়েছে, যেমন ওষুধি গুণ বা খাদ্য উপাদান হিসেবে।
  4. প্রাকৃতিক পরিবেশে এটি জলজ উদ্ভিদ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  5. অন্য জীবের মতো এটি কোনও জৈবিক অঙ্গ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ রাখে না।
Option D Explanation:
  • প্রকৃতি: আরশোলা সাধারণত একটি ছোট থেকে মাঝারি আকারের উড়ন্ত পতঙ্গ, যা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়।
  • রঙ: তাদের শরীর সাধারণত বাদামী বা ধূসর রঙের হয়, তবে সবুজ রঙের প্রজাতি কিছু ক্ষেত্রে পাওয়া যায়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: আরশোলা দ্রুত দৌড়াতে ???ক্ষম এবং বেশ কিছু সময়ের জন্য খাবার এবং পানির উৎস খুঁজে পেতে সক্ষম।
  • অর্থনীতি ও পরিবেশ: তারা বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে এবং পরিবেশ পরিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • উপকারিতা ও ক্ষতি: কিছু প্রজাতি ক্ষতিকর হলেও, তারা প্রকৃতির চক্রের অংশ হিসেবে উপকারী হতে পারে।